জ্বরের ব্যবচ্ছেদ!

3069173225_7790eb2fbc  জ্বর হওয়া আর দশটা সাধারন শরীর খারাপ হওয়ার মতো নয়। জ্বর হলে মানুষ একটা ঘোরের জগতে প্রবেশ করে। প্রতিবার জ্বর হবার সময় আমি গভীর এক ভ্রমের জগতে ডুবে যাই। যে জগতে আমি অদ্ভুত ও উদ্ভট সব স্বপ্ন দেখি। রাতের বেলা ঘুমের ভেতর আমরা যে ধরনের স্বপ্ন দেখি, জ্বরের ঘোরে দেখা স্বপ্ন তার চাইতেও অনেক বেশী বাস্তব ও গভীর হয়ে থাকে। এতটাই যে, সেটা যে স্বপ্ন সেই বোধটাই অনেক সময় লোপ পায়; বরং পুরোপুরি বাস্তব বলে ভ্রম হয়।
Continue reading

নব দম্পতিদের প্রতি কিছু কথা

DSC_3116

আমাদের দেশের ছেলে-মেয়েরা প্রেমকালীন সময় আর বিবাহ পরবর্তী সময়ের মাঝে একটা বিস্তর ফারাক দেখতে পায়। বেশীরভাগ ক্সেত্রেই দেখা যায়,  প্রেমের সময় ছেলেটা অনেক সাহসী হয়, কমবেশী প্রেমিকার মন পাবার চিন্তা, এছাড়া তেমন কোন টেনশন নাই, ফুচকা, ফাষ্টফুড, নাদুস নুদুস নান্দুস, রিকশায় ঘোরা, জাতীয় দিবসেও একসাথে সাজুগুজু করে ঘুরতে বের হওয়া, এদিক ওদিক টুকটাক ফ্লার্ট করা ইত্যাদিতে বিভোর থাকে।

কিন্তু বিয়ের পর এই দৃশ্য আমুল বদলে যায়। বাচ্চা ছেলে-মেয়ে দুটো যেন রাতারাতিই বড় হয়ে ওঠে। সাইকেল চালিয়ে প্রেমিকার বাসায় গিয়ে ফুল নিয়ে দাড়ানোঁ ছেলেটাকে ভাবতে হয় তার মা-বাবা-ভাই-বোনের যে জগতটা সে এতদিন দেখে এসেছে, সে জগতের সাথে তার সংসারের নতুন মানুষটা মিলিয়ে চলতে পারবে কিনা। না পারলে সেটা সামাল দেবার দায়িত্বও তার নিতে হয়। তার উপর রান্নাবান্না পোষাক আষাক এসব ছোটখাটো বিষয় তো আছেই।   Continue reading

Video

এক অভূতপূর্ব ভালবাসা!

channels4_banner[সতর্কীকরণঃ যারা লিঙ্গ দিয়ে ভালবাসা বিচার করেন, এই লেখাটি তাদের না পড়াই ভালো হবে।]

পর্তুগিজ দুটো মেয়ে। একজনের নাম জেড। আরেকজনের নাম পাওলা। অভূতপূর্ব এক ভালবাসা দুজনার মাঝে। কোন উদ্দামতা নেই, জৈবিক কামনা-বাসনা নেই, অশ্লীলতা বা নোংরামি নেই; পুরো ভিডিও জুড়ে শুধু অনাবিল খুনসুটিঁ, চুমোয় চুমোয় ভরিয়ে দেয়া দুজনের ভালবাসার টুকরো টুকরো গল্প। সমলিঙ্গের ভালবাসাকে তারা নিঃসন্দেহে অন্য এক উচ্চতায় নিয়ে গেছে, যারা দেখা পৃথিবীর খুব কম দম্পতিই পায়…

Continue reading

Link

প্রচন্ড স্মৃতিপ্রবণ করে দেয়া সেই মিউজিক ভিডিওগুলো…

ভারতীয় মুভির গান নিয়ে তো আর নতুন করে কিছু বলার নেই, কিন্তু ব্যান্ডের গান নিয়ে কাউকেই খুব একটা কিছু বলতে শুনিনি কখনো। তাই অনেক দিন থেকেই ভাবছি ভারতীয় ব্যান্ডের কিছু পুরনো গান নিয়ে লিখবো। যে গানগুলোর প্রতিটা আমার কৈশোরের এক একটা টুকরো। প্রতিটি ভিডিও মানে এক একটি গল্প। এর কয়েকটা তো রীতিমতো আকাশচুম্বী জনপ্রিয় ছিলো তৎকালীন সময়ে। এতটাই যে, এই যুগের ছেলে মেয়েরাও হয়তো সেগুলোর নাম শুনে থাকবে।

ভারতীয় মুভির চাইতে তাদের ব্যান্ড-মিউজিক ভিডিওগুলোই বরাবরই আমাকে অনেক বেশী টানতো। তাইতো, স্কুল থেকে ফিরেই টিভি ছেড়ে MTV, B4U, Music Plus আর Ch [V] নিয়ে বসতাম।

ভারতীয় মুভি এবং মিউজিক ভিডিও দেখা ছেড়েছি প্রায় ১ যুগ হতে চল্ল। কিন্তু আজও সে সব মিস করি; ভালবাসি, কেননা সেসবের সাথে আমার ছোটবেলা আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে আছে। শুধু আমি নই, আমি নিশ্চিত যে, ৯০ দশকে যারা আমার মতো টিনেজার ছিলেন, তাদের অনেকেরই এই ভিডিওগুলো দেখে অনেক কিছু মনে পড়ে যাবে।

ভারতে এই ঘরানার গানগুলোকে বলে ইন্ডিপপ মানে ইন্ডিয়ান পপ। [indipop] Continue reading

একজন বৃদ্ধ ভিক্ষুকের খোজেঁ…

 

5958401776_ec2b911ff8_b

গাড়ির ভেতর থেকে খুব মনোযোগ দিয়ে লক্ষ করেছিলাম একজন বৃদ্ধকে…ব্যস্ত রাজপথে দুপুরের গনগনে রোদের ভেতর সে ভিক্ষা করে সিগন্যালে দাড়িয়েঁ পড়া বাহনগুলোর জানলায় গিয়ে গিয়ে। আমি খুব মনোযোগ দিয়ে খেয়াল করি, তারা কি করে। আমি খেয়াল করলামঃ

Continue reading

হলিউডের ইতিহাসের সবচাইতে ব্যয়বহুল ১০ টি মুভি

বর্তমানে আমাদের দেশে গড়পড়তা একটা মুভির বাজেট কত? আমি যতদূর জানি, ৫০ লাখ থেকে পৌনে এক কোটি টাকা। পাশের দেশে এই বাজেটটা আরো অনেক অনেক গুন বেশী। তবে কিছুদিন থেকেই খুব ইচ্ছে করছিলো, হলিউডের সর্বকালের মোস্ট এক্সপেনসিভ প্রোডাকশনগুলোর ব্যাপারে একটু খোজঁ খবর নেই। আমি বরাবরই ক্যামেরার পেছনের গল্প শুনতে আগ্রহী। কারন আমার ধারনা, ক্যামেরার পেছনের গল্পগুলো ক্যামেরার সামনের চাইতে কোন অংশে কম ইন্টারেস্টিং নয়।

Continue reading

Image

অপারেশনঃ স্নো মাউন্টেইনস!

এখানকার অনেকের কাছেই স্নো মাউন্টেইনসের নাম শুনেছিলাম। বরফে তৈরী বিশাল বিশাল পর্বতে ঢাকা গোটা একটা রাজ্য। শুনে যাবার লোভ হয়েছিলো ভীষন কিন্তু কখনই সময়-সুযোগ হয়ে উঠেনি। হঠাৎ করে সেটা পেয়ে গেলাম। সাব্বির ভাই’র আম্মু সিডনীতে বেড়াতে আসলেন শীতের কয়েকটা দিন বড় ছেলের সাথে কাটাতে। সেই সুবাদেই মূলত যাওয়া আরকি। রুবেল ভাইয়ের নতুন কেনা লালরংয়ের বিশাল “কিয়া” মাইক্রোবাসটা নেয়া হলো। (সাথে রুবেল ভাইকেও!) আমরা সর্বমোট ছিলাম ৭ জন। আমি বসেছিলাম সবার পিছনের সীটে। তাই, গাড়িতে বসে ঘাড় ঘুরিয়েই দেখি গাড়ির পিছনের মালপত্র রাখার কেবিনেট ভর্তি খাবার-দাবার।:-B Continue reading

রবিন উইলিয়ামসঃ স্মরনীয় মুভির লিষ্ট

article-2722588-2075681B00000578-938_634x417-456x300

ছবিঃ ২০১১ সালে সিডনীতে তোলা রবিন উইলিয়ামসের একটি দৃষ্টিনন্দন ফটোগ্রাফ।

রবিনের সাথে প্রথম পরিচয় দ্য ফ্ল্যাবার মুভিতে।  তখন আমি ক্লাস এইটে পড়ি। ছোটকাকা লন্ডন থেকে ভিডিও ক্যাসেটটি নিয়ে এসে আমাকে ও আমার ছোটভাইকে উপহার দিয়েছিলেন জন্মদিনে। সাইফাইও কমেডি ঘরানার এই মুভিটি দেখে এত্ত মজা পেয়েছি যে সেটা আর বলার নয়। আমি রাতারাতি রবিনের ভক্ত হয়ে গেলাম। এরপর ধীরে ধীরে জুমানজি, দ্য বাইসেন্টিনেল ম্যান, আলাদিন, মিসেস ডাউটফায়ার দেখলাম আর ক্রেমেই মুগ্ধ হতে লাগলাম। কিন্তু দ্য ফ্ল্যাবার দেখার পর তাকেঁ ঘিরে যে মুগ্ধতা তৈরী হয়েছিলো সেটার রেশ আমার আজো কাটেনি, কখনো কাটবে বলেও মনে হয় না। ছোটবেলায় দেখা সেই মুভিটার প্রভাব আমার জীবনে আজীবন থেকে যাবে মনে হয়। তো কয়েক বছর আগে হঠাৎ সিন্ধান্ত নিলাম আমার অন্যতম প্রিয় এই অভিনেতার সবগুলো মুভি আমার কালেকশনে রেখে দিবো। Continue reading

আমার ফেসবুক স্ট্যাটাস থেকে টুকে নেয়া – ১

ছোটখালার নোয়াখালির বাড়ীওয়ালি কারেন্টের বিল আর ডেসার ভয়ে এসি লাগাতে দিবে না। [ডেসার নতুন নিয়ম হয়েছে, নতুন ডিজিটাল মিটার নেবার সময় একটা মুচলেকা দিতে হয়। সেখানে লেখা থাকে, ”আমি এই মিটার দিয়ে এসি চালাইতে পারবো না।” – বা এমন কিছু। আব্বু ভালো বলতে পারবেন।] নোয়াখালির কথাটা উল্লেখ করার কারন হলো, আমার জীবনে যতগুলা নোয়াখালীর বাড়িওয়ালা দেখেছি, তাদের ছ্যাচঁড়ামি দেখে মনে হয়েছে যে, তারা আত্নীয় স্বজনদের কাছ থেকে ১০ টাকা ৫ টাকা ধার করে তারপর সেই টাকা জমিয়ে বাড়ি করেছে। ছোটখালার বাড়িওয়ালীর ছ্যাচঁড়ামির একটা উদাহরন দেই-

 

 

 

 

Continue reading

আমার HER দেখার অভিজ্ঞতা ও একটি মধুময় কাকতালীয় ঘটনা!

MV5BMjA1Nzk0OTM2OF5BMl5BanBnXkFtZTgwNjU2NjEwMDE@._V1_SX640_SY720_-253x375মুটামুটি এইরকম একটা থিমে একটা সাই ফাই গল্প লিখেছিলাম আমি ২০০৭ সালে। অনেকেই বলেছেন, গল্পটার কিছু অংশ গতবছর মুক্তিপ্রাপ্ত HER মুভির প্লটের মতো। যে গল্পটা ৬ বছর আগে আমি লিখেছিলাম সেই গল্প নিয়ে যদি হলিউড মুভি বানায়, তবে সেটা আমার স্বভাবতইঃ রোমাঞ্চকর এবং আগ্রহদ্দীপক। মুভিটা দেখকে বসেছিলাম, আমার গল্পের সাথে এই মুভির গল্পের মিল কতটুকু, সেটা দেখতে। Continue reading