দেশের তরুণ প্রজন্ম ও ইনসমনিয়াঃ এক অভিশপ্ত মেলবন্ধন

awakeএখনকার বেশীরভাগ সদ্য তরুনী বা তরুনী মেয়েদের মধ্যে একটা কমন জিনিস দেখতে পাচ্ছি, সেটা হচ্ছে এরা প্রায় সবাই ইনসোমনিয়ায় ভুগছে। [প্রশ্ন আসতে পারে, ছেলেরাও তো ভুগছে, সেটা খেয়াল করিনি? প্রশ্ন হচ্ছে, করেছি। কিন্তু ছেলেদের এই সমস্যা ইদানিংকার না, অনেক আগেরই। একটা সময় শুধু ছেলেরাই ইনসোমনিয়ায় ভুগতো, এখন সমানতালে মেয়েরাও ভুগছে]। আমার বন্ধু তালিকায় এমন কিছু মেয়ে রয়েছেন, তাদের সাথে আলাপচারিতায় জানতে পেরেছি তাদের রাতে না ঘুমানোর অভ্যেস রয়েছে, কেউ কেউ ভোর রাতে বা ভোরের দিকে ঘুমুতে যান এমনকি কেউ কেউ ঘুমের জন্য নিয়মিত ঘুমের ট্যাবলেটও খান। অথচ কেন তাদের রাতে ঘুম আসে না, এ ব্যাপারে প্রশ্ন করে কোন সদুত্তর পাওয়া যায়নি। বেশীরভাগই কোন কারন বলতে পারেননি।
সম্প্রতী এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ৫ বছর আগের তুলনায় এখনকার মেয়েরা নাকি প্রায় ২ ঘন্টা পর রাতে ঘুমুতে যায়। শতকরা ৪০ ভাগ নারী রাত ১/২টা পর্যন্ত জেগে থাকে সকালে অফিস বা ক্লাস থাকা সত্তেও! মনোবিজ্ঞানীরা এ বিষয়ে পত্রিকায় দিক নিদের্শনা দিতে পারেন। কারন ব্যাপারটা অবশ্যই সিরিয়াস এবং আশঙ্কাজনক। এবং ভবিষৎতে এই সমস্যা আরো গুরুতর আকার ধারন করতে পারে, ক্যারিয়ার এবং দাম্পত্যজীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। Continue reading

মুসলিম বিয়ের যে বিষয়গুলো আপনি হয়তো জানতেন না!

Marriage-A-Sacred-Union-or-the-Most-Expensive-Eventগতকাল প্রথমালোতে ৯০ বছরের এক বৃদ্ধ ১৫ বছরের একটা মেয়েকে জোর করে বিয়ে করার খবর ছেপেছে আর কিছু পাবলিক যথারীতি সে দোষ চাপাচ্ছে ইসলামের ঘাড়ে। এ ব্যাপারে পাবলিকের অজ্ঞতা ও মোল্লাদের মিস ইন্টারপ্রেশন দেখতে দেখতে ত্যাক্ত বিরক্ত হয়ে গেছি। পুরাই পিসড অফ আমি!

মুসলিম বিয়ের যে ফ্যাক্ট গুলো অনেকেই জানেন না বা ভুল জানেন:

১. কোন মেয়ের অমতে তাকে জোর করে বিয়ে দেয়া যাবে না। তা সে মেয়ে সাবালিকা হোক আর না বালিকা হোক। [ইসলামে মেয়েদের ফিজিক্যাল ম্যাচুরিটি ধরা হয় ম্যান্সট্রুয়াল সাইকেল (মানে মাসিক/পিরিয়াড শুরুর উপর ভিত্তি করে। আর ছেলেদের ধরা হয় ওয়েট ড্রিমের উপর (মানে স্বপ্নদোষ) ভিত্তি করে] জোর করে বিয়ে দেয়া হলে ইসলামে সে বিয়ে কোনমতেই ভ্যালিড হবে না। ইসলামের চার মাদহাব এ ব্যাপারে একমত। এমনকি ‘কবুল’ বলার সময় কোনরূপ ফোর্স করা যাবে না, সেটা নিশ্চিত করার দায়িত্ব বিয়ের কাজীর। কোন মেয়ে যদি কবুল বলার অথবা কাবিন নামায় সাইন করার কয়েক সেকেন্ড আগেও মনে করে, বিয়েতে তার মত নেই তবে ইসলাম তাকে পূর্ণ অধিকার দিয়েছে তৎক্ষনাৎ বিয়ে ভেংগে দেবার। ছেলেদের জন্যও একই কথা প্রযোজ্য।

২. হিল্লা বিয়ে বলতে কোন বিয়ের কনসেপ্ট ইসলামে নাই। হিল্লা বিয়ের নামে যে সেটাপ বিয়ের আয়োজন করা হয়, সেই জিনিস গ্রাম্য কাঠ মোল্লাদের আবিস্কার। ইসলামে এর কোন জায়গা কোন কালে ছিলো না। কখনো থাকবেও না।

৩. কোন ছেলেকে বিয়ে করতে হলে অবশ্যই তার তিনটি ক্ষমতা থাকতে হবে:

ক. অর্থনৈতিক স্বক্ষমতা। [তার মানে এই না যে ভাল ক্যারিয়ার থাকতে হবে, প্রচুর ইনকাম থাকতে হবে। স্ত্রী এবং সন্তানকে ভরনপোষন করার মতো যথেষ্ঠ আর্থিক সংগতি থাকলেই কোন ছেলে বিয়ের জন্য ক্যাপেবল হয়ে যাবে। পুরোপুরি বেকার কোন ছেলেকে বিয়ে করতে চাইলে সেটা নিজ দায়িত্বে করতে হবে। মানে এর কারনে পরে কোন ঝামেলা হলে সেটা ইসলামের ঘাড়ে চাপানো যাবে না]

খ. শারীরিক স্বক্ষমতা। [এ ব্যাপারটা এ্যানসিউর করবে ছেলে এবং ছেলের পরিবার। সত্য লুকিয়ে বিয়ের পর যদি দেখা যায় ছেলের ফার্টেলিটিতে সমস্যা আছে তবে সেটার দায় পুরোই ছেলে এবং ছেলের পরিবারকে বহন করতে হবে। বাচ্চা হওয়া না হওয়া বা মেয়ে সন্তান হবার জন্য কোনমতেই স্ত্রীকে দায়ী করা যাবে না। [সূত্র: ফওয়াযে মাজহেরি; Islamic Marriage Facts of all Madhab, Publication 1999, page: 23-24]

গ. মানসিক স্বক্ষমতা। [মানসিক ভারসাম্যহীন কোন মানুষকে বিয়ে করা যাবে না। যদি কেউ করে, নিজ দায়িত্বে করবে।]

৪. চাক্ষুষ এবং ‘সুস্থ মস্তিস্কসম্পন্ন’ স্বাক্ষী ছাড়া কোন মতেই বিয়ে হবে না। তা সে যত বিশ্বাসযোগ্য ছেলে বা মেয়ের সাথেই বিয়ে হোক না কেন।

৫. এ্যারেঞ্জড বিয়ের আগে ছেলে মেয়ের সাথে কথপকথনের সুযোগ রয়েছে। যারা ভাবেন, ইসলামে বিয়ের আগে কনে দেখা যায় না, তারা ভুল জানেন।

৬. মুসলিম শরিয়ত অনুযায়ী, মেয়ে পক্ষকে কোন যৌতুক দিতে হয় না। বরং ছেলে পক্ষ কর্তৃক মেয়ে পক্ষকে যৌতুক দিতে হয় যার নাম দেনমোহর। এই দেনমোহন স্বামীর করুণা নয় বরং স্ত্রীর অধিকার। এর সাথে স্ত্রীকে ভরন পোষন করা কিংবা তালাক দেয়া বা না দেয়ার কোন সম্পর্ক নাই। স্ত্রী যে কোন সময়, এমনকি তালাকের পরও তার প্রাপ্য দেনমোহরের জন্য স্বামীকে চাপ দেবার পূর্ণ অধিকার রাখেন। তবে স্ত্রী দেনমোহন কড়ায় গন্ডায় আদায় করবে নাকি মাফ করে দেবে, একবারে দাবী করবে নাকি স্বামীকে সুযোগ দেবে ইনসটলমেন্টে দেবার, সে সব পুরোই স্ত্রীর উপর ছেড়ে দেয়া হয়েছে। সে যেটা চাইবে সেটাই হবে। কিন্তু মাফ করে দেবার জন্য কোনভাবেই তাকে ফোর্স করা যাবে না। এমনকি স্ত্রীর দেনমোহরের টাকা কোথায় খরচ করা হবে, সেই ব্যাপারে নাক গলানোর কোন অধিকারও ইসলাম স্বামীকে দেয়নি। স্ত্রীকে দেনমোহরের টাকা পরিশোধ করার পর সে টাকা স্ত্রী সিন্দুকে ভরে রাখবে নাকি টাকা দিয়ে সে খিচুড়ী বানিয়ে খাবে, সেটা একান্তাই তার ব্যাক্তিগত বিষয়।

presumption-of-marriage

দেনমোহর প্রথার যারা বিরোধীতা করেন, তারা মধ্যবিত্ত পরিবারের কোন একজন হিন্দু স্বামী পরিত্যাক্তা [হিন্দু বিয়েতে তালাকের কোন সিস্টেম নাই] নারীর কাছে গিয়ে করে দেখবেন, সে কি বলে! হিন্দু ধর্মে দেনমোহরের কোন প্রথা না থাকায় মেয়েরা প্রতিনিয়ত তাদের স্বামীর দ্বারা নিগৃহীত হচ্ছে। স্বামীর সাথে ছাড়াছাড়ি হবার পর হিন্দু ধর্মের একটি মেয়ে যে কি পরিমান অসহায় হয়ে যায়, এ বিষয়ে আমাদের অনেকেরই কোন ধারনা নাই। এই কারনে আমি কয়েক বছর আগে ইন্ডিয়ার মতো আমাদের দেশেও হিন্দু আইন যেন সংস্কার করা হয়, সে বিষয়ে লিখেছিলাম, হিন্দু পরিষদের কাছে দাবী জানিয়েছিলাম।

৭. আমাদের দেশের মুসলিম পারিবারিক আইনানুযায়ী, স্ত্রীর পূর্ণ অধিকার রয়েছে স্বামীকে তালাক দেবার। তবে কাবিন নামায় সেটা উল্লেখ থাকতে হবে। বিয়ের সময় এই ব্যাপারটা এ্যানসিউর করার দায়িত্ব প্রত্যেক মুসলিম মেয়েদের। হিন্দু পারিবারিক আইন সংস্কার শুরু করা হয়েছে সবে মাত্র, তবে সেখানে মেয়েদের তালাক দেবার ক্ষমতা রাখা হবে কিনা জানা নেই।

৮. যদিও ইসলামিক শরীয়তে কোর্ট ম্যারেজের কোন পদ্ধতি নেই, বিয়ে কনডাক্ট হবে কাজীর দ্বারা, তবে ১৯৬২ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন অনুযায়ী, প্রত্যেক মুসলিম বিয়ের রেজিষ্ট্রেশন করা বাধ্যতামূলক। বিয়ের পর কোন ঝামেলা হলে মামলা মোকদ্দমা করার জন্য বিয়ের কাবিননামা এবং রেজি: পেপারই যথেষ্ঠ। তাই কোন ছেলে যদি কোন মেয়েকে কোর্ট ম্যারেজ করতে চায়, তাহলে ঐ মেয়ের উচিত কাজী, কাবিন নামা এবং রেজি: এসব বিষয় নিশ্চিত করা। একটা ব্যাপার মনে রাখতে হবে, কাজী ছাড়া কাবিননামা হবে না। আর কাবিননানা ছাড়া মুসলিম বিয়ের কোন মামলা আদালতে টিকবে না।

৯. স্ত্রী অসুস্থ এবং গর্ভবতী থাকা অবস্থায় তার বাড়তি যে সুরক্ষা প্রয়োজন হয়, সে ব্যাপারে পূর্ণ দায় দায়িত্ব স্বামীর। এই দুই সিচুয়াশানে দরকার হলে স্বামীকে ঘরের সব কাজ করতে বলা হয়েছে। [সূত্র: ফওয়ায়ে মাজহেরি; Islamic Marriage Facts of all Madhab, Publication 1999, page: 29-30]

১০. বিয়ের অনুষ্ঠান যতটা সম্ভব সংক্ষিপ্ত এবং অনাড়ম্বরপূর্ণ করতে সুপারিশ করা হয়েছে। ইসলামে মূল বিয়ের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে সময় লাগে বড়জোড় ৫ মিনিট।

১১. বিয়ের খুতবা জানা থাকলে যে কেউ বিয়ে পড়াতে পারেন। এমনকি কোন মেয়ে বা ছেলেরও যদি জানা থাকে, তবে সে ছেলে বা মেয়ে নিজেই নিজের বিয়ে পড়াতে পারবে। তবে আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে, রেজিষ্ট্রার্ড কাজির দ্বারা বিয়ে পড়ানোই ভালো।

১২. বিয়ের আগে প্রত্যেক মুসলমান ছেলে এবং মেয়ের উচিত এসব ব্যাপারে স্পষ্ট ধারনা রাখা যাতে করে কোন পক্ষই কোন পক্ষকে ঠকাতে না পারে। অনেক সময় কাজীও শরীয়তের অজুহাতে আবজাব বলে বেশী টাকা আদায়ের চেষ্টা করে, সহজ কাজটাকে কঠিন করে তোলে বা বেহুদা বিয়ের পাত্র-পাত্রীকে ভয় দেখায়। এ ব্যাপারে স্পষ্ট ধারনা থাকলে এ জাতীয় প্রবণতা বন্ধ হয়ে যাবে।

১৩. ইসলামিক শরিয়তে হালাল কাজের ভেতর সবচেয়ে নিকৃষ্ট কাজ হচ্ছে তালাক দেয়া। দিতে সব সময় নিরুৎসাহিত করা হয়েছে।

বিয়ে এবং তালাকের ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে চাইলে, এমনকি আমি উপরে যা যা বল্লাম সেগুলো সত্যিই ইসলামিক রেগুলেশন কিনা সেটা যাচাই করতে চাইলে নিকটস্থ মসজিদের ইমাম বা মোয়াজ্জিনকে গিয়ে ধরেন।

ইমাম সাহেব শরীয়তসম্মত উত্তর দিয়েছেন কিনা তা যাচাই করার উপায়:

ক. তারঁ কাছে একাধিক রেফারেন্স চাইবেন। শরীয়তে প্রতিটি জিনিসের একাধিক রেফারেন্স আছে।

খ. ‘একই বিষয়ের ব্যাপারে অন্য মাদহাবগুলোর অবস্থান কি? – এই প্রশ্ন করবেন।

গ. ক্রসচেকিং করবেন। মানে একই প্রশ্ন পাশের এলাকার মসজিদের ইমামকে করবেন। তারপর দুজনের উত্তর ক্রসচেকিং করে দেখবেন কোন অমিল খুজেঁ পান কিনা।

ঘ. এলাকাবাসীর কাছে সুনাম আছে অথবা সুনাম না থাকলেও দুর্নাম নেই এমন ইমামের শরনাপন্ন হবেন।

ঙ. সবচেয়ে ভাল হয় কোন মাদ্রাসার মুফতি বা মাওলানার কাছে যেতে পারলে। মাদ্রাসাটা যত বড় এবং/অথবা পরিচিত হবে, আপনার ভুল উত্তর পাবার সম্ভাবন তত কম।

https://www.facebook.com/proloyhasan/posts/10151369783147220

সেকেন্ড হ্যান্ড আইফোন কেনার আগে যে বিষয়গুলো অবশ্যই চেক করে নিবেন

download

বাংলাদেশের বাজারে সেকেন্ড হ্যান্ড আইফোন কেনাটা বিরাট ঝুকিঁর ব্যাপার। একটু সাবধান না হলে বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই আপনাকে অবধারিতভাবে ঠকতে হবে।  কারন আপনাকে কোন ধরনের ওয়ারেন্টি দেয়া হবে না, কোন মানি ব্যাক গ্যরান্টি পাবেন না। মানে কেনার সময় যা দেখার দেখে নিবেন, পরে আর কোন আপত্তি গ্রহন করবে না কেউ অবশ্য বসুন্ধরার দোকানগুলোতে নাকি ৬ মাসের সার্ভিস ওয়ারেন্টি দেয়। তাই ওরা দামও বেশী রাখে। Continue reading

Status

ভোজনরসিক বাঙ্গালির ভূরিভোজন!

DSC_5305

বাঙ্গালীর উৎসবের অভাব নাই। সেই উৎসব উপলক্ষ্যে ভূড়ি ভোজেরও কোন শেষ নাই। বাঙ্গালীর প্রায় সকল উৎসবে ভোজের আয়োজন দেখলে মনে হবে, উৎসবটা এখানে গৌন। ভোজনটাই মূখ্য। যদিও ‘ভোজ’ থেকে ‘ভোজন’ এসেছে, কিন্তু আক্ষরিক অর্থ বিচার করলে দুটোতে কোন মিল পাওয়া যায় না। ভোজন মানে খাওয়া। সেটা পোলাও কোর্মা হতে পারে, হতে পারে এক গ্লাস পানীয়ও। অপরদিকে ভোজ মানে হচ্ছে খাবার দাবারের এলাহী কারবার! সেখানে পোলাও কর্মা এবং পানীয়ের কোন অভাব থাকে না। তাই সঙ্গতকারনেই, ভোজ ও ভোজন আমাদের সংস্কৃতির দুটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।

ধর্মীয় উৎসবে খাওয়া, সাংস্কৃতিক উৎসবে খাওয়া, সামাজিক উৎসবে খাওয়া। কোন উৎসবেই খাবার অনুপস্থিত নয়। তবে সামাজিক উৎসবে ভোজের আয়োজনটা অন্য সমস্ত উৎসবকে যেন ছাড়িয়ে যায়। ছোটবেলা থেকেই দেখছি, বর-কণের চাইতেও বিয়ে বাড়ীর প্রধান আকর্ষন হচ্ছে ভোজন। বিয়ের অনুষ্ঠানে গিয়ে বর বা কণেকে না দেখেই ফিরে আসতে দেখেছি অনেককে, কিন্তু না খেয়ে ফিরে আসা? কাভি নেহি। Continue reading

আমার দেখা এক বিভীষিকাময় ক্যান্সার!

t2-large-web

আমি খুব কাছ থেকে যে ক্যান্সারটি দেখেছি, সেটার ডাক্তারি নাম “লিম্ফোব্লাস্টিক ল্যূকেমিয়া ”. হাত বা পায়ের অস্থিমজ্জার ভেতরের রক্তকণিকাগুলো জন্মাতে পারে না বা পারলেও সাথে সাথে ফেটে যায়, এই জন্য এইরকম নামকরণ। এই ক্যান্সারটি হয়েছিলো আমার ছোটভাইসম রূমমেট রাহুলের।

প্রথম কয়েকরাতে প্রচন্ড জ্বর, আর মারাত্নক হাটুঁ ব্যথা। এরপর হঠাৎ একদিন সে প্যারালাইসড হয়ে গেলো। দু পা পুরোপুরি অবশ। পরদিন দুপুরের পর এ্যামুলেন্সে করে সিডনীর একটা ঐহিত্যবাহী হাসপাতালে ওকে ভর্তি করার পর ডাক্তাররা সব ধরনের চেকাপ করালেন। রোগটার ব্যাপারে পুরোপুরি নিশ্চিত হতে পাক্কা ৪ ঘন্টা লাগলো। সবগুলো রোগ চেক করে যখন হেপাটাইটিস বি, এইচ আই ভি আর ক্যান্সার বাকী ছিলো, তখনই ওর লিউকোমিয়া ধরা পড়লো। পর পর দুবার ওর ব্লাড টেস্টে একই রেজাল্ট আসলো। ডাক্তাররা ওকে আর বাসায় যেতে দেননি। সাথে সাথে ভর্তি করানো হলো। Continue reading

পুরুষের পর্দার কথা বলবে কে? (নারী এবং পুরুষের পর্দার একটি সামগ্রিক পর্যালোচনা)

Veil_men vs. woman

আমাদের দেশে সব সময়ই  নারীর পর্দা নিয়ে এত বেশী হৈ চৈ হয় যে, সেই অনুপাতে পুরুষের পর্দা নিয়ে কোথাও বিন্দুমাত্রও আলোচনা হয় না। তাই গত কয়েক মাস ধরেই ভাবছিলাম  এই বিষয়টা নিয়ে একটু বিস্তারিত লিখবো। এটা ভাবার কোনই কারন নাই যে পুরুষদের কোনভাবে ছাড় দেয়া হয়েছে।

এই লেখাটি বিশাল। অনেক সময় নিয়ে ধৈর্য্য ধরে পুরোটা পড়তে হবে। বিশাল পোষ্ট  হবার কারনে হয়তো অনেকেই এড়িয়ে যাবেন কিন্তু আমি এখানে এমন একটা বিষয় নিয়ে লিখেছি, যা নিয়ে এর আগে কেউ কখনো লিখেন নাই, এমনকি বলেনও নাই। Continue reading

আমি যেভাবে আজ চাক্ষুষ করলাম বিধ্বস্ত রানা প্লাজা

সাভারের জন্য এলাকার কিছু ছেলে পেলে হাজার কয়েক টাকা তুলেছে এলাকা থেকে। তারা বাসে করে আজ বিকেলে যাবে। তাদের সঙ্গে আমিও গেলাম। এদিকে জগন্নাথ কলেজ থেকে ছাত্র ইউনিয়ন ও ছাত্র ফেডারেশনের একটা বড় সড় দল পিকাপ ভাড়া করে প্রায় একই সময়ে সাভারে রওনা দিলো। তাদের সাথে আছে অক্সিজেনআর ওষুধসহ প্রচুর দরকারী রসদ। তারা আমাকে তাদের সাথেই যেতে অনুরোধ করেছিলো, কিন্তু আমি আমার এলাকার ছোট ভাইদের সাথেই যেতে বেশী স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করলাম। Continue reading

আমার প্রিয় হলিউড নায়কেরা – (শেষ কিস্তি)

১২) বেনেডিক্ট কামবারবেইচ

Benedict-Cumberbatch-In-Black-Sherlock-Holmes-Posterপ্রথমেই আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করে নিচ্ছি অনিচ্ছাকৃত লম্বা বিরতির অপরাধে। কিছু পারিবারিক ও পেশাগত ঝামেলার কারনে গত দু সপ্তাহ অনেক চেষ্টা করেও এই সিরিজের সর্বশেষ লেখাটি লেখার মতো যথেষ্ঠ সময় ও সুযোগ করে উঠতে পারিনি। তাই ফেসবুকে ইনবক্স করে ও ফেসবুক পোষ্টের কমেন্ট সেকশনে যারা ক্রমাগত তাগাদা দিয়ে গেছেন, তাদের কাছে সবিনয় ক্ষমা প্রার্থনা ও দুঃখ প্রকাশ করছি।

পুরো নামঃ বেনেডিক্ট টিমোথি কার্লটন কামবারবেইচ।
বয়সঃ ৩৮ বছর।
উচ্চতাঃ ৬’
পরিচয়ঃ বৃটিশ অভিনেতা ও প্রযোজক।
প্রথম মুভিঃ To Kill a King (২০০৩)
জনরাঃ ড্রামা, বায়োগ্রাফি ও ’প্রচন্ড-রকমের-বুদ্ধিমত্তা-সম্পন্ন-চরিত্র’ ঘরানার নায়ক। (যেমনঃ শার্লক, হকিং, টুরিং)
এ পর্যন্ত অভিনীত মুভির সংখ্যাঃ ৩২
অস্কার/অস্কারের নমিনেশন পেয়েছেনঃ বেষ্ট এ্যাকটর ক্যাটাগরিতে নমিনেশন পেয়েছেন একবার। The Imitation Game এ। Continue reading

Quote

স্যুরণ ও তার কল্প্রলয়…!

shopnoduarblog_1225999867_1-DSC09056

ইউনিভার্সিটির সেকেন্ড সেমিস্টারে একটা ইন্ডিয়ান মেয়ের সাথে পরিচয় হয়। স্যুরন। দেখতে কালো, কিন্তু খুবই মিষ্টি; মায়াকাড়া চেহারা। সব সময় এই মেয়েটি হেসে হেসে কথা বলত। খুব দুঃখের কথাও সে হেসে হেসে বলত। একটা পাই শপে পার্ট টাইম জব করত। ছাত্রী হিসেবে মুটামুটি ছিল। ২য় সেমিষ্টারে আমাদের ক্লাস বদলে গেলো, সাবজেক্ট বদলে গেলো। তাই নতুন ক্লাসে এসে নতুন নতুন ছেলেমেয়ে দেখে ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে গেলাম। পুরো ক্লাসে তখন আমিসহ তিনজন বাংলাদেশী। একজন মহিলামত মেয়ে (মানে বয়স মেয়েদের মতো কিন্তু দেখতে মহিলাদের মতো বয়স্ক) আরেকটা ছেলে, নাম আতাহার। মহিলামত মেয়েটা কয়েক সপ্তাহ পর পর ক্লাসে আসতো। অষ্ট্রেলিয়ার ছাত্র ভিসার শর্ত হচ্ছে, ক্লাসে ৮০% উপস্থিতি বাধ্যতামূলক। নাহলে ভিসা বাতিল হয়ে যাবে। মহিলামত মেয়েটির ৮০% অনুপস্থিতিতেও ভিসা বাতিল হয় না কারন তার স্বামী অষ্ট্রেলিয়ান সিটিজেন। তাই তার ক্লাস করারও গরজ নাই।

আর আতাহার খুবই গোবেচারা টাইপ ছেলে। সে বাংলাদেশের এক অজগ্রাম থেকে সরাসরি অষ্ট্রেলিয়ায় চলে এসেছে। দরিদ্র বাবা নিজের সব সহায় সম্পত্তি বিক্রি করে একমাত্র ছেলেকে বিদেশে লেখাপড়া করতে পাঠিয়েছেন। ছেলে বিদেশ বিভূইঁয়ে না পারে চলতে, না পারে ঠিকমতো কারো সাথে কথা বলতে। বেচারা সবসময়ই নার্ভাস থাকতো। আমি নিজেও যেহেতু গোবেচারা টাইপ মানুষ, সেহেতু আতাহারের সাথে আমার ভাব হয়ে গেলো। আমাদের সাথের সাদা চামড়ার ছেলেমেয়েগুলোকে দেখি, তারা ক্লাস শেষ করে নাইট আউটে যায়, লং ড্রাইভে যায়। আর সপ্তাহান্তে বারে যায়, পার্টিতে যায়। আমরা দুজন ক্লাসে আসি, মাথা নিচু করে লেকচার শুনি, চুপচাপ ক্লাস শেষে করে কাজে যাই নয়তো বাড়ি ফিরে যাই।

মাসখানেক পর হঠাৎ একদিন শুনি আতাহার বিজনেস কলেজে ভর্তি হবে, কারন ভার্সিটির আকাশচুম্বি সেমিষ্টার ফি সে আর টানতে পারছে না। ইমগ্রেশন থেকে অনেক ঝামেলা করে ভিসা বদলিয়ে সে অনার্স থেকে ডিপ্লোমায় ভর্তি হয়ে গেলো। অথচ আমি জানতাম কাজটা করা যায় না।

আতাহার চলে যাবার একদম একা হয়ে গেলাম আমি। প্রচন্ড মন খারাপ করে ক্লাসে আসতাম, প্রচন্ড মন খারাপ করে ক্লাস শেষ করতাম। ছেলেপেলেরা একা একা ক্লাসে ঢুকতো কিন্তু দল বেধেঁ ক্লাস থেকে বের হতো। আমি ঢুকতাম একা একা, বেরও হতাম একা একা। আমি উপলদ্ধি করলাম, ভার্সিটি লাইফে পুরোপুরি বন্ধুবিহীন অবস্থায় থাকার মতো অভিশপ্ত জিনিস ছাত্রজীবনে আর হয় না।

এ সময় কিভাবে কিভাবে যেন একদিন স্যুরনের সাথে পরিচয় হয়ে গেলো। ছোটবেলা থেকেই আমি বেশ মুখচোরা ছিলাম, মেয়েদের সাথে গুছিয়ে কথা বলতে পারতাম না। স্বাচ্ছন্দ্যে মিশতে পারতাম না। এই কারনে স্যুরন নিজে থেকেই আমার সাথে গল্প করার চেষ্টা করতো। আমার কাছ থেকে নোট নিতো, ওর এসাইমেন্ট আমাকে দিয়ে করাতো, বিনিময়ে ওর চাচার ইন্ডিয়ান রেষ্টুরেন্টে ভরপেট লাঞ্চ এবং ডিনার করাতো। স্যুরন কবিতা পছন্দ করতো। ওর জন্মদিনে আমি একটা কবিতা লিখে উপহার দিই। বেশ খুশী হয়েছিলো। সেও আমার জন্মদিনে আমাকে একটা কবিতা লিখে সেটার রিপ্লাই দেয়। ভীষন স্মার্ট মেয়ে ছিলো স্যুরন। আমাকে ও কেন জানি ’কল্প্রলয়’ বলে ডাকত! ওর সব কিছুই ছিলো কল্পনার একটা থিমে সাজানো। ওর ল্যাপটপের ওয়েলকাম স্ক্রীনে ওর নাম ছিলো কল্পলোক। আমার নামটাও হয়ত সেভাবেই এসেছে। কল্পনা আর প্রলয়। কল্প্রলয়।

কবিতার শিরোনামের নীচে এমন করে নামটা লিখে দিয়েছিলো যে কেউ দেখে ভাববে কবিতাটা হয়ত আমারই লেখা। যাকে উদ্দেশ্য করে লেখা, তার নাম সে দিয়েছিলো লেখকের নামের জাগায়। আমি খুব অবাক হয়েছিলাম।

পরের সেমিষ্টারেই, একদমই হঠাৎ, স্যুরন ভয়াবহ একটা রোড এ্যাকসিডেন্টে মারা যায়। এক উইকএন্ডে ওর ইন্ডিয়ান বয়ফ্রেন্ড মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি বিপদ সীমার চাইতে অনেক বেশী গতিতে চালাচ্ছিল। হঠাৎ হাইওয়ের একটা ব্রীজের উপরে লোহার খাম্বার সাথে সংঘর্ষে ওদের গাড়িটি ছাতু হয়ে খাদের গভীরে পড়ে যায়। দুজনেই স্পটডেড। ক্লাসের সবাই গিয়েছিলাম ওদের ফিনিউরালে। সেদিন ছিলো ৭ ই নভেম্বর।

আজ স্যুরনের ২৮ তম জন্মদিন। বেচেঁ থাকলে আজ সে ২৮ বছরে পা দিতো। খুব মনে পড়ছে ওকে। পরম করুনাময় তার বিদেহী আত্নাকে শান্তি দিক। আমিন।

You Are…
– KalProloy

O my thee,
the days we passed
In our ways,

So close, yet so far.
We found the realm, where life goes…

Thought ever?
What is it?
Its the beat of our hearts!
The dream i did never have
Thats where you are…yeah, you are…!

Only you…?
Uhu, couldn’t be my dream catcher,
But for thee,
I made the dream river
Thats where, you are…..you are!

What’d never be…
Any day,
It would,
You hover on my river,
none is there
see none…
ONLY YOU AND ME THERE…..WE ARE….!

dedicated to the one, an Australish, the dreamed, i have ever felt about        

              ছবিটা ওর কবিতার সেই প্রিন্ট আউটটা। নীচে ওর নিজের হাতে সাইন করা।

 

https://www.facebook.com/proloyhasan/posts/10152450161872220?__mref=message


জব্বরনামা!

10592735_10153160727692220_1872417073495754524_nমুরুব্বি শ্রেনীর লোকদেরকে আমি সাধারনত যথাযথ সন্মান প্রদর্শন করে কথা বলার চেষ্টা করি। কিন্তু সেই মুরুব্বি যদি হয় মোস্তফা জব্বারের মতো ’আমাদের প্রাণের ভাষার সস্তা ব্যবসায়ী’, তাহলে তা কঠিন হয়ে যায়।

১. কয়েক বছর আগে যখন অভ্রের নামে এই ব্যবসায়ীর প্রতিষ্ঠান আনন্দ কম্পিউটার্স অনর্থক ও অন্যায়ভাবে মামলা ঠুকেছিলো, তখন সামহোয়্যারইন ব্লগের আপামর ব্লগাররা সেটার প্রতিবাদ করেছিলো। প্রতিবাদের ঠেলায় জব্বার আইডিবি ভবনে একটা প্রেস কনফারেন্স ডাকে। সেখানে সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে সে কাদোঁ কাদোঁ গলায় জানায় যে, বিজয় বিক্রির টাকা দিয়ে তাকে ডায়বেটিকের ইনসুলিন কিনতে হয়। এই টাকার উপর ভরসা করেই তাকে সংসার চালাতে হয়।

ওয়েল, আমার কথা হলো, সে যদি এটার উপর এতই নির্ভরশীল হবে, তাহলে এটাকে কেন আপডেট করে না রেগুলার? মাত্র এক বছর আগেও আমি লিনাক্সের জন্য বিজয় পাইনি। লিনাক্স দূরে থাক এক সময় তো বিজয়ে ইউনিকোড সাপোর্টও পাওয়া যেতো না। অনলাইনে লিখলে বিজয়ের ডিফল্ট ফন্ট সুতন্বি ভেংগে খান খান হয়ে যেতো। মাত্র ১ বছর আগেও ফটোশপে বিজয়ে লিখতে পারিনি। জব্বারের কি উচিত ছিলো যেটা দিয়ে সে ডায়াবেটিকের ইনসুলিন কিনে সেটাকে এভাবে পুন মারা? (আপডেট করবেন কিভাবে, বিজয়ের সোর্সকোড যে লিখেছিলেন সে তো আর কাগুর নাগালের ভেতর নাই এখন। ৩ নং পয়েন্টে বিস্তারিত।) 

২. বাংলার এই স্টিভ জবস মোজো কাগু নিয়মিত বিরতিতে আইডিবি ভবনের প্রতিটি চিপায় চুপায় গিয়ে “পাইরেটেড সিডি” বিরোধী অভিযান চালায়। অনেকেই অভিযোগ করেছেন যে, পাইরেটেড সিডি বিরোধী অভিযান নাম দিয়ে সে আসলে চালায় ’বিজয়ের পাইরেটেড সিডি বিরোধী’ অভিযান। যে সব দোকানে কোন পাইরেটেড সিডি নাই কিন্তু বিজয়ের পাইরেটেড সিডি আছে, সেই দোকান মোজো কাগুর হাতে অবশ্যই মামলা খাবে। অপরদিকে, যে দোকান পাইরেটেড সিডি দিয়ে ভর্তি, কিন্তু বিজয়ের লাইসেন্স তাদের কেনা আছে, এইরকম কোন দোকান তার হাতে মামলা খেয়েছে এইরকমটা আজ পর্যন্ত শোনা যায় নাই।

আমার এক বন্ধুর ছোট ভাই একটা কোম্পানিতে জব করতো, সেই কোম্পানির কাজ ছিলো ইউটিলিটিস আর গেমগুলা ইন্টারনেট থেকে নামিয়ে ক্র্যাক করে সিডিতে বার্ণ করে দেশীয় বাজারে ছাড়া। মানে পাইরেটেড সফটওয়্যার আর গেমের বিজনেস, যেটা এখন আর নাই, এই ধরনের ব্যবসা এখন মার খাচ্ছে। সবাই এখন অনলাইন থেকেই সরাসরি নামিয়ে কাজ চালায়, আমি নিজে শেষবার কবে সিডি রম ড্রাইভে সিডি ঢুকিয়েছি ভুলে গেছি। হয়তো দুই/তিন বছর হবে।
 
যে প্রসঙ্গে এই লেখার অবতারণা, সেটা হলো বাংলার স্টিভ জব্বার কাগু।
 
ছোট ভাই বল্ল – ”একদিন অফিসে গিয়ে দেখি স্টোর রূমে বিজয়ের এক গাদা সিডি স্তুপ করে রাখা। ঘটনা কি? আমার বস তো বিজয় বিক্রি করে না, তাইলে এতগুলো বিজয় কিনার কারণ কি? বসকে জিগেস করতেই যা বল্লেন শুনে আক্কেল গুড়ুম হয়ে গেলো!
 
আইডিবি ভবনে আমাদের একটা পাইরেটেড সিডির দোকান আছে। কয়েকদিন আগে আমাদের দোকানে এসে কাগু সাহেব ১৫ লাখ টাকার জরিমানা প্রদান করে অবৈধ সিডি রাখার দায়ে। দোকানের চালানই হবে না ১৫ লাখ, আর সে আমাদের ১৫ টাকা ফাইন দেয়!! শুধু আমাদের না, ঐ দিন আরো অনেক দোকানকেই ফাইন দিয়েছিলো কাগু।
 
তো দোকান মালিক সমিতি তারপর কাগুর অফিসে গিয়ে কাগুকে প্রস্তাব দিলো, আমরা সবাই মিলে আপনার বিজয়ের ১০ লাখ টাকার লাইসেন্স কিনবো। কিন্তু বিনিময়ে আপনি আমাদের দোকানে আর রেইড দিবেন না। যথারীতি কাগু এই প্রস্তাবে সানন্দে রাজী হলো। তো এর কয়েকদিন পর কাগুকে ফুল পেমেন্ট করার পর মুটামুটি ট্রাক ভর্তি করে বিজয়ের সিডি নিয়ে সমিতির সবাই যার যার দোকানে ফিরেছিলো।”
 
এবং তারপর থেকে স্টিভ জব্বার কাগুকে আর কখনো আইডিবির কোন দোকানে পাইরেটেড সিডিবিরোধী অভিযান চালাতে দেখা যায়নি। 😀
 
কাগুর কাউকে ফাইন দেবার ক্ষমতা ছিলো কিনা সে সময়, সেটা প্রশ্ন সাপেক্ষ। সে সময় সে কম্পিউটার কাউন্সিলের সভাপতি ছিলো। তার সে ক্ষমতা না থাকলেও সে যে কাউকে হুকুম দিয়ে এই কাজ করাতে পারে, এ কথা বলা বাহুল্য।

৩. বুয়েটের যে প্রোগ্রামারকে (পাপ্পানা ভাই) দিয়ে মোজো কাগু কিবোর্ডের প্রোগ্রামিং করিয়েছিলো, তার পারিশ্রমিকটাও ঠিকমতো শোধ করে নাই সে। এখনো হারামীটার কাছে পাপ্পানা টাকা পায়। পাপ্পানা এরপর মাইক্রোসফটে জব নিয়ে আমেরিকায় চলে যান। বর্তমানে তিনি উবারের ডেটা সায়েণ্টিষ্ট হিসেবে কর্মরত আছেন।

৪. আমার কপাল খারাপ। আমি বাংলা টাইপ শিখি ২০০০ সালে। সে সময় বিজয় ছাড়া আর কোন বাংলা কিবোর্ড সুলভ ছিলো না। তাই বাধ্য হয়ে এখনো বিজয়ে টাইপ করতে হয়। তবে প্রতিজ্ঞা করেছি, বিজয়ে লিখলেও আমি কাগুকে একটা পয়সাও দিবো না। দু বছর আগে প্রবাসী এক বড় ভাই’র টেবিলে পরিত্যাক্ত পড়ে থাকতে দেখে বিজয় বায়ান্নর সিডি আমাকে দিয়েছিলেন। সেটা দিয়েই এখনো চলছি।

৫. ছোটবেলায় বিটিভিতে প্রতি শুক্রবারে একটা অনুষ্ঠান দেখতাম। নাম ছিলো – এসো কম্পিউটার শিখি। সেখানে আসলে কোন কম্পিউটার শেখানো হতো না। বাংলার এই স্টিভ জবস তার সদ্য স্কুলে ভর্তি হওয়া ছেলেকে কোলে বসিয়ে বিশাল একটা সিআরটি মনিটরের সামনে বসে মাউস টিপাটিপি করতো, অনুষ্ঠানে সেগুলাই দেখানো হতো।

৬. সবাই জানে যে, ভোটার আইডির কাজ না পেয়ে সে অভ্রের পিছনে লেগেছিলো, অভ্র থেকে ইউনিজয় সরিয়ে সে এখন লাগছে রিদমিকের পিছনে। বাংলার এই স্টিভ জবস মোজো কাগু নিজের নামের শেষে লাগায় ডিজিটাল বাংলাদেশের প্রবক্তা নাকি আরো কি কি সব যেন, এবং সে আজীবনই বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সভাপতির নাম ভেঙ্গে খেয়ে গেছে, অথচ এই সমিতি বাংলাদেশের কম্পিউটার ব্যবহারকারী বা ব্যবসায়ীদের উপকারে কোন গুপ্তকেশটা ছিড়েঁ আটিঁ বাধঁছে আমাকে কেউ বলতে পারবেন? সে বছর দুয়েক আগে বেসিসের সভাপতিও হয়েছে, বেসিস কিংবা বেসিসের মাধ্যমে আমাদের আইসিটির কোন উপরকারটা তার দ্বারা হয়েছে, সেটাও কারো জানা নেই।

বাংলা ভাষা নিয়ে ব্যবসা করা এই মাড়োয়ারী ব্যবসায়ী তথা  বাংলার এই স্টিভ জবস মোজো কাগুর যে মতিদয় হবে, আমি সেই দিনের প্রতিক্ষায় আছি।

আপডেট-১ঃ
যাদের এন্ড্রয়ডে রিদমিক নাই তারা নিচের লিঙ্ক থেকে রিদমিকের এপিকে ফাইল নামাইয়া ইন্সটল করতে পারেনঃ http://goo.gl/2utCqT

আপডেট-২ঃ

ভেবেছিলাম আগামী একুশে ফেব্রুয়ারিতে অভ্র’র একুশে পদকের জন্য আবারো দাবী তুলবো। এখন মনে হচ্ছে, একুশে ফ্রেব্রুয়ারীর আগেই হয়তো অভ্র’র অস্তিত্ব মুছে ফেলা হবে।
 
মোস্তফা জব্বারকে আইসিটি মন্ত্রণালয়ে বসানো হবে একটা চরম আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত।
 
বর্তমান শিক্ষামন্ত্রী এই দেশের শিক্ষার যতটা সর্বনাশ করেছে, মোস্তফা জব্বার এই দেশের আইসিটির তার চাইতে বেশী ক্ষতি করবে, মার্ক মাই ওয়ার্ডস। 🙂
 
গত দুই বছর ধরে বেসিসের সভাপতি হয়ে মোস্তফা জব্বর বিন্দুমাত্রও অবদান রাখতে পারে নাই দেশের তথ্য প্রযুক্তিকে, এটা আমি খুব কাছ থেকে দেখা অভিজ্ঞতাতেই বলতে পারি।
 
কোন ধরনের টেকনিক্যাল নলেজ না থাকা সত্ত্বেও এই বয়স্ক অথর্বটা শুধুমাত্র, আই রিপিট, শুধুমাত্র উপর মহলের লবিং দিয়ে এই পর্যন্ত এসেছে।
 
একে মন্ত্রী বানাবার সরকারী সিন্ধান্তের বিরুদ্ধে আমাদের সম্মিলিত ও সুসংহিত প্রতিরোধ প্রয়োজন।

আপডেট-৩ঃ

মোস্তফা জব্বারের ‘নিপুন’ আওয়ামী লীগ বিরোধী একটি পত্রিকা ছিল। (নিপুনের সম্পাদক ছিলেন সাজাহান চৌধুরী। এরশাদ শাসনামলের শেষের দিকে মোস্তফা জাব্বার নিপুন ভাড়া নিয়ে নিয়মিত প্রকাশ করতেন।) আমি স্কুল জীবনে নিপুনে একটি লেখা পড়েছিলাম। যার সার কথা ছিল, ৭ মার্চের ভাষনের আগে বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানিদের সঙ্গে সমঝোতায় যাচ্ছিলেন! তখন এক রাতে বেগম মুজিব ছাত্রনেতাদের বাসায় ডেকে এনে বলেন, সর্বনাশ হয়ে যাচ্ছে। মুজিব সমঝোতায় যাচ্ছে পাকিস্তানিদের সঙ্গে! ছাত্রনেতারা তখন বঙ্গবন্ধুকে বলেন, যে পতাকা আমরা তুলেছি তা আমরা নামাতে পারবোনা। স্বাধীনতার যে ইশতেহার আমরা ঘোষনা দিয়েছি তা প্রত্যাহার করতে পারবোনা। আপনি কোন সমঝোতায় গেলে আমরা তা মানবোনা।

বঙ্গবন্ধু তখন তাদের দূর পাগলারা কে বলেছে বিদায় করেন। ছাত্রনেতাদের মনোভাব বুঝে তার মত পাল্টে ৭ মার্চের ভাষন দিলেও ভাষনের শেষে সমঝোতার একটা পথ খোলা রাখেন। সে কারনে ৭ মার্চের ভাষনের পরও আলোচনা অব্যাহত থাকে। ছাত্রদের ডাকে সারা বাংলাদেশে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উড়লেও তখন ধানমন্ডির বত্রিশ নাম্বার বাড়িতে পতাকা ওড়েনি। বত্রিশ নাম্বারের বাড়িতে ছাত্ররা পতাকা তুলেছে ২৩ মার্চ পাকিস্তান দিবসের দিন। আজ তারেক যে বঙ্গবন্ধু, আওয়ামী লীগকে মাইনাস করে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বলেন তা কিন্তু নিপুনে ছাপা ইতিহাস! তারিখ সংখ্যা মনে করে বলতে পারবোনা, নিপুনের ফাইল কারো কাছে থাকলে লেখাটি পাবেন। এখন আমেরিকা প্রবাসী সাংবাদিক আহমেদ মুসা, (Ahmed Musa) ইনকিলাবের সাংবাদিক নারায়নগঞ্জের ফজলুল বারী ভাইও লেখাটির ব্যাপারে বলতে পারবেন। কারন তখন তারা নিপুনে লিখতেন। এখন অবশ্য পরিবর্তিত সময়। মোস্তফা জব্বার ভাই অনেক দিন ধরে আওয়ামী লীগের পক্ষে লিখছেন। সে কারনে তিনি মন্ত্রীও হচ্ছেন।  লেখাঃ ফজলুল বারী। (লেখাটির লিংক এখানে)

আপডেট-৪ঃ 

 
 আপডেটঃ-৫  কাগুর মিথ্যাচারের নমুনাঃ
 
আপডেটঃ-৬

 লেখাটির লিংক এখানে

আপডেটঃ ৭  মোস্তফা জব্বারের প্রতারণা৩ মিনিটের একটি ইউটিউব ভিডিও

আপডেটঃ ৮ 

মোস্তফা জব্বার, যদি মনে করেন ‘অভ্র’ বিজয়ের পাইরেটেড, মেহদী বিজয় হ্যাক করে অভ্র বানিয়েছে, তাহলে তা প্রমাণ করুন।

আপডেটঃ ৯

যে প্রশ্নটি বারংবার ঘুরেফিরে আমার মাথায় আসে সেটি হল জব্বার সাহেব বুদ্ধিমান লোক নয় সেটি মনে হয়নি। তাহলে উনার যেখানে পেটেন্ট আছে, নিজের মেধাসত্ব আছে, নিজের আত্মবিশ্বাস আছে, অর্থ আছে, ক্ষমতা আছে, সবই আছে, তাহলে সবচেয়ে সহজ কাজ হত আইনের আশ্রয় নিয়ে অভ্র বা অন্য যেসবের বিরুদ্ধে উনার অভিযোগ আছে সেগুলোকে বাজেয়াপ্ত করা, নিষিদ্ধ করা। সেটা না করে যখন তিনি মিডিয়ার সাহায্য নিয়ে নিজের যুক্তি উপস্থাপন করে তখন বেশ সন্দিহান হতে হয় উনার আত্মবিশ্বাস নিয়ে।

আমার ধারণা উনি খুব ভালবেই জানেন যে আইনের কাছে নিজের যুক্তি গ্রহনযোগ্যতা পাবে না। তাই উনি ভেবেছিলেন মিডিয়ার সাহায্য নিয়ে খুব সহজেই, সুকৌশলে অভ্রকে পাইরেসীর অভিযোগে অভিযুক্ত করে মানুষকে বোকা বানানো যাবে। উনি কখনই কল্পনাই করতে পারেন নি যে উনার এই কাজ উনার জন্য এভাবে বুমেরাং হয়ে যাবে। মানুষ যে এভাবে ক্ষেপে যাবে সেটা উনার কল্পনার অতীতে ছিল। যদি ক্ষুণাক্ষরেও উনি এটা বুঝতে পারতেন তবে তিনি প্রথম ধাপটিই বেছে নিতেন। তখন আইনের কাছে হারলেও সেটা হত চুপেচুপে। তাতে উনার নিজের সম্মানটুকু হয়তো থাকতো। এখন বেচারার আম-ছালা সবই গিয়েছে। ওনেকটা জামাতের মত। কেউ যখন গোমু কে রাজাকার বলে গালাগাল করে তখন তারা মানহানি মামলা করে না, আইনের আশ্রয় নেয় না। শুধু মাত্র তাঁদের পত্রিকায় গলাবাজি করে।

 

হিমু এর ছবি

কাগুর মূল ক্ষোভটা ধরতে হবে। কাগুর রাগ কিন্তু একা অভ্রর ওপর নয়, নির্বাচন কমিশন আর ইউএনডিপির ওপরেও। তাদের অপরাধ, তারা কাগুর প্রোডাক্ট ৫ কোটি টাকা দিয়ে না কিনে ০ টাকা দিয়ে অভ্র ব্যবহারের অনুমতি কিনে নিয়েছে। ভবিষ্যতে হয়তো অন্য প্রকল্পেও অভ্র ব্যবহার করা হবে নির্বাচন কমিশনের উদাহরণ দেখিয়ে। কাগু দীর্ঘমেয়াদী আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েই প্রোপাগাণ্ডার আশ্রয় নিয়েছে।

উপরের কমেন্ট দুটো এই পোষ্ট থেকে নেয়া হয়েছে (অভ্র, বিজয়, পেটেন্ট বিষয়ে)

আপডেটঃ ১০

সমঝোতার পথে অভ্র ও বিজয় (২০১০ সালে প্রকাশিত অভ্র-বিজয় সংক্রান্ত মিডিয়া নিউজের একটি আর্কাইভ)

আপডেটঃ ১১

সেভ অভ্র ডট ওয়ার্ডপ্রেস ডট কম (আরেকটি আর্কাইভ)

আপডেটঃ ১২

মেহদী হাসান খান (তারিখ: শনি, ২০/১০/২০০৭ – ৭:০৭পূর্বাহ্ন)
লিগ্যাল ভেজাল!

কপিরাইটঃ
ইউনিজয়/ইউনিবিজয় এ বিজয়ের কপিরাইট খাটে না। এগুলো পরিবর্তিত এবং সম্পূর্ণ ভিন্ন সলিউশন। বিজয় বাংলা সফটওয়্যার, প্রিন্টেড কীবোর্ড, ওরিজিনাল বিজয় লেআউট কোথাও কপি করা হয়নি, তাই কোন লিগ্যাল ইস্যু এখানে নেই।

পেটেন্টঃ
তবে পেটেন্ট এর ব্যাপারে একটু ভেজাল আছে। বহু বছর চেষ্টা করে জব্বার সাহেব বিজয় এর পেটেন্ট ম্যানেজ করেছেন রিসেন্টলি । কপিটা দেখিনি, কিন্তু নির্ভযোগ্যসূত্রে যেটা জানলাম- সম্পূর্ণ কীবোর্ড লেআউট এর পাশাপাশি কী-কম্বিনেশনও পেটেন্টের আওতায় আনা হয়েছে।
এটা হতে পারে এরকম –
(১) ্‌+া=আ, ক+্‌+ক=ক্ক … এরকম। দেখুন, বিজয়ে যুক্তাক্ষর লেখার নিয়ম ইউনিকোডে র সাথে হুবহু মিলে যায়। ইউনিকোড একটা রানিং স্ট্যান্ডার্ড, এর কোন খন্ডাংশের পেটেন্ট বাংলাদেশের পেটেন্ট অফিস যদি না জেনে মোস্তফা জব্বারকে দিয়েও দেয়, সেটার বৈধতা নিয়ে অবশ্যই প্রশ্ন তোলা যায়।

অথবা এরকম –
(২) g+f = আ, j+g+j = ক্ক। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের জাতীয় কীবোর্ড লেআউটের বিরুদ্ধেই পেটেন্ট না মানার অভিযোগ আসে। জব্বার সাহেবের উচিত আগে সে দিক সামলানো। নয়ত চ্যালেঞ্জের জবাবে কেউ যদি বলে ইউনিজয় বিজয় না, আসলে জাতীয় কীবোর্ড এর মডিফাইড রূপ, টেকনিক্যালি আপনি ভুল ধরতে পারবেন না, কারন জাতীয় আর বিজয়ের মধ্যে বেসিক পার্থক্য মাত্র দুইটা কী (বাকি কী গুলোর পরিবর্তন শুধু শুধু করা হয়েছে।) হাসি

[কোথাও এগুলো উল্লেখ করলে ভেরিফাই করে নিয়েন। নির্ভযোগ্যসূত্রে জানা খবর, কিন্তু কাগজপত্র নিজে দেখিনি বলে দায়িত্ব স্বীকার করতে পারছি না।]

আপডেটঃ ১৩

১৯৭২-১৯৭৪ সালে (জাসদের মুখপাত্র) দৈনিক গণকন্ঠে—
বঙ্গবন্ধু, বঙ্গবন্ধুর সরকার, শেখ কামাল সহ বঙ্গবন্ধুর পরিবারের বিরুদ্ধে 
অনেক জঘন্য মিথ্যা ও বিভ্রান্ত মূলক খবর বানাতো এবং এর প্রচার করত।

১৯৭৩ সালে এই গণকন্ঠ শেখ কামালের বিরুদ্ধে তথাকথিত বাংলাদেশ ব্যাংক ডাকাতি করতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হওয়ার একদম ভুয়া আর বানোয়াট খবর প্রচার করেছিল।

সেই ভুয়া আর বানোয়াট খবরের ভিত্তি করে – আজো জিয়া-খালেদা-জামাত এর নেতা কর্মী সমর্থকরা শেখ কামালের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার করে বেড়ায়!
আর আমাদের আজো সেই গণকন্ঠের মিথ্যা ভুয়া আর বানোয়াট খবরের প্রতিবাদ করতে হয়! 

এই কারনে, জাসদের ঐ পত্রিকা তখনকার বাংলাদেশ বিরোধীদের (জামাত – মুসলিম লীগ – এর নেতা কর্মী সমর্থকদের) মধ্যে খুব জনপ্রিয় ছিল।

খুব সম্ভবত, ১৯৭২-৭৪ সময়ে গণকন্ঠের সহ সম্পাদক ছিলেন তখনকার জাসদ নেতা জনাব মোস্তফা জাব্বার।
ঐ সময় উনাদের (বেশীর ভাগ সাবেক জাসদের) এই চরম বাজে এবং ধ্বংসাত্বক ভুমিকার জন্য 
• বঙ্গবন্ধুর,
• বঙ্গবন্ধুর সরকার ও
• বঙ্গবন্ধুর পরিবারের
চরম মূল্য দিতে হয়েছে।

তাই জাসদ ও গণকন্ঠের অযৌক্তিক এবং অনৈতিক বঙ্গবন্ধু – আওয়ামী লীগ বিরোধিতার দায়, উনারও আছে।

আমি বিনীত ভাবে জানতে চাচ্ছি,
উনি কি উনার অতীতের (১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ পর্যন্ত এবং ১৯৭৫ থেকে ১৯৯০ পর্যন্ত) অনেক অনেক মারাত্ম্বক রাজনৈতিক ভুল সমুহের জন্য
প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়েছেন?
প্রকাশ্যে ভুল স্বীকার করে অনুতপ্ত হয়েছেন?

এগুলি যদি করে থাকেন, তাহলে ঠিক আছে।
মানুষ তার জীবনে কোন এক সময় ভুল করতেই পারে এবং তার জন্য সে প্রকাশ্যে ভুল স্বীকার করে অনুতপ্ত হলে তা মাফ করে দেয়া যায়!
{(ওদেরকে) মাফ করে দিয়েছি, কিন্তু ভুলে যাই নাই – শেখ হাসিনা}

যদি না করে থাকেন,
তাহলে,
পরে পস্তাতে হবে (সৈয়দ আশরাফের ভাষ্য মত)।
অনেক মূল্য দিতে হবে!

তবে,
নেত্রীর সিধান্তের উপর আস্থা আছে!
কিন্তু নেত্রীর একার পক্ষেও কি সবকিছু দেখা, যাচাই করা সম্ভব।
কারন, বঙ্গবন্ধুর মত নেত্রীর আশে পাশে এখনও অনেক খোন্দকার মোস্তাকের মত বেঈমান, বিশ্বাসঘাতক, মুখোশধারী ২ নম্বরী লোক আছে!

তাই সাধু সাবধান। লেখাঃ শাফিকুর রহমান অনু।

আপডেটঃ ১৪

মোস্তফরা জব্বার তার বিজয়ের পেটেন্ট করার অনেক বছর আগে থেকেই একে বাণিজ্যিকভাবে বিক্রয় করছেন, বাংলাদেশ কপি রাইট আইন ১৯১১ এর ২৬.১ ধারামতে যা অবৈধ। এমনটা হলে পেটেন্ট প্রত্যাহার করা হবে বলে উক্ত আইনে বলা হয়েছে।  এই পোষ্টের নীচে তার বিস্তারিত।

আপডেটঃ ১৫

মোদ্দাকথা লিখেছেন ভাস্কর আবেদীন, এই লিংকে –