৮৮ এর বন্যার স্মৃতি!

১৯৮৮ সালের বন্যার সময় ঢাকার শ্যামলী হলের সামনের ছবি। এই ছবিটার সাথে আমার একটা ব্যাক্তিগত স্মৃতি আছে।

৮৮ সালের বন্যার সময় আমাদের বাড়ী ছিলো মিরপুরের কলনী পাড়ায়। ছোট্ট এক চালা সে বাড়ীর নাম বংশাল ভিলা। আমি সে সময় ৩ বছরের শিশু। সে সময় ফ্যানারগান নামে একটা কাশির ওষুষ ছিলো বাজারে। খেতে খুব মিষ্টি। আমার খুব প্রিয় ছিলো ওটা। প্রায়ই খেতাম। Continue reading

বাড়িওয়ালা-বিয়ে-গ্যারেজে অফিস-বিড়ম্বনা

আমার বাল্যবন্ধু তার বাড়িওয়ালাকে মাসখানেক আগে থেকে বলে রেখেছে, ’আংকেল, আপনার ৭ তলার ফ্ল্যাটটা আমি ভাড়া নিতে চাই। অফিস বানাবো।’ আংকেলও সায় দিয়েছেন। জানালেন, সাত তলার ছোট্ট ফ্ল্যাটটিতে একটা ব্যাচেলর ছেলে থাকে। আংকেল সেই ব্যাচেলর ছেলেটিকে সাফ জানিয়ে দিলো, ব্যাচেলরদের আর ভাড়া দেয়া হবে না বলে তিনি সিন্ধান্ত নিয়েছেন। সে যেন আগামী মাস থেকে অনত্র বাসা খুজেঁ। Continue reading

Status

একজন চাইল্ড এবিউজ ভিকটিম, আর আমার একটি আকুতি!

আমি তখন ক্লাস সেভেনে পড়ি। ছোটবেলায় কোন পুরুষ মানুষ আমাকে কখনোই মলেষ্ট করার সাহস বা সুযোগ পায়নি। কারণ আমি দিন রাত ২৪ ঘন্টাই আমার সাতজন মামা-খালা দ্বারা বেষ্টিত থাকতাম। যারা আমাকে লিটারেলি নিজের সন্তানের মতো আগলে রাখতেন। কিন্তু মেয়ে মানুষও যে মলেষ্ট করতে পারে, এটা খুব সম্ভবত তাদের ধারনাতে ছিলো না। যার ফলে, কিশোর বয়সে খালার বান্ধবী কর্তৃক জীবনে প্রথম এবং শেষবারের মতো যৌন নিগৃহীত হয়েছিলাম। Continue reading

মৌনতার ভাষা চিৎকার অপেক্ষাও শক্তিশালী

ক.

ছোটবেলায় ক্লাস নাইনে রবীঠাকুরের হৈমন্তী গল্পে পড়েছিলামঃ “এত সুন্দর হাসি যার, তার আর কথা বলার প্রয়োজন নেই।” তখন নিজের অজান্তেই মনে মনে হৈমন্তীর মুখের হাসিটা কল্পনা করে ফেলেছিলাম। সে সময় আমার কল্পনা শক্তি ভালো ছিলো। আমি এমন একটা হাসি কল্পনা করেছিলাম যে হাসি কেউ হাসতে পারলে আসলেই তার কোন কথা বলার প্রয়োজন পড়ে না। Continue reading

একটা ছিলো সোনার কইন্যা…

’শ্রাবন মেঘের দিন’ – সিনেমাটা যে সময় রিলিজ হয়, আমি তখন স্কুলে পড়ি। হাউস টিউটর লিটনস্যার বল্লেন, তিনি এই মুভিটার একটা ভিসিডি জোগাড় করেছেন। বিকেলে স্কুলে শেষ করে সোজা তার বাসায় চলে যেতে। সেখানে তিনি তার সব ছাত্র ছাত্রীদের নিয়ে তার সদ্যকেনা পেন্টিয়াম টু কম্পিউটারে এটা চালিয়ে দেখবেন। মুভি চলাকালীন থাকবে ঝালমুড়ি আর কোক। সেইরকম উৎসব উৎসব আয়োজন। Continue reading

অবশেষে অস্কার জয় করে নিলো লিওকে!

 লিওনার্দো ডি ক্যাপ্রিও

tumblr_neufre2QFq1r1ms15o8_1280

 

শুধুমাত্র লিও ভক্তরাই জানেন, লিও’র অস্কার জেতাটা আর দশটা গড়পড়তা তারকার অস্কার জেতার মতো নয়। এটা লিও’র জীবনে তো বটেই, লিও ভক্তদের জীবনেও একটা ইনক্রেডিবল ইভেন্ট। 🙂

Continue reading

স্ক্রিনশটের মহিমা!

আরেক ফেবু সেলিব্রেটির কেলেংকারী ফাসঁ হইসে মাগার এইবার কোন স্ক্রিনশট বাইর হয় নাই (এখন পর্যন্ত)। এইটা মনে হয় ৫ নং ফেবু-সেলিব্রেটি-কেলেংকারী। তো ভাবলাম এই চান্সে একটা পুরনো পোষ্ট শেয়ার করি। Continue reading

দুই বান্ধবীর করভারসেশন

দুই বান্ধবীর করভারসেশন – ১ম পর্ব

: কিরে তোর মন খারাপ কেন? আবার তোরা ঝগড়া করেছিস?

হু। কিন্তু এইটা মিটমাট করায় ফেলবো তিন তারিখের আগেই।
কেন তিন তারিখে কি?
আরে আজব! তিন তারিখে আমার জন্মদিন না? মিটমাট না হলে যদি গিফট না দেয়?
কি বলিস? খালি গিফট পাবার জন্য মিটমাট করে ফেলবি?
হ্যাঁ। চার তারিখ থেকে আবার ঝগড়া শুরু করবো।

[সত্য ঘটনা অবলম্বনে :/ ] Continue reading

ফেসবুকে রিলেশনশীপ স্ট্যাটাস দেবার Pros & Cons.

রিলেশনশীপ স্ট্যাটাস দেবার Pros:

১) আগে যে সব বন্ধুরা পাত্তাও দিতো না, তাদের রিলেশনশীপ স্ট্যাটাস নিয়ে টিপস টুপস দিতে গলে বলতো “যার নিজের Girl friend নাই তার কাছ থেকে কোন টিপস চাই না।” – এখন সেই সব বন্ধুরাই নিজে থেকে গায়ে পড়ে ইনবেক্স হেল্প চাইছে। “দোস্ত বিপদে পড়সি। ওর ঐটা নিয়ে অমুক ঝামেলা হইসে। হেল্পা। B-) Continue reading

আমার ফেসবুক ষ্ট্যাটাস থেকে – টুকরো রম্য (১)

কলেজ লাইফের একটা ঘটনা মনে পড়ে গেলো। ক্লাস শেষে বন্ধুর বাসায় গেসি বেড়াতে। সাথে তার জিএফ। বাসায় ছিলো তার নানা-নানী আর কাজের বুয়া। বন্ধুর নানু বাড়ী বিক্রমপুর।
তো কথা প্রসংগে বন্ধুর নানা রসিকতা করে বন্ধুর জিএফকে শুধালো – ”তুমি এত সুন্দর একটা মাইয়া। এই ভাদাইম্যাটারে তুমি কি দেইখা পছন্দ করলা, কও তো বইন?” Continue reading