অবশেষে অস্কার জয় করে নিলো লিওকে!

 লিওনার্দো ডি ক্যাপ্রিও

tumblr_neufre2QFq1r1ms15o8_1280

 

শুধুমাত্র লিও ভক্তরাই জানেন, লিও’র অস্কার জেতাটা আর দশটা গড়পড়তা তারকার অস্কার জেতার মতো নয়। এটা লিও’র জীবনে তো বটেই, লিও ভক্তদের জীবনেও একটা ইনক্রেডিবল ইভেন্ট। 🙂

Continue reading

স্ক্রিনশটের মহিমা!

আরেক ফেবু সেলিব্রেটির কেলেংকারী ফাসঁ হইসে মাগার এইবার কোন স্ক্রিনশট বাইর হয় নাই (এখন পর্যন্ত)। এইটা মনে হয় ৫ নং ফেবু-সেলিব্রেটি-কেলেংকারী। তো ভাবলাম এই চান্সে একটা পুরনো পোষ্ট শেয়ার করি। Continue reading

ব্যক্তিগত ব্লগিং ও পেশাগত ব্লগিং নিয়ে কিছু কথা

blogger-2

(১)

নিজের একটা ছোটখাটো ব্যক্তিগত ব্লগ থাকার সুবাদে প্রায়ই আমাকে ইনবক্সে প্রশ্ন করা হয় যে, কিভাবে নিজের একটা ব্লগ সাইট খোলা যাবে। ওয়েল, আমি এর উত্তরে প্রথমেই বলি, আপনার যদি আগে কখনো ব্লগিং করার অভিজ্ঞতা না থাকে, তবে আপনার শুরুটা হওয়া উচিত কমিউনিটি ব্লগিং দিয়ে। কারন সেখানে আপনার হাত পাকবে, লেখা ম্যাচিউর হবে। আর সবচাইতে বড় যে উপকারটা হবে সেটা হলো, আপনি আপনার লেখার সমালোচনা সহ্য করার শক্তি অর্জন করতে পারবেন; যেটা অনেক বড় বড় কবি লেখকেরো নাই।

আপনার লেখার গঠনমূলক সমালোচনা আপনাকে অনেক বেশী শানিত করবে, নিজের দৌঁড় কতটুকু এবং আরো কতটা পথ আপনাকে যেতে হবে, সে ব্যাপারে সম্যক ধারনা পাবেন। এইসব কমুনিটি ব্লগেই সম্ভব। ব্লগিং লাইফের শুরুটা ব্যাক্তিগত ব্লগ দিয়ে শুরু করলে এই মূল্যবান সুযোগগুলো হারাবেন। আর অন্যদের লেখা, অন্যদের ব্লগ প্রচুর পড়বেন। শুরু অনন্ত একটা বছর নিজে খুব কম লিখবেন। পড়বেন বেশী। যতবেশী পড়বেন, আপনার ব্লগিংয়ের জন্য ততই মঙ্গল। Continue reading

পপকর্ণ টাইমঃ নিকট ভবিষৎতে আমাদের মুভি দেখার পদ্ধতি হয়তো এমনটাই হবে!

Le logo de PopCorn Time

সিনেমা হলে মুভি দেখতে বসলে প্রথমেই কোন জিনিসটার কথা আমাদের সবার আগে মনে পড়ে? হুম ঠিক ধরেছেন, পপকর্ণ! তো সফটওয়্যার ডেভেলপাররা এবার  অনলাইন দুনিয়ায় এই নামে নিয়ে এসেছে এমন একটি ওপেনসোর্স প্রজেক্ট, যার মাধ্যমে আপনি নিজের ঘরটাকেই আস্ত একটা সিনেমা হলে বানিয়ে ফেলতে পারবেন! শুধু তাই নয়,  দেখতে পারবেন নতুন নতুন  টিভি সিরিজও! তবে আপাততঃ মুভি দেখতে নয়, পপকর্ণ নিয়ে বসে পড়ুন এই পোষ্টটি পড়তে। Continue reading

হলিউডের সেরা ১ ডজন যন্ত্রমানব চরিত্র!

06-robots.w529.h352.2x

ব্যাক্তিগতভাবে আমার সবচাইতে  প্রিয় মুভি-ঘরানা হচ্ছে সাই-ফাই বা  বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী। কারন খুব ছোটবেলা থেকেই আমি সাইফাই গল্প ও উপন্যাসের পাঢ় ভক্ত ছিলাম, এখনো তাই আছি। এমনকি, আমার জীবনে দেখা প্রথম বিদেশী মুভি ছিলো একটি সাই ফাই মুভি (টারমিনেটর টু)। সঙ্গতকারনেই, আধুনিক সায়েন্স ফিকশনের অন্যতম প্রধান উপাদান হচ্ছে যন্ত্রমানব বা রোবট।  অনেক সায়েন্স ফিকশন গল্পেও রোবটের গাঢ় উপস্থিতি রয়েছে। রোবট নিয়ে আমার নিজেরো আগ্রহের কোন কমতি নেই। যেখানেই রোবট সংক্রান্ত লেখা বা মুভি পেয়েছি, হজম করে ফেলার চেষ্টা করেছি। সায়েন্স ফিকশন মুভিতে রোবটের ব্যবহার কিন্তু নতুন কিছু নয়, বরং একেবারেই প্রাচীন। আধুনিক মুভির ইতিহাসে গত অর্ধ শতকেরও বেশী সময় ধরে শতাধিক মুভিতে রোবট বা যন্ত্রমানব চরিত্রের ব্যাপক ব্যবহার ঘটেছে।  এমনকি, কিছু কিছু রোবট চরিত্র পেয়েছে রীতিমতো আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা।  আজ আমি হলিউডের সেই সব ডাকসাইটে রোবট-চরিত্রের একটা সংক্ষিপ্ত তালিকা তৈরী করার  চেষ্টা করবো।

bluesky_robots3.jpg__715x415_q85_crop_upscale

এনিমেশন ফিল্ম Robots (২০০৫) এর জন্য বানানো একটি পেন্সিল স্কেচের খসড়া দেখা যাচ্ছে!

বলা বাহুল্য, রোবট এমনিতেই একটা খটমটে রসকষহীন চরিত্র। সুতরাং, তাকে আপামর দর্শকদের কাছে জনপ্রিয় করে তুলতে পরিচালকে হিউম্যান সাইকোলজি, হিউম্যান ইমোশন ও ফিলসফি ইত্যাদি মানবিক ব্যাপার স্যাপারগুলোকেও রোবটের যান্ত্রিক মস্তিস্কে খুব কৌশলে ঢুকিয়ে দিতে হয়। এই গুলোও এর ব্যতিক্রম নয়। আর তাইতো আমরা পেয়েছি/পাচ্ছি অসাধারন সব রোবট চরিত্র! যেগুলো শুধু শিশু কিশোরই নয়, মন জয় করে নিয়েছে দেশ বিদেশের আবালবৃদ্ধবণিতারও!

Ed 209 defense robot

একটি ইডি-২০৯ প্রতিরক্ষা রোবট

সালের ক্রমানুসারে সাজানো হলো; মানে একেবারে ৭০ এর দশকের  মান্ধাতা আমল থেকে একদম সাম্প্রতিক রোবটিক চরিত্র! এবং প্রতিটি মুভিরই টরেন্ট ডাউনলোড লিংক দেবার চেষ্টা করেছি। যদিও ১০ নম্বরটি বাদে সবগুলোই আমি ইতোমধ্যেই দেখে ফেলেছি। B-)  আমি সবাইকেই সুপারিশ করবো সবগুলো মুভিই দেখার জন্য। বিশেষ করে, রোবট প্রেমী দর্শকদের জন্য র‌্যাংকিয়ের প্রথম তিনটি মুভি অবশ্য দেখ্য। (অবশ্য দেখ্য নামে কোন শব্দযুগল বাংলা অভিধানে নেই মনে হয়। তবে ’অবশ্য পাঠ্য’ থাকলে ’অবশ্য দেখ্য’-ও থাকা উচিত)। কারন আমি মূলতঃ ঐ তিনটি মুভি দেখেই এই পোষ্টটি লিখতে অনুপ্রাণিত হয়েছিলাম। 

খুব সম্ভবত, মুভির রোবটিক চরিত্র নিয়ে বাংলা ভাষায় এটিই সর্বপ্রথম  এবং এখন পর্যন্ত একমাত্র স্বতন্ত্র পোষ্ট। 

১২) মুভির নামঃ

Star Wars (১৯৭৭ সাল)

রোবট-চরিত্রের নামঃ

C-3P0

900570_press01-001

সি থ্রিপিও-এর মাধ্যমেই খুব সম্ভবত আধুনিক হলিউডের মানবাকৃতির রোবটিক চরিত্রের যাত্রা শুরু হয়।  আজ থেকে প্রায় ৩৭ বছর আগে এটি বক্স অফিস হিট করে! মানে সি থ্রিপিও নামের এই রোবটটির বয়স আপনার-আমার চাইতেও অনেক বেশী! সেই আমলে শিশু, কিশোর ও তরুন দর্শকদের মাঝে তুমুল জনপ্রিয়তা পায়।  এটি ৩০ ধরনের কর্মাবলীতে পারদর্শী। অসংখ্য উপায়ে মানুষের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করতে পারে। ২০০৪ সালে আমেরিকার ’রোবট হল অব ফেইম’ এ একে প্রথম অভিষিক্ত করা হয়।

RHOF_poster-1345540328855

(প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, অনেকেই হয়তো জানেন না যে,  মুভিতে ব্যবহৃত রোবটিক প্রযুক্তির  উন্নয়নকে স্বীকৃতি দানের জন্য ২০০৩ সালে Carnegie Mellon University ’রোবট হল অব ফেইম’ প্রতিষ্ঠা করে। মুভি, সমাজ ও দৈনন্দিন জীবনে রোবটের অবদান ও প্রেরণাকে তুলে ধরাই এর কাজ। এ বিষয়ে আরেকদিন বিস্তারিত লেখার ইচ্ছে রয়েছে। আপাততঃ কিছু ছবি দিলাম এই হলের।)
robot-hall-of-fame2012-02-1506-29-01800

২০১২ সালের হল অব ফেইমের একটি ছবি। আরো ছবি দেখতে এখানে ক্লিক করুন। robotstour_photor5

পোষ্টের কলেবর বৃদ্ধির আশঙ্কায় সিপিথ্রিও নিয়ে বিস্তারিত কিছু লিখলাম না। যারা বিস্তারিত জানতে চান তারা এখান থেকে জেনে নিতে পারেন। এ ছাড়াও সে মুভিতে আরো একটি রোবট চরিত্রও দর্শদের নজর কাড়ে যার নাম R2-D2. এটি দেখতে ফানি, কিউট আর গোলগাল, বুদ্ধিদীপ্ত! মুভির টরেন্ট লিংক

Star-Wars-7-R2-D2-Photo

একটি R2-D2 রোবট

১১) মুভির নামঃ

The Terminator (১৯৮৪ সাল)

রোবট চরিত্রের নামঃ T-100 

Terminator-2-Arnold-Schwarzenegger-700x394

আমার মনে হয় না,  এই চরিত্রটি নিয়ে খুব বেশী কিছু বলার আছে। কারন আমার অন্যতম প্রিয় নায়ক আর্নল্ড অভিনীত এই অতি মানবীয় রোবট চরিত্রটি মুভির ইতিহাসে এতটাই জনপ্রিয় ও এত ভীষন পরিমানে উল্লেখযোগ্য যে,  এই বিষয়ে বিস্তারিত বলার চেষ্টার করা মানে বাতুলতা মাত্র। তবে শুধু এটুকু বলি, টারমিনেটর ২ আমার জীবনে দেখা প্রথম মুভি। আমি তখন ক্লাস টুতে পড়ি। পরবর্তীতে এই মুভিটি আমি কম করে হলেও আরো ৬/৭ বার দেখেছি এবং প্রতিবারই মনে হয়েছে, আমি এই প্রথম দেখছি। আমি এখনও  এই চরিত্রটি মিস করি এবং আজও নতুন কোন টারমিনেটর মুভির সিকুয়েলে এই চরিত্রটি খুজেঁ ফিরি! 🙂 বলা বাহুল্য,  পুরো টারমিনেটর সিরিজে T2 ভার্সনের রোবটগুলোই সবচাইতে বেশী বুদ্ধিদীপ্ত, আকর্ষনীয় ও  হেভি ওয়েট  এ্যাকশান হিরো।  টরেন্ট ডাউনলোড লিংক।

১০) মুভির নামঃ 

Short Circuit (১৯৮৬ সাল)

চরিত্রের নামঃ জনি ৫।

রোবট- জনি ৫

হতে পারে  এই মুভিটির নাম অনেকেই শুনেননি, এমনকি আমিও না, তবু এটিকে আশির দশকের সবচাইতে স্মরনীয় রোবট হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। দেখতে কদাকার এই রোবটের মুভির কাহিনীটি বেশ চমৎকার। আমেরিকার সেনাবাহিনীর জন্য পরীক্ষামূলকভাবে একটা রোবট বানানো হয়, যেটি কিনা হঠাৎ একদিন বজ্রপাতের আঘাতের কারনে কিছু অতি-রোবটীয় গুনাবলী অর্জন করে, যেমনঃ প্রখর বুদ্ধিমত্তা, ও মানুষের মতো আবেগী একটি হৃদয়। সুযোগমতো সে একদিন ল্যাব থেকে পালিয়ে যায়। আইএমডিবিটরেন্ট ডাউনলোড লিংক।

(৯) মুভির নামঃ

RoboCop (১৯৮৭ সাল)

রোবোকপ – একটি সুপার কপের গল্প!

মনে আছে সেই পুলিশ অফিসার এ্যালেক্স মারফির কথা? বোমা বিস্ফোরণে শরীরের কিছু প্রধান অংগ হারানোর পর যাকে কিনা বানানো হয়েছিলো একটা সাইবর্গ মানে অর্ধেক মানুষ ও অর্ধেক মেশিনে। তারপর তাকে মিশনে পাঠানো হয়, রাতারাতি সে শহরের অপরাধীদের কাছে যতদূতে পরিনত হয়। এই রোবটের ডিজাইনটি ছিলো খুবই ফিউচারিষ্টিক! সেই আমলের আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা পেয়েছিলো এই রোবটিক চরিত্রটি। একে ঘিরে তৈরী হয় জনপ্রিয় টিভি সিরিজ, এমনকি এটি এতটাই জনপ্রিয় একটা চরিত্র যে গতবছর এই মুভিটির রিমেকও করা হয়। এই চরিত্রের পাশাপাশি মুভিতে আরেকটি রোবটকেও ফোকাস করা হয়, যার নাম ইডি-২০৯। টরেন্ট ডাউনলোড লিংক।

ED-209

(৮) মুভিঃ 

The Iron Giant (১৯৯৯ সাল)

চরিত্রঃ চরিত্রের নামানুসারেই মুভির নামকরণ করা হয়

the-iron-giant-(1999)-large-picture

শিশু-কিশোর নিয়ে দেখার মতো অত্যন্ত চমৎকার একটি মুভি। ব্রেড বার্ডের এক অনবদ্য সৃষ্টি এই এনিমেশন মুভিটি। আমি যখন এটাকে কয়েক বছর আগে প্রথম দেখি, তখনই এই মুভিটি আমার প্রিয় তালিকায় চলে গেছে। আয়রন জায়ান্ট নামের এই অতিকায় রোবটটি আদতে একটি এলিয়েন রোবট, যাকে কিনা আধুনিকায়ন করা হয়।  একাধারে সে একটি অস্ত্র ও রক্ষক, আবার একই সাথে সে ভালো ও খারাপের মিশ্রন।  মাত্র ৯ বছর বয়স্ক একটা বাচ্চা ছেলের সাথে ঘটনাক্রমে তার বন্ধুত্ব হয়ে যায়।  এই নিয়ে রোবট আর মানব শিশুর বন্ধুত্বের এক অসামান্য   কাহিনী।  টরেন্ট ডাউনলোড লিংক।

(৭) মুভিঃ 

Bicentennial Man (১৯৯৯ সাল)

চরিত্র: এন্ড্রু মার্টিন। (একটি এন্ড্রয়েড চরিত্র)

916YrYjRoIL._SL1500_

সাই-ফাই উপন্যাসের গুরু  বিশ্বখ্যাত স্যার আইজ্যাক আসিমভের তৈরী  ইন্টারেস্টিং এই রোবটিক চরিত্রে অভিনয় করেন বিশ্বখ্যাত কমেডিয়ান ও আমার অন্যতম প্রিয় অভিনেতা রবিন উইলিয়ামস। এই রোবট চরিত্রটি মানব চরিত্রের সাথে মিশে যাবার অভিযানে নামে এবং খুব ধীরে ধীরে সে মানবিক আবেগ অনুভূতি অর্জন করতে শেখে! এটি এতটাই অসামান্য  একটা মুভি যে এটি তার পরের বছর অস্কার নমিনেশনও পায়। টরেন্ট লিংক। 

(৬) মুভিঃ I, Robot (২০০৪ সাল)

চরিত্রঃ সনি (Sonny)

আই, রোবট – আমি রোবট (২০০৪)

২০৩৫ সালের ঘটনার আর্বতে গড়ে উঠেছে এর কাহিনী। হিউম্যানয়েড চরিত্র ’সনি’ একটি অত্যাধুনিক রোবট, যার রয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মানবিক আবেগ। হলিউডের রোবটিক মুভির ইতিহাসে যতগুলো আধুনিক ও নজরকাড়া  ডিজাইন করা হয়, সনির ডিজাইন তাদের একটি।  এই ডিজাইনের কারনে ডিজাইনার বেশ কয়েকটি পুরস্কারও জিতেন। টরেন্ট।  বিস্তারিতঃ

এন-৫ প্রজাতির রোবটেরই একটি আপগ্রেডেড ভার্সন হচ্ছে সনি!

এন-৫ প্রজাতির রোবটেরই একটি আপগ্রেডেড ভার্সন হচ্ছে সনি!

(৫) মুভিঃ

WALL·E (২০০৮)

চরিত্রঃ ওয়ালি।

wall-e-banner

এই এনিমেশন ফিল্মটি  খোদ এনিমেশন তথা মুভির ইতিহাসের অন্যতম সেরা মুভি, তাই যথার্থ কারনেই ২০০৯ সালে এটি একটি অস্কার পুরস্কার লাভ করেছে,  এবং আইএমডিবির সেরা ২৫০ টি মুভির র‌্যাংকিয়ে এটির অবস্থান ৬২ নম্বরে। ওয়ালি চরিত্রটি আদতে একটি ময়লা আর্বজনা ফেলার জন্য বানানো নিতান্তই সস্তা ও আপাতঃ গুরুত্বহীন রোবটের চরিত্র। অথচ একই সাথে একে ঘিরে গড়ে ওঠে দারুন রোমান্টিক একটি গল্প, সেই সাথে মানব জাতির বাচাঁ মরার প্রশ্নে ওয়ালির সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার গল্প!  টরেন্ট লিংক।

(৪) মুভিঃ

[imdb id=”tt0433035″]

চরিত্রঃ

Atom

এটমকে বক্সিং শেখাচ্ছে তার মনিব ও মেনটর, প্রাক্তন বক্সার চার্লি!

ভবিষৎতে পৃথিবীতে রোবটে রোবটে মল্লযুদ্ধ হবে সবচাইতে জনপ্রিয় আর লাভজনক খেলা। এরই অংশ হিসেবে বক্সার রোবট এটমকে ঘিরে একটি বায়বীয় ও মানবীয় কাহিনী গড়ে ওঠে! এটমের রয়েছে প্রখর ব্যক্তিত্ববোধ, রসবোধ, একটি চমৎকার গল্প আর সে কিন্তু সত্যিই ঘুষি সইতে ও দিতে পারে।  এটি আদ্যোপান্ত সাই-ফাই ও খেলাধুলার সংমিশ্রন। জিতেছে একটি অস্কার নমিনেশন। 

(৩) [imdb id=”tt1990314″]

 

চরিত্রঃ রোবট।

একজন বৃদ্ধ সিধেঁল চোর  জীবনের শেষ বয়সে এসে নিজ পুত্র কর্তৃক একটি রোবট নিজের সার্বক্ষনিক সঙ্গী ও দেখাশোনার জন্য উপহার পায়। প্রথমে তো সে রোবটটিকেই দুই চোখে দেখতেই পারতো না। কিন্তু যেদিন থেকে সে আবিস্কার করলো যে, রোবটির কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা রয়েছে অথচ সে অপরাধ ও দৈনন্দিন কাজকর্মের মাঝে পার্থক্য করতে পারে না, তখনি সে তাকে নিজের চুরি করার  অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা শেখাতে শুরু করলো, যাতে করে তার জীবনের শেষ চুরিটি করতে রোবটটি তাকে সাহায্য করতে পারে। আর রোবটও অত্যন্ত সুচারূরুপে সে সব রপ্ত করে নেওয়া শুরু করলো।  অবস্থা এমনই হলো যে, এক পর্যায়ে দেখা গেলো, রোবটটি ছাড়া বৃদ্ধ একটা সেকেন্ডেও চলতে পারছে না, সে তার উপর পুরোপুরি নির্ভরশীল হয়ে গেছে। 

(২)  [imdb id=”tt1037222″]

চরিত্রঃ Cody (কোডি)

একটি বেসরকারী ওয়েপন রিসার্চ কোম্পানি ১০ মিলিয়ন ডলারব্যয়ে জীবনরক্ষাকারী ও উদ্ধারকর্মী হিসেবে একটি প্রোটো টাইপ ছোট্ট রোবট বানায়। কিন্তু কোম্পানীর মালিকের সাথে রোবটের প্রোগ্রামারের বিবাদের জের ধরে রোবট কোডি কোম্পানি এবং প্রোগ্রামার উভয়ের কাছ থেকেই হারিয়ে যায়। এবং তাকে খুজেঁ পায় একটা বালক, এদিকে কোডির আগেকার স্মৃতি সব নষ্ট হয়ে যায় বড় ধরনের ঝাকিঁ খাবার ফলে। এই কারনে তাকে আবার রিপ্রোগ্রাম করে সেই প্রোডিজি* বালকটি! শেষ পর্যন্ত ঘটনা মোড় নেয় ভয়াবহ এক পরিনতিতে। মানব শিশু আর রোবটের ভেতরকার নিদারুন সম্পর্ক আর অভূতপূর্ব এক রসায়নের মিশেল এই মুভিটি। বিশেষ করে, কোডিকে সাময়িক হারিয়ে ছেলেটি ও তার পরিবার যে অতি আবেগীয় প্রতিক্রিয়া দেখায়, একটি রোবটের জন্য তা বিরাট পাওনা, আর সে অংশটুকু দেখে অনেক শিশু কিশোরই চোখ ভিজে যাবে! 

(*প্রডিজি = অল্প বয়সেই যে সকল বাচ্চার ভেতর অদ্ভুত ও দুর্লভ প্রতিভার বিচ্ছুরণ ঘটে, তাদেরকে এক কথায় ইংরেজীতে ’প্রডিজি’ বা ‘প্রডিজি ইনফ্যান্ট’ বলে)

(১)  [imdb id=”tt1823672″]

চরিত্রঃ চ্যাপি!

মনে আছে District 9 এর কথা? নোংরা বস্তিকে যে কিনা এলিয়েন রোবটদের আবাসস্থল বানিয়েছিলো। রোবটদের নিয়ে এ ধরনের ভিন্ন মাত্রার অভিনব চিন্তাধারা একমাত্র নীল ব্লুমক্যাম্পের পক্ষেই সম্ভব। এ বছর মুক্তি পেয়েছে তার অসাধারন   আরেকটি সাইফাই রোবটিক মুভি – চ্যাপি। এটি এমন  একটি রোবট চরিত্রের গল্প, যেটি দেখতে বসে হয়তো সামান্য একটি যন্ত্রমানবের জন্য নিজের অজান্তেই আপনার চোখের কোন বার বার ভিজে উঠবে। মুভির সংলাপ ও কাহিনীর বুনন এতটাই হৃদয়স্পর্শী  যে, এটি দেখার সময় চ্যাপি নামের কিউট, ফানি আর ছোট্ট সদ্যজাত নবজাতক (!) রোবটটির জন্য আপনার হৃদয়  বার বার হু ‍হু করে কেদেঁ উঠবে।

chappie_fan_art_poster_by_gojirakaiju3d-d8eeo2mমজার ব্যাপার হলো, রিয়েল ষ্টিল মুভিতে হিউ জ্যাকম্যান অন্যতম প্রধান  ভূমিকায় অভিনয় করলেও এই মুভিতে তাকে ভয়ানক হিংস্র এক  খলনায়কের ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে দেখা যায়। 

যে গুরুত্ববহ চরিত্রদ্বয়কে উল্লেখ করতে ভুলে গিয়েছিলামঃ

বোনাস রোবট চরিত্রঃ (১) – Baymax

মুভির নামঃ Big Hero 6

[imdb id=”tt2245084″]

’বে ম্যাক্স’ নামক বিশালাকার এক ইনফ্ল্যাটেবল* রোবট আর আরেকটি প্রোডিজি বালক ‘হিরো হামাডা’র গল্প। বে ম্যাক্সকে বানায় হামাডার বড় ভাই। কিন্তু সে এক দুর্ঘটনায় মারা পড়লে বে ম্যাক্সের দায়িত্ব তুলে নেয় তার ছোট ভাই হামাডা, এবং সে ও তার কয়েকজন বন্ধু মিলে একটি জোট গঠন করে একদল বিগ হিরো বানাবার জন্য!

images (1)

(*ইনফ্ল্যাটেবল = ফুঁ দিয়ে/বাতাস ভরে ফোলানো যায় এমন বস্তু।)

বোনাস রোবট চরিত্রঃ (২) – A.I

[imdb id=”tt0212720″]

ষ্টিফেন স্পিলবারগের অমর সৃষ্টি, সাড়াজাগানিয়া সাই-ফাই মুভি এ.আই।  আদতে  এটিও কোডি বা চ্যাপির মতোই একটি রোবটিক বাচ্চা ছেলের সাথে মানব-পরিবারের বন্ধনের মর্মভেদী গল্প, যে কিনা তার মানব-মাতার সান্নিধ্য পেতে ব্যাকুল হয়ে ওঠে। মূলতঃ ছোট গল্প “Supertoys Last All Summer Long” থেকে এই মুভিটির প্লট তৈরী করেন ষ্টিফেন । এটি দুটি ক্যাটাগরিতে অস্কার নমিনেশন পায়।

BIG HERO 6

BIG HERO 6 Facebook Banner

এছাড়াও লিষ্টে যে কেউ চাইলে ট্রান্সফর্মারসের ’অপটিমাস প্রাইম’ বা এক্স মেশিনার ‘Ava’ কে রাখতে পারেন। তবে আমি মনে করি, লিষ্টের বাকী রোবটগুলো যেভাবে মানুষের সাথে একটি পোর্সোনালাইজড ক্যারেক্টার হিসেবে ওতপ্রতভাবে মিশে যেতে পেরেছে, তেমনি অপটিমাস প্রাইম বা এভা পারেনি। অপ. প্রাইম  শুধু একজন অতিকায় যুদ্ধবাজ ও বিধ্বংসী রোবট-নেতাই শুধু। আর এভা একজন বাকপটু  ও ছলনাময়ী রোবট-নারীর  AI. যদিও উভয় মুভিতে উভয়ের ভূমিকা অনস্বীকার্য।

অপটিমাস প্রাইম – রিয়েল ভিডিও গেইম রোবট চরিত্র

file_124561_0_exmachinaposterlarge

এক্স মেশিনার অন্যতম অফিসিয়াল পোষ্টার। প্রধান চরিত্র এভাকে দেখা যাচ্ছে।

themachine

এই মুভির AI রোবট চরিত্রটিও বেশ সম্ভাবনাময় ছিলো, কিন্তু মুভিটা বক্স অফিস হিট করেনি

আমার প্রিয় ‘হলিউড নায়কেরা’ – (২য় কিস্তি)

৫) টম হ্যাংকস 

Tom Hanks

বয়সঃ ৫৮।

পুরো নাম ‘টমাস জেফেরি হ্যাংকস’।
উচ্চতাঃ ৬’।
পরিচয়ঃ বিশ্বখ্যাত আমেরিকান অভিনেতা ও চিত্র পরিচালক।
প্রথম মুভিঃ ১৯৭৮ সালে।
জনরাঃ ড্রামা হিরো।
এ পর্যন্ত অভিনীত মুভির সংখ্যাঃ অর্ধশতাধিক।
অস্কার/অস্কারের নমিনেশন পেয়েছেনঃ অস্কার, ২ বার। মুভিঃ ‘ফিলাডেলফিয়া’ ও ’ফরেইষ্ট গাম্প’। যথারীতি ১৯৯৩ ও ৯৪ সালে।

সর্বোচ্চ উর্পাজনঃ ৭ কোটি ইউএস ডলার। ফরেষ্ট গাম্প। Continue reading

মান অভিমানে এক টুকরো ভালোবাসা…

দগরড

মেয়েটার প্রোফাইল দেখে ছেলেটা খুবই বিরক্ত হয়। প্রোফাইল ভর্তি মেয়েটার ছবি। যদিও হালকা প্রাইভেসি দেয়া প্রতিটি ছবিতে তবু সেখানে অন্য ছেলেদের লাইক আর কমেন্ট দেখে তার গা জ্বালা করে। তার উপর সে জানতে পারলো ছবিগুলো তুলে দিয়েছে তার ছোট ভাইর মেডিকেল পড়ুয়া হাউস টিউটর।

Continue reading

বাস্তব জীবনের গল্পগুলো যদি সত্যিই এমন করে শেষ করা যেতো

blue_button_original_abstract_painting_enlarged

১. মেয়েটা ভীষনরকমের কালো বলে মুখ লুকায়। ফেসবুকে ছবি দেয় না। দুটো ছবি, সেগুলোও প্রাইভেসী দেয়া। সে ছাড়া আর কেউ দেখতে পায় না। মানুষজন মাঝে মাঝে ফেক প্রোফাইল বলে খোচাঁ দিলে সে কয়েক সেকেন্ডের জন্য প্রাইভেসী অফ করে। তারপর আবার প্রাইভেসি…

Continue reading

একজন রুমী আর একজন শহীদ জননীর গল্প

1505023_10152104214362220_126622095_n

শাফি ইমাম রূমি তাঁর বড় আদরের বড় ছেলে ছিলেন। এলপভিস প্রিসলী আর জন লেনন শোনা উচ্চ শিক্ষিত ও অভিজাত পরিবারের সন্তান। ভাষা আন্দোলনের এক বছর পর জন্মছিলেন। ৭১ এ সেই রূমি টগবগে তরুন। বুয়েটে পড়তেন আবার একই সাথে ঢাবিতেও ক্লাস করতেন। তাই স্বাধিকারের আন্দোলনকে খুব কাছ থেকে দেখেছিলেন। ইলিনয় ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজিতে (আমেরিকা) চান্স পেয়েছেন। সেখানে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে যাবেন। ভিসা, টিকেট সব আয়োজন শেষ। এমনকি সূটকেস গোছানও শেষ। আর মা শেষবারের মতো রান্না করছেন ছেলের জন্য। ছেলে তার খেতে খুব ভালবাসে। বিদেশ বিভূইয়েঁ কি খাবে না খাবে তার ঠিক নেই। তাই যাবার বেলায় ছেলেকে নিজের হাতে ইচ্ছেমতো খাওয়াতে চান।

Continue reading

মানুষের ভীড়ে, রাজপথের ভীড়ে কেউ পথ হারায় না…

IMG_0013_0-700x525

ইতিহাস ৭১:

ক. ২৫ শে মার্চ রাতে যখন গনহত্যা শুরু হয়, তখন বংগবন্ধু পাকিস্থানে কারাগারে। সেই রাতেই তাজউদ্দিন আহমেদ একটা কঠিন সিদ্ধান্ত খুব দ্রুত নিয়ে নিলেন – পরিবারের আগে তাকেঁ দেশের দায়িত্ব নিতে হবে। পরদিন ভোরেই স্ত্রীর কাছে একটা চিরকুট লিখে বেরিয়ে গেলেন। -“আমি চলে গেলাম। বলে যেতে পারিনি বলে ক্ষমা করে দিও। তুমি ছেলেমেয়েদের নিয়ে সাড়ে সাতকোটি মানুষের ভীড়ে মিশে যেও। জানি না আবার কবে দেখা হবে। হয়তো মুক্তির পর।“ Continue reading