অভিনেত্রী ডলি জহুরের চাক্ষুষ বয়ানে বঙ্গবন্ধুপুত্র শেখ কামাল

Shekh-Rachel

আমাদের পত্রিকার সংস্কৃতিমুখ বিভাগের জন্য ইন্টারভিউ নিতে গিয়েছিলাম দেশের প্রখ্যাত সিনিয়র অভিনেত্রী ডলি জহুরের কাছে। তিন পাতার বিশাল সেই ইন্টারভিউ ছাপা হয়েছিল কিছু রাজনৈতিক প্রসঙ্গ কেটে দিয়ে। আমি কষ্ট পেয়েছিলাম কিন্তু কিছুই করার ছিল না। শুধু একটা বিষয় অনুধাবণ করেছি কালে কালে বঙ্গবন্ধুর পরিবারের উপর যেসব মিথ্যে অভিযোগ দেশময় ছড়িয়ে আছে তার অন্যতম বাহন ছিল গণমাধ্যম। এমনকী এই সময়ে এসেও কেউ সত্যি কথাগুলো প্রকাশ করতে চায় না। পাছে আওয়ামী লীগের সীল লেগে যায়।

Continue reading

একজন রুমী আর একজন শহীদ জননীর গল্প

1505023_10152104214362220_126622095_n

শাফি ইমাম রূমি তাঁর বড় আদরের বড় ছেলে ছিলেন। এলপভিস প্রিসলী আর জন লেনন শোনা উচ্চ শিক্ষিত ও অভিজাত পরিবারের সন্তান। ভাষা আন্দোলনের এক বছর পর জন্মছিলেন। ৭১ এ সেই রূমি টগবগে তরুন। বুয়েটে পড়তেন আবার একই সাথে ঢাবিতেও ক্লাস করতেন। তাই স্বাধিকারের আন্দোলনকে খুব কাছ থেকে দেখেছিলেন। ইলিনয় ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজিতে (আমেরিকা) চান্স পেয়েছেন। সেখানে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে যাবেন। ভিসা, টিকেট সব আয়োজন শেষ। এমনকি সূটকেস গোছানও শেষ। আর মা শেষবারের মতো রান্না করছেন ছেলের জন্য। ছেলে তার খেতে খুব ভালবাসে। বিদেশ বিভূইয়েঁ কি খাবে না খাবে তার ঠিক নেই। তাই যাবার বেলায় ছেলেকে নিজের হাতে ইচ্ছেমতো খাওয়াতে চান।

Continue reading

মানুষের ভীড়ে, রাজপথের ভীড়ে কেউ পথ হারায় না…

IMG_0013_0-700x525

ইতিহাস ৭১:

ক. ২৫ শে মার্চ রাতে যখন গনহত্যা শুরু হয়, তখন বংগবন্ধু পাকিস্থানে কারাগারে। সেই রাতেই তাজউদ্দিন আহমেদ একটা কঠিন সিদ্ধান্ত খুব দ্রুত নিয়ে নিলেন – পরিবারের আগে তাকেঁ দেশের দায়িত্ব নিতে হবে। পরদিন ভোরেই স্ত্রীর কাছে একটা চিরকুট লিখে বেরিয়ে গেলেন। -“আমি চলে গেলাম। বলে যেতে পারিনি বলে ক্ষমা করে দিও। তুমি ছেলেমেয়েদের নিয়ে সাড়ে সাতকোটি মানুষের ভীড়ে মিশে যেও। জানি না আবার কবে দেখা হবে। হয়তো মুক্তির পর।“ Continue reading

পাকিস্তানের সংক্ষিপ্ত রাজনৈতিক ব্যবচ্ছেদঃ আদ্যোপান্ত ব্যর্থতার ইতিহাস

pakistan-2

১. জন্মের পর থেকেই পাকিস্থান অদ্যবধি একটা পুরাই ‘ফাকড আপ কান্ট্রি’। কয়েকবছর আগে পাকিস্থান পৃথিবীর ‘মোস্ট ট্রাবল প্রন কান্ট্রি’ [সবচেয়ে সমস্যা কবলিত দেশ] হিসাবে নাম লিখেয়েছিলো। গত ৭ দশক ধরে অভ্যন্তরীন অশুভ রাজনীতি আর অবিবেচক রাজনীতিকদের সীমাহীন নিবুর্দ্ধিতা আর লোভ দেশটাকে একেবারে ধ্বংসের দ্বার প্রান্তে পৌছেঁ দিয়েছে। দেশ ১৯৪৭ সালে দ্বিজাতিতত্ত্বের ভিত্তিতে ব্রিটিশ ভারতবর্ষ ভাগ হবার থেকেই দেশটি মুটামুটি দৌড়ের উপর আছে। এরপর যারা যতগুলো রাজনৈতিক বিরোধে গিয়েছে, মূর্খামি আর আবলামির কারনে তার একটাতেও তাদের কোন বিজয় হয়নি।

Continue reading

Quote

আমার মৃত্যুর পর

3563727688_b29313c2c2_bআমার মৃত্যুর পর, পৃথিবীর সব ঘড়ি থেমে যাবে,
হাতের বাধঁন মিলিয়ে যাবে বাতাসে!
প্রজাপতিরা সব রং ছেড়ে
সাদাকালো পাখা মেলবে বিমর্ষ ফুলের পাপঁড়িতে। Continue reading

একটি আলো আমার, একটি শিখা আমার….!

DSC01266

ঠিক ৬ বছর আগে একটা স্বনামধন্য বাংলা ব্লগে এই শিরোনামে একটা পোস্ট দিয়েছিলাম। পোস্ট দেবার সময় হৃদয়ের সবটুকু আবেগ ধারন করেছিলাম আমার দেশের জন্য, যে দেশে আমার জন্ম হয়েছিলো। যে দেশের আলো বাতাসে আমি বড় হয়ে উঠেছিলাম। আজ আবার সেই একই আবেগ হৃদয়ের গহীনে টের পাচ্ছি।

Continue reading

একটি আলো আমার; একটি শিখা আমার

“একটি আলো আমার; একটি শিখা আমার
আমার সত্ত্বায় লেখা আছে যত,
আমার আলোর মত,
একটি যুদ্ধ আমার, একটি স্বাধীনতা আমার।

কত কষ্ট, কত বিনিদ্র প্রহর,
অম্লান চেতনা বিভোর।
এরই মাঝে গর্বিত স্বপ্নছায়া,
এই আমার স্বাধীনতা।”

এই ব্লগের পেছনের লোকেরা কি আগে জানতেন যে , নিয়মিত ব্যাবস্থাপনা ছাড়াও তাদের যে আরেকটি বাড়তি কাজ সেটার সাথে যোগ হবে? সেটা হলো ব্লগ থেকে নিত্য নতুন রাজাকার নিষিদ্ধ (ব্যান) করা। ব্যান করেও যে নিস্তার পাওয়া যায় তা নয়। একটা রাজাকার গেলো তো নতুন নিকে আরো হাজারটা এসে সেই একটার জাগা দখল করে। মাই ফুট! সব গুলোকে তাড়ানোর (কোনদিন আদৌ সম্ভব কিনা, মাবুদ জানেন) পর দেখা যাবে, আমাদের মধ্যে আর কিছু অবশিষ্ট নেই। সব ক্রিয়েটিভিটি রাজাকার খেদাতে নিঃশেষ হয়ে গেছে। একটি ফুলের কলি থেকে প্রস্ফুটিত হওয়া নিয়ে আর কোনদিন পাতার পর পাতা লিখতে পারবো না। ৭১ এর রাজাকাররা আমাদের বুদ্ধিজীবিদের ধ্বংস করে দিয়েছিলো। এই প্রজন্মর রাজাকারেরা আমাদের বুদ্ধি তথা সাহিত্যবোধকে ধ্বংস করে দিতে চাচ্ছে। এই তথ্যটা কয়জন জানে?

Continue reading

এক বুক অপরাহ্ন

DSC_8524

ভোর হতেই বর্ষার বিরাম নেই। বারান্দার গ্রিল ধরে কাব্য চুপচাাপ বসে আছে হুইল চেয়ারে। আনমনে বৃষ্টি দেখছে। কি অদ্ভুত এক উন্মাদনা আছে এই বর্ষনে। তাকিয়ে থাকতে থাকতে কেমন যেন ঘোর লেগে যায়। তিনি পৃথিবীতে আসার পর পৃথিবীর বুকে অর্ধশতাধিক বর্ষাকাল এসেছে। তবুও যতবারই তিনি বৃষ্টি দেখেন ততবারই সেটাকে নতুন বলে মনে হয়। ওর নামের কল্যানেই কিনা, কলেজ লাইফে কবিতা লেখার বেশ ঝোঁক ছিল। অনেক আগের সেই কবি মনের খানিকটা ছিটে ফোটা হয়ত এখনও, এই বুড়ো বয়সেও রয়ে গেছে। অনেক অনেক দিন আগে মৃন্মিয়ীকে নিয়ে ও বিশাল একটা কবিতা লিখেছিলো। সেটা পড়ে মেয়েটার সেকি কান্না! ইদানিং খুব বেশী মনে পড়ছে ওকে। Continue reading