যথাযথ পেশাদারিত্বের অভাব। প্রেক্ষাপটঃ ওয়েডিং ফটোগ্রাফি!

Professionalism

অনেক মানুষকেই দেখি নিজের পেশা নিয়ে বিতৃষ্ণা, বেতনের অংকে অস্তুষ্টি বা অফিসের বসের উপর রাগ ইত্যাদি পেশাগত ঝামেলা নিয়ে মুখে তুবড়ি ফোটায় অথচ আমাদের দেশের বেশীরভাগ পেশাজীবিদের মাঝেই যে প্রফেশনালিজমের বড্ড অভাব রয়েছে, এই ব্যাপারটা নিয়ে তেমন কাউকে উচ্চ্য বাচ্চ্য করতে দেখি না খুব একটা। এটা নিয়ে বিস্তারিত লেখার ইচ্ছে আছে কারন দেশের বাইরে ও ভেতরে উভয় জায়গাতেই অফিসিয়াল রিক্রুটিং প্রসেসের সাথে আমার সরাসরি সম্পৃক্ত থাকার অভিজ্ঞতা রয়েছে। বলা বাহুল্য, অষ্ট্রেলিয়ার ভেতরে সে অভিজ্ঞতা রীতিমতো চমকপ্রদ হলেও দেশের ভেতরে সে অভিজ্ঞতা মোটেই সুখকর নয়। যা হোক আপাততঃ ফটোগ্রাফারদের কথাই ধরি। Continue reading

আমার কয়েকটি HDR ফটোগ্রাফি

HDR বা হাই ডায়নামিক রেন্জ (High Dynamic Range) ফটোগ্রাফির সাথে এখন অনেকেই পরিচিত। ভিন্ন ভিন্ন এক্সপোজারে তোলা একই ছবির কয়েকটিকে একসাথে জোড়াতালি দিয়ে, আলোকপাতের তারতম্য ঘটিয়ে সাধারনত এ জাতীয় ছবি তোলা হয়। খুব সাধারন একটা ছবিকে এইচ ডি আর প্রসেসিং করে অসাধারন পর্যায়ে উন্নিত করা যায়। আমি ব্যক্তিগতভাবে এইচ ডি আরের ভীষন ভক্ত।

আমার  করা কিছু HDR ফটোগ্রাফি আমার পাঠকদের সাথে শেয়ার করলাম।

সেই সাথে আমার ছবিগুলোর ফ্লিকর লিংকও দিয়ে দেয়া হলো।

http://www.flickr.com/photos/proloyhasan/3480966128/

http://www.flickr.com/photos/proloyhasan/3455968167/

http://www.flickr.com/photos/proloyhasan/3427725505/

http://www.flickr.com/photos/proloyhasan/3416207359/

http://www.flickr.com/photos/proloyhasan/3364030338/

http://www.flickr.com/photos/proloyhasan/3474225884/

পৃথিবীর সবচেয়ে বৃহৎ অনলাইন ফটো কমুনিউনিটি ইয়াহুর “ফ্লিকরে” এ বিষয়ে অসংখ্য ছবি রয়েছে। কিছু কিছু ফটোগ্রাফার হলেন এইচ ডি আর মাস্টার। তারা তাদের ছবিতে এমনভাবে এইচ ডি আর ইফেক্ট দিতে পারেন যে, সেটা দেখলে কিছুতেই বিশ্বাস হতে চায় না যে সেটা কোন ক্যামেরায় ধারনকৃত। রীতিমত অবিশ্বাস্য বা কল্পলোকের কাহিনী মনে হয়!

Image

ইকড়ি মিকড়ি ফটুক গিকড়ি (২য় পর্ব)

 

shopnoduarblog_1227189928_1-DSC01694এটা আমার এস এল আরে তোলা প্রথম ম্যাকরো ইমেজ। আমাদের বাসার ঠিক সামনে তোলা। এক্সপেরিমেন্টালি। রাস্তায় পড়ে থাকা একটা পাথর দিয়ে কাজ সেরেছি।:D


অস্ট্রেলিয়ার লাস ভেগাস নামে খ্যাত গোলকোস্ট সিটির একটা ব্যস্ত চত্বরের ছবি। ফুপি বাড়ি ব্রিসবেন ভ্রমনের সময় তোলা হয়েছে।


গোলকোস্টে সারফারস প্যারাডাইস নামে একটা সী বিচ আছে। এই ছবিটা তোলা হয়েছে সেটার আশপাশ থেকে। সেদিন সন্ধ্যাবেলায়।মনে হচ্ছে যেন গাছের ডালে রেডিয়াম লাইটের কৃত্রিম ফুল ফুটে আছে।


মিনিয়েচার ম্যানগ্রোভ বন। গতবার কোরবানি ঈদের জন্য অজি ভেড়া জবাই করতে গিয়েছিলাম গসফোর্ড নামক দূরবর্তী একটা খামারে। এই ছবিটি সেখানকার একটা জাগার।


জেলী ফিস এবং তার পরিবার-পরিজন। সিডনী এ্যাকুইরিয়াম থেকে গতবছর এই ছবিটি তোলা হয়।


ব্রাইটন লি স্যান্ডস। আমাদের বাসা থেকে সবচে কাছের সী বিচ। ছবিটি সেখান থেকে তোলা। আমার হাতের মুঠোয় প্রচন্ড শক্তিশালী খোলসওয়ালা একটা সুদৃশ্য শামুক।


দেড় বছর আগে রুমমেটদের নিয়ে ঘুরতে যাই “ওয়াটসনস বে।” সমুদ্রের কিনারে বালিয়াড়িতে এইসব হাবিজাবিগুলো পড়ে ছিলো। ছবি তোলার সময় মনে হয়েছে – “ধুর, কিসব তুলছি।” অথচ ছবি তোলাম পর কিন্তু খারাপ লাগেনি আমার কাছে। :-B


এই ছবিটিকে নতুন করে পরিচয় দেবার কিছু নেই। সেই মন খারাপ করা ছবিটা শুধু তখনকার মত মেঘের ঘনঘটায় তোলা হয়নি। হয়েছে ঝলমলে বৃষ্টির সময়। দেশে একে খেক শিয়ালের বৃষ্টি না কি যেন বলে!


অস্ট্রেলিয়ান কাচা মরিচ! বিলিভ ইট অর নট, এইটা নাকি মাঝারি আকৃতির! আমাদের পাড়ার এক লেবানিজ ফ্রুট শপের সামনে থেকে তোলা। মরিচটিও ঐ দোকানেরি। :P


হে হে। আন্ডে ভাজার সময় হঠাৎ ফটুক তোলার একটা খায়েশ হইছিলো একদিন। :D


ল্যাম্বোরগিনি এক্স সিক্স জিরো। বাজারে নতুন আসছে। দাম হইলো হাফ মিলিয়ন অজি ডলার। মানে প্রায় তিন কোটি টাকা। প্রথম দর্শনেই এইটার প্রেমে পইড়া যাই। কিন্তু এই জনমে কিন্তে পার্বো বইলা মনে হয় না। পরজমনে খোদার কাছে একটা ফরিয়াদ কইরা দেখা যাইতে পারে! :(

ডান পাশের মেয়েটার নাম ন্যাটালি। কার শো তে দেখা আমার চোখে সবচেয়ে সুন্দরী মেয়ে। আমার মতে, অজি মেয়েরা এমনিতে খুব একটা সুন্দরী না। কিন্তু যেগুলা সুন্দরী, সেগুলা হার্টবিট মিস হয়ে যাবার মত সুন্দরী। আপসোসের কথা হলো, বাস্তবে ন্যাটকে যতটা সুন্দর দেখেছিলাম, ছবিটাতে ওকে তেমন সুন্দর দেখাচ্ছে না।:(

….ন্যাটালির সমুদ্রের মত গভীর নীল চোখ দুটো কি ছবিতে বোঝা যাচ্ছে…? :``>>

ভয় নাই। এইটা সিডনী সিটি মিউজিয়ামের একটা কমার্সিয়াল। টাউন হল আন্ডারগ্রাউন্ড রেল স্টেশন থেকে তোলা। B-)


আমার দুইটা আংগুল। ম্যাক্সিমাম ম্যাক্রো জুম করে ছবিটি তুলেছি। যার ফলে হাতের রেখা পর্যন্ত স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। এই ছবিটিও ছিলো এক্সপেরিমেন্টাল।


এই বুড়িটা আমার ফুপাতো বোন রাহমী। ব্রিসবেনে থাকে। তার প্রধান কাজ হলো দুষ্টুমী করে করে ফুফুর মাথা আউলায়া দেয়া। :|

এক সপ্তাহ পর ২য় পর্ব দিচ্ছি। দেয়ার ইচ্ছা ছিলো আরো আগে।
প্রায় ১০ হাজার ছবি থেকে ১৫টি ছবি সিলেক্ট করে সেগুলোকে এসিডিসিতে এডিট করে, শার্পনেস, কালার ইফেক্ট, নয়েস, এক্সপোজার, রিসাইজিং, লোগো সেটিংস ইত্যাদি করে তারপর একে একে আপলোডিং, সব মিলিয়ে বি-শা-ল এক হ্যাপা!!! এর পর আবার প্রতিটা ছবির জন্য আলাদা আলাদা করে ক্যাপশন লিখা, পরে সেগুলো সঠিক জাগামত সেট করা। এইটা আরেক হ্যাপা। তার উপর আবার ব্লগের অনেক ফিচার এখনো ঠিকমত কাজ করে না।
অনেক সময় দিতে হচ্ছে একেকটা পর্বের পোস্টে। :(

কানে ধরছি। ব্লগে ছবি পোস্টানোর শখ আমার মিট্টা গ্যাছে! :((

প্রতিটি ছবির সাথে আমার কপিরাইট লোগো দিয়ে দিয়েছি। খুব তাড়াহুড়া করে বানানো তাই কোনমতে কাজ চালানোর মত করে একটা বানিয়েছি। ৩য় বা ৪র্থ পর্বে প্রফেশনাল লোগো দেয়ার ইচ্ছা আছে।

Image

ইকড়ি মিকড়ি ফটুক গিকড়ি (১ম পর্ব)


আমার নোকিয়ার ক্যামেরায় তোলা প্রথম ছবি। আমাদের বাসার দুটো রাস্তা সামনেই এই রাউন্ড এ্যাবাউটটা। এটা আমার খুবই প্রিয় একটা ছবি।

Continue reading