এদেশে আরিয়ান-জাকিয়াদের যে কারনে জন্মাতে হয় না

বেশ কয়েক মাস আগে আমাদের অফিসে আরিফ নামের একটা তরুন ছেলে আসলেন এক পূর্ববর্তী পরিচয়ের সূত্রে। জানালেন, তারা পথশিশুদের নিয়ে কয়েক বছর যাবত কাজ করে যাচ্ছেন। তাদের হাতেখড়ির জন্য একটা স্কুল বানানো হয়েছে, স্কুলের নাম ”মজার স্কুল” (লিংক কমেন্টে)। তো, র‌্যান্ডম যে যা পারেন টাকা পয়সা দেন – এই রকম না, বরং সে এসেছিলো একটা স্পেসিফিক অনুদান চাইতে। Continue reading

পুরুষের উপর নারীর মনস্তাত্ত্বিক নির্ভরশীলতা ও কিছু প্রাসঙ্গিক কথা

5db9b2a410cf05fca37719caeacac39b

তথাকথিত মর্ডান মেয়েদের কাছে ছেলেদের বেশ ভূষা পরে আধুনিক হওয়া একটা মানদন্ড হয়ে দাড়িঁয়েছে। এটা অবশ্য নতুন কিছু না। ছেলে হওয়ার এই ট্রেন্ড চালু হয়েছিলো ৫০ এর দশক থেকে, যখন পাশ্চাত্যে ছেলেদের মতো মেয়েরাও জিনস পড়া আরম্ভ করলো। মেয়েরাও ছেলেদের মতো ববকাটিং চুল ছাটঁ দেয়া শুরু করলো, ছেলেরা যা যা পড়ে বা করে, সে সব করাটাই মেয়েদের জন্য আইডল হওয়া শুরু হলো। কারন একটা মেয়ের জন্যে একটা ছেলেকে আইডল হিসেবে দেখাটা গর্বের এবং চিরন্তন। শুরু থেকেই এই বোধটা এত নিবিড়ভাবে মেয়েদের মননে গেথেঁ দেয়া হয়েছে যে, মেয়েরা এখন অবচেতনভাবেই ছেলেদের ফ্যাশনের দারস্থ হয়ে নিজেকে প্রতিনিয়ত ফ্যাশনসচেতন ভেবে মিথ্যা স্বান্তনা পাচ্ছে। নিজেদেরকে ছেলে ভেবে তৃপ্তি পাচ্ছে! Continue reading

পুরুষের পর্দার কথা বলবে কে? (নারী এবং পুরুষের পর্দার একটি সামগ্রিক পর্যালোচনা)

Veil_men vs. woman

আমাদের দেশে সব সময়ই  নারীর পর্দা নিয়ে এত বেশী হৈ চৈ হয় যে, সেই অনুপাতে পুরুষের পর্দা নিয়ে কোথাও বিন্দুমাত্রও আলোচনা হয় না। তাই গত কয়েক মাস ধরেই ভাবছিলাম  এই বিষয়টা নিয়ে একটু বিস্তারিত লিখবো। এটা ভাবার কোনই কারন নাই যে পুরুষদের কোনভাবে ছাড় দেয়া হয়েছে।

এই লেখাটি বিশাল। অনেক সময় নিয়ে ধৈর্য্য ধরে পুরোটা পড়তে হবে। বিশাল পোষ্ট  হবার কারনে হয়তো অনেকেই এড়িয়ে যাবেন কিন্তু আমি এখানে এমন একটা বিষয় নিয়ে লিখেছি, যা নিয়ে এর আগে কেউ কখনো লিখেন নাই, এমনকি বলেনও নাই। Continue reading

Aside

বাংলাদেশের ব্যাংকিংখাত ও ভুক্তিভোগী হিসেবে আমার অভিজ্ঞতা

bangladesh

আমি অর্থনীতি ভালো বুঝি না। তবে ঢাবিতে ম্যানেজমেন্ট পড়াকালীন একবার ক্লাসে স্যারের এক প্রশ্নের জবাবে ফাজলেমি করে উত্তর দিয়ে স্যারের মৃদু প্রশংসাবাক্য শুনেছিলাম। প্রশ্ন ছিলোঃ সরকারের টাকা দরকার হলে সরকার কোথা থেকে সেই টাকার ব্যবস্থা করবে? আমার উত্তর ছিলোঃ স্যার, সরকারের তো টাকশালই আছে। সরকার শুধু টাকা ছাপাবে আর ইচ্ছেমতো খরচ করবে।

ভাবলাম ঝাড়ি খাবো, কিন্তু স্যার বল্লেন, ইয়েস! গুড এনসার। খালি এইটা না, সরকার চাইলে লোনও করতে পারে। খালি টাকা ছাপানোটা তো কোন কাজের কথা না। দরকারের সময় টাকা ছাপালো, ভালো কথা, কিন্তু দরকার শেষ হলে কি করবে? বাজারে যে বাড়তি টাকাগুলা অলরেডি চলে গেছে, ঐগুলার কি হবে? ঐটাকে বলে ইনফ্লেশান। মুদ্রাস্ফিতি। বাজার থেকে বাড়তি টাকা তুলতে না পারলে টাকার দাম কমে যাবে। এক কাপ চা খেতে হবে ব্যাগভর্তি টাকা দিয়ে। ঠিক এই জিনিসটাই আমার দেখলাম নাইজেরিয়াতে। সেখানে লোকে বস্তাভর্তি করে টাকা নিয়ে চলা ফেরা করে। অথচ এক পোয়া সয়াবিন তেল কিনতেই টাকার বস্তা শেষ! কারন সেখানে আসলে জিনিসপত্রের দাম বাড়ে নাই, বরং টাকার দাম কমেছে। Continue reading

নিন্দিত-নন্দিত সত্যজিৎ

SatyajitRay
সত্যজিৎ রায় আমার একজন প্রিয় ব্যক্তিত্ব [ছিলেন।] ছোটবেলায় ‘শংকু সমগ্র’ পড়ে আমার সত্যজিৎ রায়ে হাতে খড়ি হয়। তারপর থেকেই আমি তার একনিষ্ঠ ভক্ত বনে যাই। সে সময় বিশালাকার সেই বইটার উপরে ইংরেজীতে ডিজাইন করে লিখেছিলাম – “সত্যজিৎ ওয়াজ এ জিনিয়াস।“
কিছুদিন আগে হুমায়ূন আহমেদের আত্নজীবনিমূলক একট বই-এর একট ঘটনা পড়ে রায়ের ব্যাপারে সমস্ত ভক্তি ফুরিয়ে যায়। তিনি আমাদের দেশের একজন খ্যাতিমান লেখক; আবুল আহসান চৌধুরীকে যে অপমান করেছেন, সেজন্য যে আমি তাকে আর পছন্দ করি না, ঠিক তা নয়, সেজন্য তো বড়জোড় তার কড়া সমালোচনা করা যায়। অপছন্দের কারন হলো, আবুল আহসান চৌধুরীর মাধ্যমে বাংলাদেশ, তিনি বাংলাদেশের মানুষ ও তার বাংলাদেশী ভক্তদের যে পরিমান অবজ্ঞা আর অপমান করেছেন, সেটা আদতে ক্ষমার অযোগ্য একটি অপরাধ এবং কোনরূপ অজুহাত দিয়েই সামলানো যায় না এমন একটি অপরাধ।

Continue reading