আমাদের অফিসের বুয়া কাহিনীঃ দুটি সুখ-দুঃখের গল্প

images (1)

দুপুরের দিকে অফিসে গিয়ে দেখি অফিসের সবচেয়ে জুনিয়র প্রোগ্রামার ছেলেটা কিচেনে রান্নার যোগাড় যন্ত্র করছে। তাকে জিগেস করলাম, ঘটনা কি? সে বল্ল – বুয়া আসে নাই। কয়েক বার বুয়ার মোবাইলে কল করে ও তাকে পাওয়া যায় নাই। এই কারনে নিজেরাই রাধঁতে বসে গেছে।  আমার মেজাজ খিচড়ে গেলো! বুয়াটা আমাকে একটাবার জানাবে না?!! আমি ফোন দিলাম, ৫/৬ বার রিং হবার পর ফোন ধরলেন বুয়া সাহেবা। Continue reading

হরর গল্পঃ বেসিন বিস্ফোরণ

unnamed

( ডিসক্লেইমারঃ যেসব মেয়েরা রাতে একা ঘুমান/একা ঘরে থাকেন, দয়াকরে এই লেখাটি পড়া থেকে তারা বিরত থাকবেন।)

ছোট খালুদের ফ্ল্যাটে আজ দুপুরে খুবই অদ্ভুত একটা কান্ড ঘটেছে। যেটার কোন কার্যকারণ কিছুতেই খুজেঁ পাওয়া যাচ্ছে না। খালুর ১৪ হাজার টাকা দিয়ে সদ্য কেনা কিচেন সংলগ্ন বেসিন হঠাৎ করে কোন কারন ছাড়াই বিস্ফোরিত হয়েছে। একদম ভেঙ্গে চুরমার। টয়লেটের পাইপে গ্যাস জমে বিস্মোরণ হয় শুনেছি, কিন্তু হাত-মুখ ধোবার বেসিন কেন বিস্ফোরিত হলো বুঝে আসতেছে না। ঘটনার সময় খালুর মা শুধু বাসায় ছিলেন। তিনি দুপুর বেলা তার ঘরে শুয়ে বিশ্রাম করছিলেন, হঠাৎ ডাইনিং রূমে বিকট শব্দ শুনে গিয়ে দেখেন বেসিনের শক্ত সিরামিক মেঝেতে গুড়ো গুড়ো হয়ে পড়ে আছে! অথচ বেসিনের উপরের আয়না এবং সাবান রাখার অংশটা পুরোপুরি অক্ষত আছে! Continue reading

Status

ভোজনরসিক বাঙ্গালির ভূরিভোজন!

DSC_5305

বাঙ্গালীর উৎসবের অভাব নাই। সেই উৎসব উপলক্ষ্যে ভূড়ি ভোজেরও কোন শেষ নাই। বাঙ্গালীর প্রায় সকল উৎসবে ভোজের আয়োজন দেখলে মনে হবে, উৎসবটা এখানে গৌন। ভোজনটাই মূখ্য। যদিও ‘ভোজ’ থেকে ‘ভোজন’ এসেছে, কিন্তু আক্ষরিক অর্থ বিচার করলে দুটোতে কোন মিল পাওয়া যায় না। ভোজন মানে খাওয়া। সেটা পোলাও কোর্মা হতে পারে, হতে পারে এক গ্লাস পানীয়ও। অপরদিকে ভোজ মানে হচ্ছে খাবার দাবারের এলাহী কারবার! সেখানে পোলাও কর্মা এবং পানীয়ের কোন অভাব থাকে না। তাই সঙ্গতকারনেই, ভোজ ও ভোজন আমাদের সংস্কৃতির দুটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।

ধর্মীয় উৎসবে খাওয়া, সাংস্কৃতিক উৎসবে খাওয়া, সামাজিক উৎসবে খাওয়া। কোন উৎসবেই খাবার অনুপস্থিত নয়। তবে সামাজিক উৎসবে ভোজের আয়োজনটা অন্য সমস্ত উৎসবকে যেন ছাড়িয়ে যায়। ছোটবেলা থেকেই দেখছি, বর-কণের চাইতেও বিয়ে বাড়ীর প্রধান আকর্ষন হচ্ছে ভোজন। বিয়ের অনুষ্ঠানে গিয়ে বর বা কণেকে না দেখেই ফিরে আসতে দেখেছি অনেককে, কিন্তু না খেয়ে ফিরে আসা? কাভি নেহি। Continue reading

Quote

স্যুরণ ও তার কল্প্রলয়…!

shopnoduarblog_1225999867_1-DSC09056

ইউনিভার্সিটির সেকেন্ড সেমিস্টারে একটা ইন্ডিয়ান মেয়ের সাথে পরিচয় হয়। স্যুরন। দেখতে কালো, কিন্তু খুবই মিষ্টি; মায়াকাড়া চেহারা। সব সময় এই মেয়েটি হেসে হেসে কথা বলত। খুব দুঃখের কথাও সে হেসে হেসে বলত। একটা পাই শপে পার্ট টাইম জব করত। ছাত্রী হিসেবে মুটামুটি ছিল। ২য় সেমিষ্টারে আমাদের ক্লাস বদলে গেলো, সাবজেক্ট বদলে গেলো। তাই নতুন ক্লাসে এসে নতুন নতুন ছেলেমেয়ে দেখে ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে গেলাম। পুরো ক্লাসে তখন আমিসহ তিনজন বাংলাদেশী। একজন মহিলামত মেয়ে (মানে বয়স মেয়েদের মতো কিন্তু দেখতে মহিলাদের মতো বয়স্ক) আরেকটা ছেলে, নাম আতাহার। মহিলামত মেয়েটা কয়েক সপ্তাহ পর পর ক্লাসে আসতো। অষ্ট্রেলিয়ার ছাত্র ভিসার শর্ত হচ্ছে, ক্লাসে ৮০% উপস্থিতি বাধ্যতামূলক। নাহলে ভিসা বাতিল হয়ে যাবে। মহিলামত মেয়েটির ৮০% অনুপস্থিতিতেও ভিসা বাতিল হয় না কারন তার স্বামী অষ্ট্রেলিয়ান সিটিজেন। তাই তার ক্লাস করারও গরজ নাই।

আর আতাহার খুবই গোবেচারা টাইপ ছেলে। সে বাংলাদেশের এক অজগ্রাম থেকে সরাসরি অষ্ট্রেলিয়ায় চলে এসেছে। দরিদ্র বাবা নিজের সব সহায় সম্পত্তি বিক্রি করে একমাত্র ছেলেকে বিদেশে লেখাপড়া করতে পাঠিয়েছেন। ছেলে বিদেশ বিভূইঁয়ে না পারে চলতে, না পারে ঠিকমতো কারো সাথে কথা বলতে। বেচারা সবসময়ই নার্ভাস থাকতো। আমি নিজেও যেহেতু গোবেচারা টাইপ মানুষ, সেহেতু আতাহারের সাথে আমার ভাব হয়ে গেলো। আমাদের সাথের সাদা চামড়ার ছেলেমেয়েগুলোকে দেখি, তারা ক্লাস শেষ করে নাইট আউটে যায়, লং ড্রাইভে যায়। আর সপ্তাহান্তে বারে যায়, পার্টিতে যায়। আমরা দুজন ক্লাসে আসি, মাথা নিচু করে লেকচার শুনি, চুপচাপ ক্লাস শেষে করে কাজে যাই নয়তো বাড়ি ফিরে যাই।

মাসখানেক পর হঠাৎ একদিন শুনি আতাহার বিজনেস কলেজে ভর্তি হবে, কারন ভার্সিটির আকাশচুম্বি সেমিষ্টার ফি সে আর টানতে পারছে না। ইমগ্রেশন থেকে অনেক ঝামেলা করে ভিসা বদলিয়ে সে অনার্স থেকে ডিপ্লোমায় ভর্তি হয়ে গেলো। অথচ আমি জানতাম কাজটা করা যায় না।

আতাহার চলে যাবার একদম একা হয়ে গেলাম আমি। প্রচন্ড মন খারাপ করে ক্লাসে আসতাম, প্রচন্ড মন খারাপ করে ক্লাস শেষ করতাম। ছেলেপেলেরা একা একা ক্লাসে ঢুকতো কিন্তু দল বেধেঁ ক্লাস থেকে বের হতো। আমি ঢুকতাম একা একা, বেরও হতাম একা একা। আমি উপলদ্ধি করলাম, ভার্সিটি লাইফে পুরোপুরি বন্ধুবিহীন অবস্থায় থাকার মতো অভিশপ্ত জিনিস ছাত্রজীবনে আর হয় না।

এ সময় কিভাবে কিভাবে যেন একদিন স্যুরনের সাথে পরিচয় হয়ে গেলো। ছোটবেলা থেকেই আমি বেশ মুখচোরা ছিলাম, মেয়েদের সাথে গুছিয়ে কথা বলতে পারতাম না। স্বাচ্ছন্দ্যে মিশতে পারতাম না। এই কারনে স্যুরন নিজে থেকেই আমার সাথে গল্প করার চেষ্টা করতো। আমার কাছ থেকে নোট নিতো, ওর এসাইমেন্ট আমাকে দিয়ে করাতো, বিনিময়ে ওর চাচার ইন্ডিয়ান রেষ্টুরেন্টে ভরপেট লাঞ্চ এবং ডিনার করাতো। স্যুরন কবিতা পছন্দ করতো। ওর জন্মদিনে আমি একটা কবিতা লিখে উপহার দিই। বেশ খুশী হয়েছিলো। সেও আমার জন্মদিনে আমাকে একটা কবিতা লিখে সেটার রিপ্লাই দেয়। ভীষন স্মার্ট মেয়ে ছিলো স্যুরন। আমাকে ও কেন জানি ’কল্প্রলয়’ বলে ডাকত! ওর সব কিছুই ছিলো কল্পনার একটা থিমে সাজানো। ওর ল্যাপটপের ওয়েলকাম স্ক্রীনে ওর নাম ছিলো কল্পলোক। আমার নামটাও হয়ত সেভাবেই এসেছে। কল্পনা আর প্রলয়। কল্প্রলয়।

কবিতার শিরোনামের নীচে এমন করে নামটা লিখে দিয়েছিলো যে কেউ দেখে ভাববে কবিতাটা হয়ত আমারই লেখা। যাকে উদ্দেশ্য করে লেখা, তার নাম সে দিয়েছিলো লেখকের নামের জাগায়। আমি খুব অবাক হয়েছিলাম।

পরের সেমিষ্টারেই, একদমই হঠাৎ, স্যুরন ভয়াবহ একটা রোড এ্যাকসিডেন্টে মারা যায়। এক উইকএন্ডে ওর ইন্ডিয়ান বয়ফ্রেন্ড মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি বিপদ সীমার চাইতে অনেক বেশী গতিতে চালাচ্ছিল। হঠাৎ হাইওয়ের একটা ব্রীজের উপরে লোহার খাম্বার সাথে সংঘর্ষে ওদের গাড়িটি ছাতু হয়ে খাদের গভীরে পড়ে যায়। দুজনেই স্পটডেড। ক্লাসের সবাই গিয়েছিলাম ওদের ফিনিউরালে। সেদিন ছিলো ৭ ই নভেম্বর।

আজ স্যুরনের ২৮ তম জন্মদিন। বেচেঁ থাকলে আজ সে ২৮ বছরে পা দিতো। খুব মনে পড়ছে ওকে। পরম করুনাময় তার বিদেহী আত্নাকে শান্তি দিক। আমিন।

You Are…
– KalProloy

O my thee,
the days we passed
In our ways,

So close, yet so far.
We found the realm, where life goes…

Thought ever?
What is it?
Its the beat of our hearts!
The dream i did never have
Thats where you are…yeah, you are…!

Only you…?
Uhu, couldn’t be my dream catcher,
But for thee,
I made the dream river
Thats where, you are…..you are!

What’d never be…
Any day,
It would,
You hover on my river,
none is there
see none…
ONLY YOU AND ME THERE…..WE ARE….!

dedicated to the one, an Australish, the dreamed, i have ever felt about        

              ছবিটা ওর কবিতার সেই প্রিন্ট আউটটা। নীচে ওর নিজের হাতে সাইন করা।

 

https://www.facebook.com/proloyhasan/posts/10152450161872220?__mref=message


একটুকু প্রেম পেলে, পাল্টে দিতাম ইতিহাস!

Little-sad-boyভারী চশমা পড়া কিশোর বেলার চুপচাপ ছেলেটারও মাঝে সাঝে প্রেম করতে ইচ্ছে হয়। সে জানে কোন মেয়ে তাকে পাত্তা দেয় না, আগ বাড়িয়ে কথা বলতে গেলে বিরক্তি প্রকাশ করে, অথচ সেই ছেলেটারও প্রচন্ড ইচ্ছে হয় পাশের বাড়ীর ক্লাস টেনে পড়ুয়া মেয়েটা একটা ধবধবে সাদা লম্বা স্কার্ট আর নীল রংয়ের টি শার্ট পড়ে বেনী দুলিয়ে তাকে এসে জিজ্ঞেস করুক – “বিকেলে তুমি যখন সাইকেল নিয়ে বের হবে, তখন আমাকেও নিয়ে যেও সাথে। তুমি বেল বাজালেই আমি উপরতলা থেকে নীচে নেমে আসবো।” ছেলেটা প্রতি রাতে ঘুমুতে যাবার আগে এসব ভাবে, একদিন বুঝি সত্যিই একটা মেয়ে তার দিকে এগিয়ে আসে, ছেলেটার দম বন্ধ হয়ে আসে, কিন্তু শেষতক সে তাকে পাশ কাটিয়ে যায়। কখনো তার স্বপ্ন সত্যি হয় না। Continue reading

বাস্তবিক কল্পনা…(মায়াবতী হ্যাপিলি এভার আফটার)

3091240165_e010d83e04_b

– কেমন আছো প্রলয়?
– আমার খোজঁ পেলে কি করে?
– ইন্টারনেটে।
– কিভাবে?
– খুব সোজা। গুগলিং করতেই তোমার সোশাল নেটওয়ার্কিং সাইটগুলোতে যতগুলো এ্যাকাউন্ট ছিলো, সবগুলোর ঠিকানা পেয়ে গেছি,
-“তারপর?”- আমার গলা থেকে নার্ভাসনেসটাকে কাটাতে পারলাম না।
-“তারপর আর কি? সেখানকার একটা এ্যাকাউন্ট থেকে তোমার মেইল আই ডি নিয়ে তোমাকে মেইল করলাম। দেখছো, আমার কত বুদ্ধি! “

চোখের উপর চলে আসা কপালের একগাছি লালচে-সোনালি চুল সরাতে সরাতে বল্লা তনুষা। ওর ধবধবে ফর্সা গালে বিকেলের সোনারোদ খেলা করছে। Continue reading

কিছু টুকরো স্মৃতি…কিছু দীর্ঘশ্বাস!

 

rain

আহ বৃষ্টি!

মে মাসের এক প্রচন্ড ঝড়ের রাতে আমার জন্ম হয়েছিলো বলে আম্মু আমার নাম রেখেছিলেন ‘প্রলয়।’
অবশ্য এ কারনে তাকে কম গঞ্জনা শুনতে হয়নি শ্বশুড় বাড়ির লোকেদের কাছে। এটা কোন নাম হলো? হিন্দুয়ানি নাম।  হাজি বাড়ির নাতির নাম হিন্দুয়ানি কিছুতেই হতে পারে না। আমার দাদা প্রচন্ড রেগে মেগে ঐদিনই তারঁ বড় নাতির পুরো নাম রাখলেন। মুর্শিদুল হাসান। ফুপি একটা ডাক নাম রাখলেন। অসম্ভব কমন একটা নাম। এইসব ঘটনায় আম্মু প্রচন্ড কষ্ট পেলেন। কিন্তু কাউকে কিছু বল্লেন না। চুপচাপ দেখে গেলেন শুধু।

Continue reading

একটি ক্যামেরা লেন্স কেনার গল্প

AF-S_DX_NIKKOR_18-105mm_f3.5-5.6G_ED_VR_28-07-2012অনেকদিন থেকে একটা ১৮-১০৫ মিমি নাইকন ভিআর কিট লেন্স খুজঁছিলাম কেনার জন্য। পেয়েও গেলাম। মাত্র মাস খানেক ব্যবহৃত। দাম লেখা ১৭ হাজার। ফোন করলাম, লোকটা জানালো, সে ভুলেই গিয়েছিলো যে বিক্রির জন্য এ্যাড দিয়েছিলো। কিন্তু এরপর কারো কোন ফোন না পেয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো, লেন্সটা আর বিক্রি করবে না। এখন আমি ফোন দেয়াতে অত্যন্ত লাজুক ও বিনয়ী এই ভদ্রলোকটা না করতে পারলো না। Continue reading

আ জার্নি বাই বাস – ঢাকা ২০১৩ ভার্সন

traffic-jam-cartoon

ইক্ষু মিয়া নতুন বাজার হইতে একটি ডিম পাড়া মুরগী কিনিয়া বিআরটিসির সরকারী বাসে চড়িয়া বসিল। তখন শরতের দুপুরের কড়া রোদ মাথার উপর। বাসে ওঠামাত্রই কি কারনে জানি ইক্ষু মিয়ার মুরগীটি হঠাৎ করিয়া নিদারুন অস্থির হইয়া উঠিলো। ইক্ষু মিয়া ভাবিলেন, গরমে তো মানুষই অস্থির হইয়া আছে, মুরগী তো কোন ছাড়। তো বাস ছাড়িল আাধঘন্টা পর। Continue reading

মেঘ, রোদেলা আর চন্দ্রাবতী কাব্য

ablaze__abstract_night_sky_skyscape_oil_painting_b_abstract_art__abstract__bebdd8ad37a38f1be1106d0cf5d5a774

মেঘ ঘুম থেকে ওঠলো ধড়ফড় করে! তখন দুপুর গড়িয়ে বিকেল হয়ে গেছে। তার পাশের সিটের ছেলেটা বিকট শব্দে রেডিও শুনছে। সেই শব্দে ঘুম ভেঙ্গেছে। মেজাজ বিগড়ে গেলো মেঘের। নাহ, এই মেসটা আশু ছাড়তে হবে তার। হঠাৎ রেডিওতে শুনলো, আগামীকাল হরতাল ডেকেছে জামাত-শিবির। সাথে সাথে সে গায়ের কম্বল ছুড়েঁ দিয়ে তৈরী হতে লাগলো। এমনিতেই মেজাজ খারাপ তার উপর এই খবর। দাতঁ ব্রাশ করতে করতে তার জানা-অজানা সব কয়টা গালির ভান্ডার জামাত-শিবিরের উপর একেবারে উপুড় করে ঢেলে দিলো। কাল হরতাল, পরশুদিন শুক্রবার, রোদেলা বাসা থেকে বের হতে পারবে না [কারন ও অফিসের লাঞ্চ ব্রেকে মেঘের সাথে দেখা করে। শুক্রবারে যেহেতু অফিস নাই সেহেতু ওদের ১ ঘন্টার ডেটিংও বন্ধ] আর পরশুদিনের পর থেকে মেঘ সারাদিন ব্যস্ত থাকবে সুতরাং আজ যে করেই হোক রোদেলার সাথে দেখা করতে হবে। আজকে দেখা না করতে পারলে আগামী সপ্তাহের আগে আর দেখা হবে না। Continue reading