প্রবাসের ঈদ ও একটি সামুরাঈ সোর্ডের গল্প

eid_ul_adha_by_gr8najam-d5j6avi

২০১০ সালের কোরবানী ঈদের ঘটনা। প্রতিবছরের মতো সেবারও আমরা সবাই [স্থানীয় কিছু বাঙ্গালী মুসলমান] মিলে নিউ সাউথ ওয়েলসের কান্ট্রি সাইডে গিয়েছিলাম ‘ভেড়া কোরবানী’ দিতে।

সিডনীর বাঙ্গালী পাড়া কোগরাহ নিবাসী ‘সাইফুল হাসান’ ভাইকে সবাই চেনেন এবং অত্যন্ত ভালবাসেন একজন বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী লোক হিসাবে। দেখতে ছোটখাটো অথচ সুদর্শন এই মানুষটি একাধারে একজন মাওলানা, বিট্রিশ কাউন্সিল-ঢাকার পার্টটাইম টিচার [তিনি জীবনে তিনবার আইএলটিএস দিয়েছিলেন, তিন বারই ৯ এ ৯ পেয়েছেন।], একজন পেশাদার প্রোগামার, এনএসডব্লিউ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জেনেটিক সাইন্স আর ন্যানো টেকনোলজির উপর গ্রাজুয়েট করা একজন শখের মুদ্রা সংগ্রাহক। [তারঁ মুদ্রার কালেকশন চমকে দেবার মতো।]

তারঁ আরো কিছু ছোটখাট গুনাগুন আছে। যেমন: সে অত্যন্ত ভাল একজন তার্কিক, যুক্তি তর্কে তাকেঁ হারানো মুটামুটি অসম্ভব ব্যাপার। তারঁ রসবোধ অতি উচুঁমানের। ভাল ফারসি শের আবৃত্তি করতে পারেন। ভাল মাছ ধরতে পারেন। একসময় চমৎকার ফটোগ্রাফি করতেন। মাওলানা হবার পর ছেড়ে দিয়েছেন। তিনি যখন কথা বলেন, মন্ত্রমুগ্ধের মতো শুধু শুনতে ইচ্ছে করে। কোন মানুষ যে এতটা আকর্ষনীয়ভাবে কথা বলতে পারে, জানা ছিলো না। আর তার যে গুনটার কথা শুধুমাত্র কোরবানী ঈদ আসলে জানা যায় সেটা হলো, তিনি একটা আস্ত ভেড়া একা জবাই করে একা চামড়া ছিলিয়ে মাংস টাংস কেটে সাইজ করে ফেলতে পারেন। ২য় কারো হেল্প লাগে না। বাবা-মা পছন্দ মতো সম্প্রতী বিয়ে করেছেন একজন তারকিশ মেয়েকে। তারঁ বাবা বুয়েটের একজন নামকরা প্রফেসর। নাম বললে হয়তো অনেকেই চিনবেন। তার মা এবং বড় বোনও নামকরা আর্কিটেকচার।

তারঁ ব্যাপারে এত ভূমিকা দেয়ার কারন হলো, ১. কয়েক বছর ধরেই ভাবছি তাকে নিয়ে আমার মুগ্ধতার কথা লিখবো। এইরকম মাল্টি ডাইমেনশনাল, ক্রিয়েটিভ ও এক্সটা টেলেটেন্ড একজন লোকের সান্নিধ্যে আসাটা বিরল ভাগ্য বলেই বিশ্বাস করি। ২.ঘটনাটা তাকেঁ নিয়ে।

তো ঈদের কয়েকদিন আগে কয়েনের এক অনলাইন নিলামে তিনি প্রায় দেড় হাজার ইউএস ডলার মূল্যমানের একটা(!) কয়েন কিনে ফেল্লেন। অটোম্যান আমলের কয়েন। সারা পৃথিবীতে এই কয়েন মাত্র দুটো আছে। একটি তিনি কিনেছেন আরেকটা নাকি সেৌদির বর্তমান বাদশাহর কাছে আছে। কেনার সময় আমি তারঁ ঘরে উপস্থিত ছিলাম। মূল্য যখন পরিশোধ করছেন, তখন মূল্যমান দেখে আমার চক্ষু চড়কগাছ। সেটা দেখে তিনি বল্লেন – ‘প্রলয়, কত সস্তায় যে পেয়েছি আপনি চিন্তাও করতে পারবেন না। নিলামে হওয়াতে সস্তায় পেয়েছি। পাবলিক এটার দাম বুঝে না, উল্টা পাল্টা দাম অফার করে আমার জন্য সুবিধে করে দিয়েছে। এটার দাম হওয়া উচিত ছিলো কমপক্ষে ৫ হাজার ডলার।’

এই ফাকেঁ বলে রাখি, তার শোবার ঘরটা হলো একইসাথে একটা ছোটখাট লাইব্রেরী আর একটা ছোটকাট মিউজিয়াম। শত শত দুর্লভ কয়েন ছাড়াও সেখানে রয়েছে দুর্লভ ও ঐতিহাসিক ছোড়াঁ, তরবারী, চিঠি, কাপড় আর আছে মেঝে থেকে ছাদ পর্যন্ত শুধু বই আর বই। বলা বাহুল্য, বেশ কিছু দুর্লভ বইও সেখানে আছে। এ্যান্টিক জিনিপত্রের প্রতি তারঁ দুর্বলতা প্রচন্ড রকমের!

তো কয়েন কেনার পর তারঁ পাহাড়ের চূড়ায় বানানো ডুপ্লেক্স বাড়ীর নীচতলা থেকে ডিনার শেষ করে উপরে গিয়ে দেখি, আনন্দে তারঁ চোখ চকচক করছে। মনে মনে ভাবি, নিশ্চয়ই এ্যান্টিক কিছু একটার খোজঁ পেয়েছেন। কাছে গিয়ে বুঝলাম আমার অনুমান সত্যি তবে এবার আর কয়েন নয়। ফুট দেড়েক লম্বা একটা আস্ত জাপানীজ সামুরাই সোর্ড! বিয্যেন যুগের কাতানা। তার খুব মনে ধরেছে। বাজেটের ভেতর পেলে কিনে ফেলবেন বলে মনস্থির করেছেন। বাজেট সাড়ে তিন হাজার ডলার। ঐ কয়েনটা কেনার বাজেট ছিলো ৩ হাজার ডলার।। অর্ধেক ডলার বেচেঁ যাওয়াতে তার পুরোটাই সামুরাই সোডের্র জন্য বরাদ্দ করে ফেল্লেন।

আমি একটু পর নীচতলায় ঘুমাতে গেলাম। উইকএন্ডে প্রায়ই তারঁ বাসায় এক-দুজন বন্ধুকে সাথে করে বেড়াতে চলে আসি। তিনি নিজের হাতে আমাদেরকে ‘মুরগীর ড্রামিস্টিক ভূনা’ রান্না করে খাওয়ান। তার আরেকটা গুনের কথা বলতে ভুলে গেছি, তিনি অসাধারন রান্না করতে পারেন।

ভোরে ফযরের নামায পড়তে ডেকে তুলে জানালেন যে, সামুরাই সোর্ডটা তিনি কিনে ফেলেছেন। তবে ৫০০ ডলার বেশী পড়েছে। এইজন্য তিনি মোটেও বেজার নন বরং খুশীতে তার মুখ ঝলমল করতে দেখলাম।

নামাযের পর তার সদ্য কেনা সোর্ডের কিছু হাই রেজ ছবি দেখালেন ল্যাপটপে। সেইরাম জিনিস! সামুরাই সোর্ডের নাম শুনেছি, কিন্তু এটা যে এত সুন্দর দেখতে, জানতাম না। হাতলে আবার চমৎকার কারুকার্য করা।

সবকিছু ঠিকঠাক কিন্তু একটা ছোট্ট ঝামেলা হয়ে গেলো। সোর্ডের হোম ডেলিভারী হবে না। সোর্ডের অরিজিন ইউকে মানে সোর্ড ডিএইচএলে লন্ডন থেকে সিডনী আসবে। সাইফুল হাসান ভাইকে সেটা স্বশরীরে সিটিতে গিয়ে নিয়ে আসতে হবে। সেটা মূল ঝামেলা না, মূল ঝামেলা হলো সোর্ডের এ্যারাইভাল ডেট আর কোরবানী ঈদের নামাযের দিন তারিখ সব খাপে খাপে মিলে গেলো। এরপরের টানা তিনদিন পাবলিক হলি ডে। ডিএইচএল বন্ধ থাকেবে। সাইফুল ভাই পড়লেন বিরাট দোটানায়। কারন ঈদের নামায তাকেইঁ পড়াতে হয়, এদিকে তিনি ছাড়া দুনিয়ার আর কেউ সেই সোর্ড আনতে পারবে না। আর কারো হাতে দেয়া হবে না।

সাইফুল ভাই শেষতক নামায পড়িয়েই আমাকে আর একটা ছেলেকে সাথে নিয়ে উধ্বোর্শ্বাসে রওনা দিলেন শহরের দিকে। যাবার আগে গাড়ির পেছনে কার্গো এরিয়া ভর্তি করে দা, বটি, চাপাতি, চাকু ইত্যাদি নিয়ে নিলাম কারন আমাদের প্ল্যান হলো, সামুরাই সোর্ড নিয়ে সরাসরি কোরবানীর স্পটে চলে যাবো। কারন বাসায় আসার আর সময় হাতে থাকবে না তখন।

জীবনের প্রথম সেদিন স্পিডিং করলাম। ৮০ জোনে ৯০/১০০ চালালাম। তিনি ফোন করে ডিএইচএলকে জানিয়ে দিলেন যে আমাদের আসতে আধঘন্টা দেরী হবে কারন আজ আমাদের সেকেন্ড বিগেস্ট রেলিজিয়াস ফেস্টিভ্যাল, প্রেয়ারে এটেন্ড করে আসতে হচ্ছে।

ডিএইচএল এর অফিসে গিয়ে দেখি এলাহি কারবার! ফুটবল খেলার মাঠের সমান অফিস।। টাসকি খাবার মতো ইন্টেরিয়র!! যাই হোক, আধাঘন্টা ধরে রাজ্যের সব কাগজপত্র চেক করে সাইফুল ভাইর কাছে সামুরাই সোর্ডটি হস্তান্তর করা হলো। সোর্ডের খাপটিও দেখার মতো একটা জিনিস। ডিএইচএলর যে কর্মীটি সোর্ডটি বুঝিয়ে দিলো, সেও সোর্ডের ব্যাপারে অনেক আগ্রহ প্রকাশ করলো।

সোর্ড নিয়ে গাড়ী ছুটালাম গসফোর্ডের দিকে। প্রায় ৩০০ কিলোমিটার ড্রাইভ করতে হবে টানা। সাইফুল ভাই সোর্ড নিয়ে পিছনের সিটে বসেছেন। আমার পাশের সিটে ছেলেটি। পেছন থেকে শুনলাম সাইফুল ভাই তলোয়ারটি হাতে নিয়ে ধার পরখ করতে করতে মজা করে বলছেন – “এখনো যে ধার আছে, দুয়েকজনকে অনয়োসে শুইয়ে ফেলা যাবে মনে হচ্ছে।”

একঘন্টাও ড্রাইভ করিনি, একদম হঠাৎ করেই পেছন থেকে একটা হাইওয়ে প্রেট্রোল কার আমাকে পুল ওভার করার সিগন্যাল দিলো। আমার হার্ডবিট সাথে সাথে বেড়ে গেলো। কারন গাড়ীর ভেতর ‘জিনিস’ ভর্তি! শালার কোন দু:খে যে স্পিডিং করতে গিয়েছিলাম! মাত্র ৫ সেকেন্ড স্পিডিং করেছি, সেটাও ধরে ফেলছে! আর পড়বি তো পড় মালির ঘাড়ে!

পুলিশ কাছে এলে জানালার কাচঁ নামিয়ে জিজ্ঞেস করলাম – ‘হাই, হোয়াটস আপ বাডি?’

পুলিশ জানালো তেমন কিছু না, জাস্ট র‍্যানডম চেইক করবে। প্রথমেই আমার ব্রিথ টেস্ট করলো। আমি বিরক্ত হয়ে বল্লাম – ‘তোমাদের কি মনে হচ্ছিলো আমি ড্রাংক ড্রাইভিং করছিলাম?’ উত্তরে সাথে থাকা নারী পুলিশটি বল্ল – ‘না তা মনে হয়নি। কিন্তু এটা আমাদের একটা রেগুলার প্রসিজার।’ [প্রসিডিউর]

এরপর লাইসেন্স আর গাড়ির রেজি: চেক করে নারী পুলিশটি আসল কথা পাড়লো – ‘তুমি কি জানো তুমি স্পিডিং করছিলে?’
আমি চুপ করে রইলাম। কি উত্তর দেবো?
খাড়ার উপরে সাড়ে চারশ ডলার ফাইনের স্লিপ ধরিয়ে দিলো। রাগে দু:খে আমার চোখ ফেটে কান্না আসার যোগাড়!! সাইফুল ভাই পেছন থেকে বল্লেন – “ঘাবড়াবেন না। আমি শেয়ার করবো। কিন্তু এখন থেকে আর এক মাইক্রো সেকেন্ডের জন্যও জোরে চালাবেন না”।

এরপর চলে যাবার ঠিক আগ মূর্হুতে সাথে থাকা পুরুষটি সাইফুল ভাইর দরজার দিকে এসে বল্ল – ‘তোমাদের পেছনের সিটে ওটা কি?’ সাইফুল ভাই স্পষ্ট করে বল্লেন – সামুরাই সোর্ড!
লোকটা ভাবলো সে ভুল শুনেছে। তাই বল্ল- এক্সিউজ মি?
সাইফুল ভাই আগের চাইতেও স্পষ্ট করে বল্লেন – ‘দিস ইজ আ সামুরাই সোর্ড!’
সাইফুল ভাইর উত্তর শুনে তো পুলিশের মাথা নষ্ট!! কোনমতে বল্লো – ‘ক্যান আই হ্যাভ আ লুক?’
সাইফুল ভাই ‘শিওর’ বলে সোর্ডের খাপটি নিয়ে গাড়ি থেকে নামলেন। তার দেখা ,দেখি আমিও নামলাম।

ততক্ষনে নারী পুলিশটিও পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। পুরুষ পুলিশটি গাড়ীর ছাদের উপর খাপ খুলে সোর্ডটি হাতে নিয়ে উল্টে পাল্টে দেখছে। ইতিমধ্যে একটা অল্পবয়সী স্বল্পবসনা মেয়ে সাইকেল চালিয়ে পাশ দিয়ে যাচ্ছিলো, সোর্ড দেখে সে একটু দূরে সাইকেল থামিয়ে আমাদের দিকে তাকিয়ে রইলো।

এরপর যথারীতি, পুলিশকে বিস্তারিত সব খুলে বলতে হলো। বলা হলো যে আমরা এটাকে পিকআপ করতেই গিয়েছিলাম, মাত্রই হাতে পেয়েছি। ভাইচারসহ অন্যান্য কাগজপত্র দেখাতে হলো। তাতেও রেসিস্টের বাচ্চা রেসিস্ট পুলিশটার মন ভরলো না। সাইফুল ভাই সত্যিই শখের সংগ্রাহক কিনা, সেটা সরেজমিনে গিয়ে দেখার জন্য সাইফুল ভাইর ড্রাইভিং লাইসেন্স স্ক্যান করে রেখে দিলো যেখানে তার বাসার ঠিকানা রয়েছে।।

তবে এরপর পুলিশটি একটা ভাল সাজেশন দিলো। সাইফুল ভাইকে বল্ল সোর্ডের জন্য আলাদা করে কোগরাহ সিটি কাউন্সিল থেকে একটা বিশেষায়িত লাইসেন্স নিতে যেটার উপরে সোর্ড বহনের অনুমতি থাকবে। এমনকি কোন রূট দিয়ে সাইফুল ভাই সোর্ড সাথে করে নিয়ে যেতে পারবে, সেটাও উল্লেখ থাকবে। ঐ লাইসেন্স সাথে না থাকলে পুলিশ ঝামেলা করবে। যারা সামুরাই সোর্ড দিয়ে প্র্যাকটিস করে নিনজা হবার বাসনায় জুডো বা কারাতে শিখে, এ ধরনের লাইসেন্স সাধারনত তাদেরকে দেয়া হয়। অনেকটা ওয়েপন ক্যারিং লাইসেন্সের মতোই।
শেষে পুলিশ সাইফুল ভাইর রূচি আর শখের একটা মেকি প্রশংসা করে সাইফুল ভাইর হাতে সোর্ড ফিরিয়ে দিলো। আমি ঘুরে গাড়িতে ঢুকতে গিয়েছি, এমন সময় আমাকে বলে কিনা গাড়ির ব্যাকডালা খুলতে! কপাল!!

তো অগত্যা খুল্লাম। চটের ছালা দিয়ে ছুরি-চাপাতিগুলো মোড়ানো ছিলো। পুলিশ ছালার র‍্যাপ খুলে সেগুলো বের করে আরেকপ্রস্থ হতভম্ব হয়ে গেলো! প্রচন্ড বিরক্তি নিয়ে আমাদের বল্ল – ‘হোয়াটস রং ইউথ ইউ গাইস?’ নারী পুলিশটি এগিয়ে এসে বল্ল – ‘এগুলোও কি তোমরা শখ করে কিনেছো? এখন বাসায় নিয়ে যাচ্ছো? তোমরা কি জানো না যে এসব ডেডলি ওয়েপন?’

তখন সাইফুল ভাই তাদেরকে অস্বাভাবিক শান্ত স্বরে বুঝিয়ে বল্ল যে কোরবানীর জন্য এগুলো নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। বছরে এই একটা দিনই এই ‘ডেডলি ওয়েপন’ গুলো বহন করা হয়। তারা কন্ট্রোল রূমে রেডিও করে নিশ্চিত হয়ে নিলো ব্যাপারটা। তবে হাইওয়ে পেট্রোল এত সহজে ছেড়ে দেবার পাত্র না। আমাদের সবার ছবি তুলে, আমার গাড়ীর ছবি তুলে, সোর্ড আর চাপাতির ভিডিও করলো। রাস্তা দিয়ে যতগুলো গাড়ি যাচ্ছিলো, আমাদের পাশ দিয়ে যাবার সময় স্লো করছিলো নাটক দেখার জন্য। সে এক বিরাট কেলেংকারি অবস্থা। হাইওয়ে না হলে দুয়েকজন নিয়মিত দর্শকও জুটে যেতো।

এই ঘটনা মনে করলে এখনো হাসি পায়। বিশেষ করে, সাইফুল ভাইর “‘দিস ইজ আ সামুরাই সোর্ড” – শুনে পুলিশ লোকটার চোয়াল যেভাবে ঝুলে পড়েছিলো, সেই দৃশ্য আমার অনেক দিন মনে থাকবে।

eid_ul_adha_08

https://www.facebook.com/proloyhasan/posts/10151258290482220

স্বপ্নদুয়ারে রেজিষ্ট্রেশন না করেও আপনার ফেসবুক আইডি দিয়েই মন্তব্য করা যাবে। নীচের টিক চিহ্নটি উঠিয়ে কমেন্ট করলে এই পোষ্ট বা আপনার মন্তব্যটি ফেসবুকের কোথাও প্রকাশিত হবে না।

টি মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *