অবশেষে অস্কার জয় করে নিলো লিওকে!

 লিওনার্দো ডি ক্যাপ্রিও

tumblr_neufre2QFq1r1ms15o8_1280

 

শুধুমাত্র লিও ভক্তরাই জানেন, লিও’র অস্কার জেতাটা আর দশটা গড়পড়তা তারকার অস্কার জেতার মতো নয়। এটা লিও’র জীবনে তো বটেই, লিও ভক্তদের জীবনেও একটা ইনক্রেডিবল ইভেন্ট। 🙂

 গতকাল কয়েকটা বাঘ ১৭ কোটি মানুষকে আনন্দের স্রোতে ভাসিয়েছে। আর আজ লিওনার্দো ডি ক্যাপ্রিও নামের ৬ ফুট উচ্চাতার ৪১ বছর বয়স্ক এক তরুন বিশ্বের কোটি মানুষের হৃদয়কে উদ্বেলিত করেছে।
 
লিও বিদ্বেষীরা এতদিন হাজার বিজারে মেমে বানিয়েছে লিও’র অস্কার না পাওয়াকে কেন্দ্র করে, তাকে বিদ্রুপ করেছে অসংখ্যবার। লিও তা মুখ বুজে সহ্য করে শুধু তার স্বপ্নকে তাড়িয়ে বেড়িয়েছে, এবং দিনশেষে জয় করে নিয়েছে।
আজ থেকে লিওকে পচিঁয়ে মেমে বানানেওয়ালাদের অখন্ড অবসর।

leooscars

অনুবাদঃ ফরহাদ হোসেন মাসুম।

LONDON, ENGLAND - FEBRUARY 14: (EDITORS NOTE: This image has been digitally altered) Leonardo DiCaprio attends the EE British Academy Film Awards at the Royal Opera House on February 14, 2016 in London, England. (Photo by Gareth Cattermole/Getty Images)

 

পুরো নামঃ লিওনার্দো উইলহ্যাম ডিক্যাপ্রিও।

ডাক নামঃ লিও। লেনি ডি।

বয়সঃ ৪০ বছর।

উচ্চতাঃ ৬ ফুট।

পরিচয়ঃ বিশ্বখ্যাত আমেরিকান অভিনেতা ও প্রযোজক।

প্রথম মুভিঃ ১৯৯১ সালে। ক্রিটার্স থ্রি।

জনরাঃ ড্রামা, রোমান্টিক নায়ক।

এ পর্যন্ত অভিনীত মুভির সংখ্যাঃ ৪০ টি।

অস্কার/অস্কারের নমিনেশন পেয়েছেনঃ ৫ বার নমিনেশন পেয়েছেন।  উনি জীবনে প্রথমবারের মতো অস্কার জিতেছেন গতকাল, ৮৮ তম একাডেমি এওয়ার্ড সিরিমনিতে!

 

সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকঃ ৫ কোটি ৯০ লাখ ডলার। (ইনসেপশান)

উল্লেখযোগ্য মুভিঃ টাইটানিক, ডিপারটেড, ক্যাচ মি ইফ ইউ ক্যান, দ্য উলফ অব ওয়াল স্ট্রিট, দ্য এভিয়েট্যর, ইনসেপশান, শাটার আইল্যান্ড, জ্যাংগো আনচেইনড, দ্য গ্রেইট গ্যাটজবি, বডি অব লাইজ, রিভিউলেশনারি রোড, রোমিও-জুলিয়েট, ব্লাড ডায়মন্ড, গ্যাংস অব নিউইয়র্ক এবং আউট অব দ্য ফারনেস (ক্যামেরার সামনে ছিলেন না। পেছনে ছিলেন। প্রডিসউসার) ।

ধর্মঃ ধার্মিক রোমান ক্যাথোলিক পরিবারে বড় হয়েছেন। কিন্তু তিনি ধার্মিক নন। আবার তাই বলে নাস্তিকও নন।

পরিচিতিঃ ৯০ দশকের টিনেজ হার্টথ্রব ’লিও’ জন্মেছেন ইতালি, জার্মানি আর রাশান বংশোদ্ভুত পরিবারে। ছোটবেলায় এমন একটি পাড়ায় তিনি বেড়ে উঠেছেন, মদ-ড্রাগ-জুয়া-যৌনতা এসব ছিলো যার নিত্য অনুসংগ। নেশাজাতীয় দ্রব্যের প্রভাব কতটা খারাপ হতে পারে, সেটা তিনি নিজের চোখে দেখেছেন মাত্র ৩/৪ বছর বয়স থেকে। অবাক করা ব্যাপার, এইরকম খারাপ পাড়ায় থেকেও তিনি বখে যাননি কারন তার বাবা-মা তাকে শিক্ষা, সংস্কৃতি আর মননে পরিছন্ন ও উন্নত রুচির করে বড় করেছেন। ক্যাচ মি ইফ ইউ ক্যান দেখার পর লিওকে মনে হয়েছে আমার খুব ঘনিষ্ঠ একজন বন্ধু।

তার চরিত্রগুলো হয় বেশীরভাগ সময়ই খুবই ভিন্নধর্মী এবং কঠিন। যেমনঃ ট্রমা-ষ্ট্রেসে ভোগা, অভাগা, স্মৃতিভ্রষ্ঠ, ক্ষেপাটে, মানসিকভাবে বিপন্ন বিত্তবান শিল্পপতি। বাস্তব জীবনেও তিনি হলিউডের অন্যতম হাই রেটের অভিনেতা। এই মূহুর্তে হলিউডের বাজারে তার গড় পারিশ্রমিক ২ কোটি ডলারেরও বেশী।

পৃথিবীর সর্বকালের সেরা অভিনেতাদের তালিকায় তার অবস্থান ৭৫। পৃথিবীর সেরা ৫০ জন সুপুরুষের তালিকাতেও তার নাম রয়েছে।

vogue-australia-the-great-gatsby-leonardo-di-caprio-may-2013

লিও এর ব্যাপারে যে ১৩টি তথ্য বেশীরভাগ লোকই জানেন নাঃ

  • মাত্র ১০ বছর বয়সে তার এজেন্ট তাকে উপদেশ দিয়েছিলো তার নাম পাল্টে আরেকটু আমেরিকান ধাচেঁর নাম রাখতে। যেমনঃ লেনি উইলিয়ামস। বলা বাহুল্য, তার সে উপদেশের ধার লিও ধারেননি।
  • ১৯৯৮ সালে তিনি প্লেগার্ল ম্যাগাজিনের নামে মামলা করেছিলেন তার শরীরের সম্মুখ ভাগের সম্পূর্ণ নগ্ন ছবি ছাপাবার দায়ে।
  • তার প্রিয় পরিচালক হচ্ছেনঃ Martin Scorsese.
  • লিও ‘ম্যারিয়ন কটিলার্ড’ আর ’কেট উইন্সলেটের’ ঘনিষ্ঠ বন্ধু। উল্লেখ্য, এই দুইজনই নায়িকা হিসেবে আমার ভীষন প্রিয়।
  • রিভেলুশনারি রোড মুভির শুটিং শেষ হবার পর তিনি কেটকে একটা খাটিঁ সাদা সোনার আংটি উপহার দেন। আংটির উপরে একটা বাক্য খোদাই করে লেখা ছিলো। কিন্তু সে বাক্যটি কি, সেটা কেট আজ পর্যন্ত মিডিয়ার সামনে প্রকাশ করেনি। কেট তাকে ভাবেন, লিও এই প্রজন্মের সবচাইতে তুখোড়, মেধাবী ও চৌকষ অভিনেতা।
  • স্পাইডারম্যান-খ্যাত টবি ম্যাগুয়্যের তার বাল্যবন্ধু।
  • আমেরিকান সাইকো মুভির জন্য তাকে প্রস্তাব দেয়া হয় কিন্তু শিডিউল (স্ক্যাজুল) না মেলাতে পেরে সেটা ক্রিশ্চিয়ান বেইলকে দিয়ে দেয়া হয়। এরপর ২০০২ সালে স্পাইডার ম্যান চরিত্রের জন্য তিনি নির্বাচিত হন কিন্তু শেষে তিনি তা টবিকে দিয়ে দেন। ২০০৫ সালেও তিনি সিন সিটি মুভির জন্য মনোনীত হন, কিনতু শেষে পযন্ত বাদ পড়েন। ২০০৯ সালেও একই ঘটনা ঘটে। পাবলিক এনিমি মুভির জন্য ডিজিটাল ও প্রিন্ট মিডিয়ার সমস্ত প্রচারনাতেও তার নাম ছিলো। কিন্তু শুটিংর শুরু হবার সময় দেখা গেলো, তার চরিত্রটি জনি ডেপ করছে। সবশেষে দ্য ইংগ্লোরিয়াস বাষ্টাড মুভিতেও তার অভিনয় করার কথা ছিলো কিন্তু দিন শেষে কোয়ান্টিন টারানটিনো তার বদলে অন্য একজনকে বেছে নেন।                                                                                       (আই মিন, সিরিয়াসলি?? WTF man?!! :/ আমি তো খালি ভাবতাম অস্কারটাই বুঝি বার বার তার হাত ফসকে গেছে! অথচ এতগুলো মুভিতে তার থাকার কথা ছিলো!! )
  • কিশোর বেলায় তিনি অতিমাত্রায় সুদর্শন ছিলেন। এতটাই যে, কোন নতুন জাগায় গেলে স্থানীয় কিশোরী মেয়েরা প্রায়ই তার পিছু নিতো। তিনি যেখানে যেখানে যেতেন, তার পেছনে হেঁটে হেঁটে সেই মেয়েগুলোও সেখানে চলে যেতো।
  • ১৯৯৯ সালের জানুয়ারি মাসে লিওর আইনজীবি লিও এর ’DiCaprio’ নামের কপিরাইটের জন্য আবেদন করেন।
  • টাইটানিকের শেষ জীবিত সারভাইভার যখন টাকার অভাবে হাসপাতালের খরচ যোগাতে পারছিলেন না, ঠিক সে সময় লিও এগিয়ে আসেন। তিনি যে শুধু হাসপাতালের মোটা অংকের বিল দেয় তাই নয়, লিও সেই মহিলার মৃত্যু পযন্ত সমস্ত ব্যয়ভার বহন করেন।
  • লিও একজন আপদমস্তক পরিবেশবাদী। বণ্য প্রাণী সংরক্ষনের জন্য তিনি গত দেড় দশকে মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার দান করেছেন বিভিন্ন পরিবেশীবাদী সংগঠনকে।
  • তার নিজের একটি প্রডাকশন হাউস আছে। নামঃ Appian Way Productions.
  • তার নাম করনের পেছনের ছোট্ট গল্পও খুব বেশী লোক জানেন না। লিও পেটে থাকাকালীন তার মা একদিন উফিজি গ্যালারিতে হ্যান্ড পেইন্টিং দেখতে যান। তো তিনি যখন লিওনার্দো ডা ভিঞ্চির একটি চিত্রকর্মের সামনে আসেন, ঠিক তখনই লিও তার মায়ের পেটের ভেতর থেকে পা দিয়ে লাথি মারেন। লিওর চিত্রলিল্পী বাবা এই ঘটনাকে সিরিয়াসভাবে নেন এবং এই কারনে লিওর নাম রাখেন বিশ্বখ্যাত চিত্রশিল্পী ভিঞ্চির নামানুসারে।

leonardo-dicaprio

উল্লেখযোগ্য উক্তি ও সংলাপঃ

১) অভিনয়ের সবচেয়ে ভাল দিক হচ্ছে, আমাকে অন্য চরিত্রের মাঝে হারিয়ে যেতে হয় এবং তার কারনে আমি পারিশ্রমিকও পাই। আমার যেটা হয়, সেটা হচ্ছে আমি নিজেই নিম্চিত না যে আমি আসলে কে? আমার তো মনে হয় আমি প্রতিদিন বদলাই। (The best thing about acting is that I get to lose myself in another character and actually get paid for it. It’s a great outlet. As for myself, I’m not sure who I am. It seems that I change every day.)

২) লোকে চায় তুমি পাগল হও, লাগামছাড়া ক্ষ্যাপাটে ছোকড়া হও, তারা চায় তুমি তাদের মতই অপদাথ হও। তারা চায় না তুমি নায়ক হও, তারা শুধু তোমার পতনটাই দেখতে চায়। (People want you to be a crazy, out-of-control teen brat. They want you miserable, just like them. They don’t want heroes; what they want is to see you fall.)

৩) আমার মধ্যে আসলে তেমন কোন অতিরঞ্জন নেই। আমার কোন ব্যক্তিগত বিমান নাই, আমার কোন দেহরক্ষীও নাই। আর আমি কোন আলতু ফালতু জিনিসও কিনি না। আমি শুধূ অত্যন্ত দামী একটা ঘড়ি কিনেছি, আর আমি সত্যিকার অর্থেই দামী একটা মুভি পোষ্টার কিনবো। দ্য থিফ অব বাগদাদ (১৯৪০) এর আসল পোষ্টার। আমি মুভি পোষ্টার ভালবাসি। (I don’t really have many extravagances. I don’t fly private jets and I don’t have bodyguards and I don’t buy crazy things. I have a couple of houses here and there. I bought a very expensive watch, and I am going to buy a really expensive movie poster, the original for The Thief of Bagdad (1940). I love movie posters.)

৪) হ্যা, আমি আমার বয়সের চাইতে ছোট চরিত্রে অভিনয় করতে পারি, বড় চরিত্রেও পারি। তবে আমি শিশুদের চরিত্রে অভিনয় করতে পারি না।

৫) আমি জীবনের প্রথম যে মেয়েটির সাথে ডেট করি, তার নাম ছিলো স্যাসি। পুরো গ্রীষ্ম জুড়েই তার সাথে আমার ফোনে দারুন একটা সম্পক ছিলো। তারপর একদিন আমরা সিদ্ধান্ত নিলাম যে আমরা একসাথে থিয়েটারে যাবো মুভি দেখতে। কিন্তু তাকে যখণ আমি প্রথম সামনা সামনি দেখলাম।, তখন মুটামুটি একটা ধাক্কা খেলাম। এমনকি আমি তার চোখের দিকে তাকিয়ে কথাও বলতে পারছিলাম না। (My first date was with a girl named Cessi. We’d had a beautiful relationship over the phone all summer long. Then she came, home and we met to go out for the first time to the movies. When I saw her I was petrified. I couldn’t even look her in the eye to talk to her.)

৬) আমি জানি না আমি আদৌ কোনদিন বিয়ে করবো কিনা। মনে হয় না করবো, যদি না কারো সাথে আমি ১০ বা ২০ বছর আমার একসাথে থাকা হয়। ( I don’t know if I’m ever getting married. I’m probably not going to get married unless I live with somebody for 10 or 20 years. )

৭) আমি অনেক ধরনের প্রতারনা করেছি। আসলে বাসায় বসে হোমওয়াক করা আমার দ্বারা হয় না। তবে হ্যা, আমি বসি। তবে অসম্ভব স্মাট কোন লোকের পাশে। (I cheated a lot, because I just couldn’t sit and do homework. I usually sat next to someone extremely smart.)

৮) শুটিংর ফাকেঁ যখন ব্রেক নেই, তখন প্রথম যে কাজটা আমি করি সেটা হচ্ছে সমুদ্রের পাশে সময় কাটানো। (When I’m acting and I take a break, the first thing on my list is spending time by the sea.)

৯) যখন আমি ছোট ছিলাম. তখন আমি সবকিছুই ঘুরে ফিরে দেখতে চাইতাম। আমি ভাবতাম –” পৃথিবীর প্রতিটি ইনচি না দেখে আমি কি ভাবে মারা যাবো?” (When I was young, I used to have this thing where I wanted to see everything. I used to think, “How can I die without seeing every inch of this world?”.)

১০) যে সব মেয়েরা বুদ্ধিমতী, কিছুটা রসবোধসম্পন্ন এবং দেখতে মিষ্টি ও চমৎকার ব্যকিত্বসম্পন্ন, আমি সে ধরনের মেয়েদের পছন্দ করি। (I like girls who are intelligent, somewhat funny, and pretty with a nice personality)

১১) গাঢ় সবুজ আমার প্রিয় রং। এটা প্রকৃতির রং, টাকার রং এবং শৈবালের রং। (Dark green is my favorite color. It’s the color of nature and the color of money and the color of moss!)

১২) বেশী জিনিসের প্রতি আমার কোন আবেগ নেই। আমি সহজে রাগি না, আমি সহজে কাদিঁ না, তবে আমার মনে হয় আমি খুব সহজেই উত্তেজিত হয়ে পড়ি , কিন্তু আমি মন খারাপ করি না বা প্রচন্ড খুশীও হই না। আমার মনে হয়, অনেক লোকই এই সব নিয়ে প্রচুর বলে, এবং তারা মিথ্যে বলে। এই মূহুতে আমি শুধু আমার সুখটুকু ধরে রাখার চেষ্টা করছি। আমি শুধু এই ব্যাপারটির প্রতিই মনোযোগী। , যা হোক, তুমি যখন আমার বয়সে পৌছুঁবে, আর যখণ তোমার হরমোন তোমাকে বিচলিত করে তুলবে, তখন তোমার মনে যৌনতা ছাড়া আর খুব বেশী কিছু খেলা করবে না।
(I don’t have emotions about a lot of things. I rarely get angry, I rarely cry. I guess I do get excited a lot, but I don’t get sad and enormously happy. I think a lot of people who talk about all that crap are lying. Right now I’m just trying to maintain happiness – that’s all I really care about. Anyway, when you’re my age and your hormones are kicking in, there’s not much besides sex that’s on your mind.)

১৩) আমার অন্যতম প্রিয় একটা কাজ হলো, মানুষের সাথে দেখা করে তাদেরকে অনুকরন করা। আমার খুবই ভালো লাগে এটা করতে। (One of my passions is to meet people and then imitate them. I love doing that.)

১৪) আমি এমনিতে খুব লাজুক প্রকৃতির মানুষ। কিন্তু যখন সময় আসে বণ্য হবার, তখন আমি রসিক, দুঃসাহিসক ও রহস্যময় হয়ে উঠি। (I’m shy, but when the time comes to be wild, I’m fun-loving, adventurous, and mysterious. )

১৫) যখনিই আমি কোথাও যাই, কেউ না কেউ আমার দিকে হা করে তাকিয়ে থা।কে। আমি জানি না তারা কি আমার দিকে এই কারনে তাকিয়ে থাকে যে তারা আমাকে চিনে ফেলেছে, নাকি আমাকে কিম্তুতকিমাকার দেখায়। (Everywhere I go, somebody is staring at me. I don’t know if people are staring because they recognize me or because they think I’m a weirdo.)

১৬)     Kate Winslet is one of my dearest friends. We have the ultimate trust in each other and the best of intentions for what we want to do. I knew Kate before Sam Mendes [her husband] even met her. So on the outside, it may seem strange to do a sex scene with a woman while her husband is directing. But it didn’t feel that way to me.

When the scene was about to start, Kate said, in front of the crew, “Wait, wait, this is totally weird”. She turned to both Sam and I and said, “Are you guys okay?”

We both looked at each other and said, Yeah, we’re totally fine.
She said, “It’s even weirder that you’re both totally fine”. (এইটার বাংলা একটু পরে লেখছি)

১৭) ম্যারিল স্ট্রিপের সাথে আমাকে প্রায়ই কাজ করতে হতো। তাকে দেখতাম এমন সব পোষাক পড়তে, আমার মনে হতো, এ ধরনের পোষাক নির্বাচন করার মানেটা কি? কিন্তু পরে দেখা গেলো, ষ্টেজে ঐ পোষাকের কারনে তাকে সবার চাইতে প্রাকৃতিক (ন্যাচারাল) মনে হচ্ছিলো। আমার মনে হয়, ম্যারিল স্ট্রিপ পৃথিবীর সেরা অভিনেত্রী।

১৮) এটা পোষ্টে লিখবো না ভেবেছিলাম, কিন্তু পরে ভাবলাম লিও’র বাংলাদেশী নারীকুলের একটু উপকার করি!  তাহারা শুনিয়া খুশী হ্লইবেন যে, লিও সপ্তাহে মাত্র ২ দিন গোসল করে। আর কোন ধরনের পারফিউম ইউজ করেনা। কেন জানেন? কারনটা আগেই বলেছি, সে মাত্রাতিরিক্ত পরিবেশবাদী। গোসল করে নদী/সমুদ্রের পানি অপচয় করেন না। এবং পারফিউম রিসাইকেল না করলে সেটা পরিবেশের ক্ষতি করে। অনেক পারফিউম স্বাস্থ্যেও ক্ষতি করে, এবং বেশীরভাগ পারফিউমে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়।
সূত্রঃ http://goo.gl/VgHDDm

আমার প্রিয় হলিউড নায়কদের নিয়ে বেশ কয়েকমাস আগে মুটামুটি বিস্তারিত লিখেছিলাম সিরিজ আকারে। সেই সিরিজের ১১তম কিস্তি ছিলো লিওকে নিয়ে। সেখানে থেকেই লিও এর অংশটুকু নিয়ে  আলাদা করে  এই পোষ্টা লেখা হলো লিও এর জন্মদিন উপলক্ষ্যে। পুরো কিস্তি পড়তেঃ 

আমার হলিউডের প্রিয় নায়কেরা (১ম পর্ব) – http://goo.gl/DET8wh
আমার হলিউডের প্রিয় নায়কেরা (২য় পর্ব) – http://goo.gl/5TAfIo
আমার হলিউডের প্রিয় নায়কেরা (৩য় ও শেষ পর্ব) – http://goo.gl/2LNq0k

GATSBY

মুভি লাভারজ গ্রুপ      সিনেমাখোরদের আড্ডা গ্রুপ

স্বপ্নদুয়ারে রেজিষ্ট্রেশন না করেও আপনার ফেসবুক আইডি দিয়েই মন্তব্য করা যাবে। নীচের টিক চিহ্নটি উঠিয়ে কমেন্ট করলে এই পোষ্ট বা আপনার মন্তব্যটি ফেসবুকের কোথাও প্রকাশিত হবে না।

টি মন্তব্য