রবিন উইলিয়ামসঃ স্মরনীয় মুভির লিষ্ট

article-2722588-2075681B00000578-938_634x417-456x300

ছবিঃ ২০১১ সালে সিডনীতে তোলা রবিন উইলিয়ামসের একটি দৃষ্টিনন্দন ফটোগ্রাফ।

রবিনের সাথে প্রথম পরিচয় দ্য ফ্ল্যাবার মুভিতে।  তখন আমি ক্লাস এইটে পড়ি। ছোটকাকা লন্ডন থেকে ভিডিও ক্যাসেটটি নিয়ে এসে আমাকে ও আমার ছোটভাইকে উপহার দিয়েছিলেন জন্মদিনে। সাইফাইও কমেডি ঘরানার এই মুভিটি দেখে এত্ত মজা পেয়েছি যে সেটা আর বলার নয়। আমি রাতারাতি রবিনের ভক্ত হয়ে গেলাম। এরপর ধীরে ধীরে জুমানজি, দ্য বাইসেন্টিনেল ম্যান, আলাদিন, মিসেস ডাউটফায়ার দেখলাম আর ক্রেমেই মুগ্ধ হতে লাগলাম। কিন্তু দ্য ফ্ল্যাবার দেখার পর তাকেঁ ঘিরে যে মুগ্ধতা তৈরী হয়েছিলো সেটার রেশ আমার আজো কাটেনি, কখনো কাটবে বলেও মনে হয় না। ছোটবেলায় দেখা সেই মুভিটার প্রভাব আমার জীবনে আজীবন থেকে যাবে মনে হয়। তো কয়েক বছর আগে হঠাৎ সিন্ধান্ত নিলাম আমার অন্যতম প্রিয় এই অভিনেতার সবগুলো মুভি আমার কালেকশনে রেখে দিবো।

আমি ডাউনলোড করা শুরু করলাম – RV, The Fisher King, Good Well Hunting, What Dreams May Come, One Hour Photo, Old Dogs, The Awakenings, Jack, The Final Cut, World’s Greatest Dad, FernGully: The Last Rainforest, Insomnia আর Good Morning, Vietnam. আমার কালেকশানে এই মুভিগুলো এখনো আছে এবং সবগুলো এখনো দেখে শেষ করতে পারিনি।

( ফ্লাবার মুভিটি আইএমডিবিতে দেখতে ক্লিক করুন)

পোষ্টের শুরুতে এমনভাবে হলিউডের ইতিহাসের অন্যতম সেরা এই অভিনেতার নামটি উল্লেখ করলাম, যেন সে আমার এক দোস্ত-বন্ধু। আসলেই মনে হয় তাই, কারন ১৭ বছর আগে যখন ফ্ল্যাবার প্রথম দেখলাম, তখন থেকেই মনে হতো যে রবিন আসলে আমার একজন বন্ধু, যার বোকা বোকা চেহারাটা দেখেই হাসি পায়। তারঁ কাচুমাচু হয়ে থাকা উদ্ভট ও ছেলেমানুষী অভিনয় দেখে বড়রা তো বটেই, ছোট শিশুরাও অসম্ভব আনন্দ পেতো। এবং এটা জানা কথা যে, অভিনয় দিয়ে শিশুদের মন জয় করা, মোটেই কোন সহজ কাজ না। আমার মাঝে মাঝে মনে হয় যে, তিনি আসলে ছিলেন ছোটদের প্রিয় অভিনেতা, একজন কৌতুক অভিনেতা। তাকে মাঝে মাঝে জোর করে বা পেটের তাগিদে বড়দের মুভিতে অভিনয় করানো হয়েছে এবং বলা বাহুল্য, সেখানেও তিনি অসামন্য ভূমিকা রেখেছেন।

রবিন উইলিয়ামসের বর্ণাঢ্যময় অভিনয় জীবনের ১৯ টি স্মরনীয় মুভিঃ

১) Popeye (1980): মনে আছে, আমাদের সবার ছোটবেলার সেই বিখ্যাত নাবিক পপাই দ্য সেইলর ম্যান কার্টুনের কথা? অল টাইম মুখে পাইপ আটাঁ এই নাবিক শাকপাতা খেলেই যার কিনা শক্তি হয়ে যেতো অপার। সে সময়কার শিশুদের শাক সবজি খাওয়াতে উৎসাহ দিতেই নাকি কাটুনটি বানানো হয়েছিলো তো এই চরিত্রেটি মুভি বানানো হলো ৮০ সালে, রবিনকে কেন্দ্রীয় চরিত্র করে। মুভিটি খুব একটা হিট করতে পারেনি বক্স অপিস।

২) The World According to Garp (1982): এর দুবছর পরই রবিন নিজেকে সিরিয়াস অভিনেতা প্রমান করার জন্য এই মুভিতে কাজ করেন। যথারীতি এটাও ফ্লপ খায় কিন্তু রবিন তার অভিনেতার জন্য ব্যাপক প্রশংসিত হন।

৩) Moscow on the Hudson (1984): রবিনের জীবনের প্রথম কমেডি মুভি খুব সম্ভব এটাই। একজন রাশান ইমিগ্রান্ট নিউ ইয়র্ক সিটিতে টিকে থাকার জন্য সংগ্রাম করে যাচ্ছে – এই নিয়েই মুভিতে। রাশান উচ্চারনে তার চরিত্রটি ছিলো খুবই কঠিন। মুভিটি প্রচুর দর্শক প্রিয়তা পেলো আর রবিন তাঁর মাঝবয়সে নিজের অভিনয় প্রতিভা আরো একবার প্রমান করে দিলেন।

৪) Good Morning, Vietnam (1987): খুবই বিখ্যাত একটা মুভি। বলা যায়, এই মুভির মাধ্যমে রবিনের গোটা অভিনয় ক্যারিয়ার রাতারাতি বদলে যায়। এই মুভিটি চার চারটা অস্কার নমিনেশন পায়। রবিনের জীবনে আরো মুভি এতগুলা অস্কার নমিনেশন পায়নি। ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময় আমেরিকান সৈন্যদের মনোরঞ্জন করার জন্য তাকে ডিসকো জকি হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয় একটা রেডিও চ্যানেলে – এই নিয়ে মুভির কাহিনী।

৫) Dead Poets Society (1989): রবিনের জীবনের আরেকটি মুভি যেখানে তুখোড় অভিনয় দিয়ে দর্শক মাতিয়েছেন। এতটাই যে তিনি ২য় বারের মতো অস্কার নমিনেশন পান।

৬) Cadillac Man (1990): খুবই মজাদার একটি মুভি। যেখানে তার চরিত্র থাকে বাচাল একজন গাড়ি বিক্রেতার। কমেডি থেকে হুট করে মুভি মোড় নেয় একশন মুভিতে। যেখানে তার বাচালগিরি দিয়ে একটা ক্ষ্যাপা বন্দুকধারীকে থামতে হয়, তার শর্ত হলো, তার স্ত্রীকে স্বীকার করাতে হবে যে মহিলাটি পরকীয়ায় জড়িত।

৭) Awakenings (1990): রবিন অভিনীত আরেকটি দুর্দান্ত মুভি। এথানে তিনি একজন নিউরোলজিষ্টের চরিত্রে অভিনয় করেন যেখানে তিনি একটা ওষুধ নিয়ে গবেষনা করে আলোচিত হন যে ওষুধ বিশেষ এক ধরনের প্রতিবন্ধী ও মানসিক ভারসাম্যহীনদের নতুন করে জীবনদানে সহায়তা করে। এই চরিত্রের জন্য রবিন Golden Globe নমিনেশন পান।

৮) The Fisher King (1991): একই সাথে ফ্যান্টাসি ও অপরাধ ঘরানার মুভি। মুভিতে একজন হোমলেসের চরিত্রে অভিনয় করেন রবিন।

৯) Hook (1991): বিশ্বখ্যাত রুপকথা পিটার প্যানের কাহিনী নিয়ে টিটিউলার ইম্প চরিত্রে অভিনয় করেন রবিন। এই মুভির পরিচালক ছিলেন অন্যতম প্রিয় পরিচালক স্টিভেন স্পিলবার্গ। মুভির বাজেট ছিলো প্রায় আকাশ চুম্বী। এই মুভিতেই প্রথম রবিনকে একই সাথে কমেডি ও কোমল-নরম মনের আবেগী মানুষ হিসেবে দেখা যায় যে ধরনের চরিত্রটিতে আমরা তাকেঁ গত দেড় দশক ধরে দেখে এসেছি।

১০) Aladdin (1992): ডিজনী স্টুডিওর বানানো এই এনিমেটেড মিউজিক্যাল মুভিতে রবিন তারঁ আমুদে কন্ঠস্বর প্রদান করেন আলাদিন চরিত্রে।

১১) Mrs. Doubtfire (1993): আরেকটি দুর্দান্ত হাসির মুভি। একই সাথে রিবন একজন পুরুষ ও একজন বৃদ্ধার চরিত্রে অভিনয় করেন এই মুভিতে। প্রবল জনপ্রিয়তার কারনে পরবর্তীতে এটার সিকুয়েলও করা হয়েছিলো।

১২) Being Human (1994): মিসেস ডাউটফায়ারের সফলতা তিনি এই মুভিতেও ধরে রাখেন। এখানে তার চরিত্র ছিলো খুবই অস্বাভাবিক। একজন নবজন্মলাভকারী মানুষ যে কিনা পদব্রজে একটি পুরনো সময় থেকে বর্তমান আধুনিক নিউ ইয়র্ক শহরে এসে আস্তানা গাড়েন। মজার ব্যাপার হলো, এ ধরনের চরিত্রে তিনি তারঁ সমগ্র জীবনে অভিনয় করেছেন আর দুটি মুভিতে। Good Will hunting এবং Insomnia তে।

১৩) The Birdcage (1996): মুভিতে তিনি একজন সমকামী নাইট ক্লাবের মালিক চরিত্রে অভিনয় করেন। এখানে তাকে উদ্ভট ও হাস্যকর ধরনের পোষাক পড়ে অভিনয় করতে হয়।

১৪) Good Will Hunting (1997): রবিনের জীবনের একমাত্র মুভি যেটা তাকে ’সর্বশ্রেষ্ঠ অফিসিয়াল সফলতা’ এনে দেয়। এই মুভির ফিজিওলজিষ্ট চরিত্রে জন্য তিনি তাঁর জীবনের প্রথম এবং একমাত্র অস্কার পুরস্কার পান। এবং বলা বাহুল্য, এটা ছিলো তার চতুর্থ অস্কার নমিনেশন! মুভিতে অভিনয় করেন এখনকার অন্যতম ডাকসাইটে অভিনেতা ম্যাট ড্যামন, এটা তার ক্যারিয়ারের শুরুর দিককার মুভি।

১৫) Patch Adams (1998): এই মুভিতি আদতে রবিনের জন্য একটু বিব্রতকর। প্রচুর নেগেটিভ রিভিউ হয়েছে এই মুভির। সবাই রবিনকে ছি ছি করেছে এই মুভিতে কমেডি চরিত্রে অভিনয় করার জন্য কারন বাস্তব জীবনে পেচ এডাম মোটেই কোন ফানি চরিত্র ছিলো না। আমেরিকার বিখ্যাত মুভি সমালোচক ও সাংবাদিক Roger Ebert এই মুভিটির ব্যাপারে বলেছিলেন – I just hate that movie. তবে ব্যক্তিগতভাবে মুভিটি আমার কাছে বেশ টাচি মনে হয়েছে।

১৬) One Hour Photo (2002): এই মুভিতে তাকে দেখা যায় একজন ফটো টেকনিশিয়ানের ভূমিকায় যে কিনা একটি মফস্বল পরিবারের সাথে খুবই অস্বাস্থ্যকর ও চরম মাত্রার আবেগী সম্পর্ক গড়ে তোলে। মুভিটি প্রচন্ড দর্শকপ্রিয়তা পায়।

১৭) Insomnia (2002): স্মরনকালের অত্যতম সেরা মুভি পরিচালক ক্রিস্টোফার নোলানের বিখ্যাত মুভি। (আদতে ১৯৯৭ সালের নরয়েইজিয়ার একটি মুভির রিমেক এটি।) রবিনের সাথে এখানে অভিনয় করেন আরেক বস অভিনেতা এল পাচিনো। এখানে রবিনের চরিত্র থাকে একজন ক্রাইম রিপোর্টার হিসেবে।

১৮) Night at the Museum (2006): নতুন প্রজম্মের শিশুদের জন্য বানানো এই মুভিতে তাকেঁ দেখা যায় জাদুঘরের একজন ইতিহাসখ্যাত ঘোরসওয়ার হিসেবে।

১৯) ‘Lee Daniels’ The Butler (2013): মুভিতে তাকেঁ President Dwight D. Eisenhower চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যায়। এখানে তার মুখাবয়বে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয় চরিত্রের প্রয়োজনে।

এই পযন্ত ছিলো ইয়াহু মুভিজের সৌজন্যে। কিন্তু আমি ব্যক্তিগতভাবে আরো কিছু মুভি সাজেষ্ট করবো যেগুলোও ছিলো রবিনের সেরা।

২০) The Adventures of Baron Munchausen (১৯৮৮): কমেডি, ফ্যান্টাসি আর এডভেনচার ঘরানার মুভি। আইএমডিবি রেটিং ৭.২ রেটিং দিয়েছেন ৩৫ হাজারের অধিক লোক।

২১) World’s Greatest Dad (2009): একই সাথে কমেডি এবং সিরিয়াস ঘরানার মুভি। নিজের পুত্র সন্তানের লাশ পাবার পর একজন হাই স্কুল শিক্ষক নিজেই তার তদন্তে নামেন এবং মিডিয়াকে সত্য প্রকাশ করে অবাক করে দেন – মুটামুটি এইরকম কাহিনী নিয়ে বানানো মুভি। বাবা ও শিক্ষক চরিত্রে অভিনয় করেন রবিন। রেটিং ৭। ভোটার ২৪ হাজার।

২২) What Dreams May Come (1998): অসাধারন একটু মুভি। এ মাষ্ট ওয়াচ মুভি। রবিনের সেরা মুভির তালিকায় এই মুভিকে না রাখা শুধূ ভুল নয়, অপরাধ। রোড একসিডেন্টে মারা যাবার পর রবিন তারঁ স্ত্রীকে পরলোকে খুজেঁ বেড়ায় – এই রকম কাহিনী নিয়ে বানানো মুভি। রেটিং ৭। ভোটার ৭০ হাজার।

২৩) Jumanji (1995): এ্যাডভেনচার, ফ্যামিলি ও ফ্যান্টাসি ঘরানার বিখ্যাত একটা মুভি। ছোটবেলায় দ্য ফ্লাবার দেখার পর পরই এই মুভিটি দেখেছিলাম। যথারীতি অসম্ভব ভালো লেগেছিলো। আদ্যোপান্ত একটা শিশুতোষ মুভি। কিন্তু বড়দেরও প্রচন্ড ভালো লাগবে এটা বাজী ধরে বলা যায়। ১৯৯৫ সালে এইরকম ভিএফএক্স ব্যবহার করা হয়েছে হলিউডের মুভিতে, আশ্চয হতে হয়। [অবশ্য আশির দশকে নির্মিত টারমিনেটর মুভির ভিএফএক্স আরো আশ্চর্যকর।] রেটিং ৬.৮। ভোটার প্রায় দেড় লাখ।

২৪) Jack (1996) : একটা এজিং ডিসঅরডারওয়ালা শিশু যে কিনা আর দশটা স্বাভাবিক শিশুর তুলনায় ৪ গুন বেশী দ্রুত বড় হয়। তাই সে যখন ক্লাস ফাইভে উঠে তখন তাকে দেখায় ৪০ বছর বয়স্ক একজন লোক। এমনই চরিত্রে অভিনয় করেছেন রবিন। এক কথায় অসাম একটা কমেডি মুভি।

২৫) Bicentennial Man (1999): সাইফাই ও ফ্যান্টাসি ঘরানার এই মুভিতে রবিন একটি রোবোটিক চরিত্রে অভিনয় করেন যে কিনা আস্তো আস্তে মানব অনুভূতিগুলোকে এডক্ট করতে থাকেন।

২৬) RV: Runaway Vacation (2006) : পরিবারের সবাইকে নিয়ে দেখার মতো একটা কমেডি মুভি। কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেন রবিন। সে ও আর পরিবার একটা আরভি ভাড়ার করে রোড ট্রিপে যায় যেখানে একদল উদ্ভট মানুষদের সাথে উদ্ভট প্রতিযোগীতায় অবতীর্ণ হতে হয় তাকে।

২৭) Old Dogs (2009): দ্বৈত ক্রেন্দীয় চরিত্রে রবিনের সাথে অভিনয় করেছেন জনপ্রিয় একশন অভিনেতা জন ট্রাভোল্টা। জন আর রবিন দুজন বন্ধু এবং ব্যবসায়িক পার্টনার। কিন্তু ভাগ্যের ফেড়ে পড়ে দুইটা ৭ বছর বয়সী জমজ শয়তাননকে, থুক্কু সন্তানকে বেবি সিটিং করতে হয় তাদের। জীবন অতিষ্ট হয়ে যায় তাদের। সেইরাম কমেডি মুভি।

২৮) The Angriest Man in Brooklyn (2014) : মাত্র তিন মাস আগে মুক্তি পাওয়া এটাই কি রবিনের অভিনয় জীবনের সর্বশেষ মুভি ছিলো?

২৯) Flubber (1997):  আমার দেখা রবিনের সেরা শিশুতোষ মুভি। কমেডি ও সাই ফাই ঘরানার। যদিও রেটিং খুব কম তবু এটা আমার অত্যধিক প্রিয় একটা মুভি। একজন আত্নভোলা বিজ্ঞানী একটা অদ্ভুত ও উদ্ভট জেলির মতো একটা পদার্থ আবিস্কার করে, সেটা নিয়েই ঘটে মজার মজার সব কাহিনী।

সবগুলো মুভিই টরেন্ট সাইটগুলোতে খুজেঁ পাবেন। ২৮ টির ভিতর আমার কালেকশানে আছে ১৫টির মতো। বাকীগুলো আমারও নামাতে হবে।

আমার কৈশোর বেলার এই হিরোর আকস্মিক মৃত্যুতে আমি ব্যক্তিগতভাবে খুবই শকড। এই মহান ও অসামান্য প্রতিভাধর অভিনেতার প্রয়ানে তারঁ প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি।

শান্তিতে ঘুমান প্রিয় রবিন উইলিয়ামস।

স্বপ্নদুয়ারে রেজিষ্ট্রেশন না করেও আপনার ফেসবুক আইডি দিয়েই মন্তব্য করা যাবে। নীচের টিক চিহ্নটি উঠিয়ে কমেন্ট করলে এই পোষ্ট বা আপনার মন্তব্যটি ফেসবুকের কোথাও প্রকাশিত হবে না।

টি মন্তব্য