বাস্তবিক কল্পনা…(মায়াবতী হ্যাপিলি এভার আফটার)

3091240165_e010d83e04_b

– কেমন আছো প্রলয়?
– আমার খোজঁ পেলে কি করে?
– ইন্টারনেটে।
– কিভাবে?
– খুব সোজা। গুগলিং করতেই তোমার সোশাল নেটওয়ার্কিং সাইটগুলোতে যতগুলো এ্যাকাউন্ট ছিলো, সবগুলোর ঠিকানা পেয়ে গেছি,
-“তারপর?”- আমার গলা থেকে নার্ভাসনেসটাকে কাটাতে পারলাম না।
-“তারপর আর কি? সেখানকার একটা এ্যাকাউন্ট থেকে তোমার মেইল আই ডি নিয়ে তোমাকে মেইল করলাম। দেখছো, আমার কত বুদ্ধি! “

চোখের উপর চলে আসা কপালের একগাছি লালচে-সোনালি চুল সরাতে সরাতে বল্লা তনুষা। ওর ধবধবে ফর্সা গালে বিকেলের সোনারোদ খেলা করছে।

– ‘ও আচ্ছা’ – আমি আর কিছু বল্লাম না। একটা সময় ছিলো যখন মনে প্রানে চাইতাম ওর সাথে আবার দেখা হোক। কত চেষ্টা করেছি। পারিনি। অথচ আজ, বিনা শ্রমে সেই চাওয়াটা পূরন হওয়াতেই যেন কেমন একটা হকচকিয়ে গেছি।

– অনলাইনে নিজেকে ছড়িয়ে দিয়ে ভালই করেছো। নতুবা তোমাকে খুজেঁ বের করা এতটা সহজ হতো না।
– হুমম।
– ‘তুমি এত অল্প কথায় উত্তর দিচ্ছো কেন?’- ও খুব অবাক হয়ে আমার দিকে তাকাল। একদম সরাসরি।
– বলার মত আর তো কিছু পাচ্ছি না।
– অথচ একটা সময় ছিলো, এই তুমি বকবক করে করে আমার মাধা ধরিয়ে দিতে।

আমি মাথা নিচু করে রইলাম। কিছু বল্লাম না।

– প্রলয়…
– উমম..
– অনেক বদলে গেছো তুমি…
– তাই নাকি?
– হুমম।
– অনেক দিন পর দেখছো তো, এইজন্য এমন লাগছে।
– অনেক শুকিয়ে গেছো, আর লম্বা হয়েছো মনে হয় খানিকটা তাই না?
– কি জানি! –আমি উদাস গলায় বল্লাম।
– ‘তোমার ঠোটেরঁ তিলটা কি এখনও আছে? দেখি তো’- বলে ও একদম আমার গা ঘেষেঁ দাড়াঁলো। আমি তাই একটু সরে দাঁড়ালাম। ও সেটা বুঝতে পেরে প্রসঙ্গ বদলাবার জন্য ইতস্ততঃ করে বল্ল-

– ‘চুল এত বড় রেখোছো কেন? বাউল বাউল লাগছে।’- বলেই হো হো করে হেসে উঠল তনুষা। আমি শুধু মুচকি হাসলাম।
– ’খুশকি নেই এখন?’ খুব সুন্দর করে তাকালো ও। কি সুন্দর লাগছে তনুকে। বিয়ের পর আরো সুন্দর হয়ে গেছে ও। আমার চুলের খুশকির কথা, ঠোটেঁর তিলের কথা, তার এখনো মনে আছে।

– তুমিও কিন্তু অনেক বদলেছো! – আমি নিচু স্বরে বল্লাম।
– কিরকম?— চোখে মুখে ওর দুষ্টুমির আভাস দেখতে পেলাম।
– এই যেমন আগে তুমি অনেক চুপচাপ থাকতে সবসময়। এখন অনেক কথা বলো। আগে তুমি চুল বেধেঁ বাইরে বের হতে। এখন চুল খোলা রেখে। আগে সালোয়ার কামিজ নতুবা টি শার্ট-জিনস নতুবা স্কার্ট আর টপস পরতে ভালবাসতে। এখন পুরোদস্তুর শাড়ি। আগে চশমা পড়তে না । এখন পড়ো। আগে তোমাকে একটি বিষন্ন মেয়ে বলে মনে হতো। এখন মনে হয় একজন সংসারী নারী।

ও শব্দ করে হাসতে শুরু করল। হাসতে হাসতে বল্ল– “বাব বাহ। স্যারের চোখের পাওয়ার বেড়েছে মনে হচ্ছে! প্রলয় তুমি এত কিছু খেয়াল করতে আমার? কই কখনো তো বলো নি কিছু?”

– নাহ, দেখছো না, চশমার গ্লাসের পুরুত্ব আরো বেড়েছে। মানে চোখের পাওয়ার কমেছে।” — আবার মুচকি হাসি আমার।
– আরে তাইতো, খেয়ালই করিনি।” অবাক হয়ে বল্ল ও- “এখন কত?”
– ডানপাশেরটা মাইনাস ৫, বামপাশেরটা মাইনাস ৩।
– সর্বনাশ! তোমার তো অন্ধ হতে বেশী দেরী নেই!!– আতংকিত স্বরে বল্ল ও।
– তা হয়তো নেই। – আমি প্রায় অট্টহাসি দিলাম।
– “যাক, শেষ পর্যন্ত হাসলে তাহলে।” গম্ভীর স্বরে বল্ল ও। “কতদিন পর তোমার হাসি শুনছি জানো, প্রলয়?
– কয়েক বছর তো হবেই।
– পুরো অংকটা বলছি। ৫ বছর ৩ মাস ১৯ দিন।
– তুমি কি খাতা কলমে হিসাব কষে বলছ নাকি?
– তোমার সাথে আমার কবে, কখন, কোথায়, কত দিন আগে, শেষ কি কথা হয়েছে, আমি সব বলে দিতে পারব।
– খাইছে আমারে।
– ৫ বছর অনেক দীর্ঘ সময়, তাই না প্রলয়?

আমি শুধু একটা নিশ্বাস ফেল্লাম। এবারও কিছু বল্লাম না।

– তোমার মনে আছে প্রলয়, তোমার ডায়রি থেকে একটা পাতা ছিড়েঁ আমাকে দিয়েছিলে। তোমার কবিতার একটা খসড়া।
– হুমম মনে আছে।
– এখনও আগলে রেখেছি ওটা। পরে ওটা লেমিনেটিং করে নিয়েছিলাম যাতে করে আমার চোখে জলে ভিজে গিয়ে নষ্ট না হয়ে যায়।”- খুব আনমনে, আস্তে আস্তে বল্ল তনুষা।

ভোর হয়ে গেছে। খুব ঘুম পাচ্ছে। বাকিটা কাল লিখব।

…হয়তো…

——————————————–
(আপডেটঃ বাকী অংশ – ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৭ ইং)
——————————————–

– একটা প্রশ্ন করি, প্রলয়?
– করো।
– তুমি কি আমাকে এখনও ভালবাসো?
– এই প্রশ্নটা এখন খুব হাস্যকর তনুষা।
– আমি তোমাকে অনেক বোঝার চেষ্টা করেছিলাম, পারিনি।
– তুমি পেরেছিলে। কিন্তু সবসময় সেটাকে জোর করে অস্বীকার করে এসেছো।
– ‘আমার সমন্ধে তোমার এই ধারনা ছিলো এতদিন?’- ওর স্বরে প্রচন্ড বিস্ময়।
– হুমম। অবশ্য এ ছাড়া তোমার আর কোন উপায়ও ছিলো না। আমি জানি।
– আমি অনেক চেষ্টা করেছি প্রলয়। বাবাকে অসংখ্যবার বুঝিয়েছি। আর আমাদের বয়স তখন এত কম ছিলো…একা একা যে বিয়ে করব, সে সাহসটুকুও ছিলো না। অন্তত আমার ছিলো না। পরে এই না থাকা সাহসটুকুর জন্য নিজের কতবার যে ধিক্কার দিয়েছি!
– তুমি আমাকে কখনো বলেছো তোমার ভালবাসার কথা?
– ভয় পেয়েছিলাম খুব। তুমি যদি ফিরিয়ে দাও। তাই বলিনি। কিন্তু তুমিও তো বলোনি।
– বলিনি কেন বুঝতে পারোনি এতদিনেও?
– হ্যাঁ, পেরেছি। তাইতো আরো বেশী কষ্ট পেয়েছিলাম। আসলে, আমি প্রথমে বুঝতেই পারিনি তোমাকে এতটা ভালবেসে ফেলেছিলাম। যখন বুঝতে পারলাম, তখন আর কিছুই করার ছিলো না।
– তোমাকে পাবার চিন্তা করাটা আমার জন্য ছিলো নিতান্তই বিলাসীতা। অসম্ভব একটা বিলাসিতা। আকাশ কুসুম বিলাসীতা।
– আমরা তো দুজন দুজনকে প্রচন্ড ভালবেসেছিলাম, তাই না প্রলয়?
– হুমম।
– এখনও বাসি, তাই না প্রলয়?
– আমি এখন উঠব তনুষা। একটু তাড়া আছে।
– তুমি অনেক বাস্তববাদী হয়ে গেছো প্রলয়।
– হ্যাঁ, এটা ঠিক বলেছো।
– অথচ একটা সময় তুমি ঘন ঘন কল্পনায় বিভোর হতে! আমাকেও বিভোর করে দিতে!…তোমার একটা কবিতা পড়ে এতটাই সারপ্রাইজড হয়ে গিয়েছিলাম যে পুরোটাই মুখস্ত করে ফেলেছিলাম। পরে তুমি ওটা তোমার ডায়রি থেকে ছিড়েঁ আমাকে দিয়ে দিলে।
– দিয়েছিলাম নাকি? কি জানি! আমার অতকিছু মনে নেই এখন আর।
– আমি চলে যাবার পর অনেকদিন পর্যন্ত তুমি গিটার বাজাতে পারোনি, তাই না প্রলয়?
– হ্যাঁ। ১ বছর। । পুরোপুরি বাজাতে শুরু করি আড়াই বছর পর।
– তুমি একবার পাগলামি করে ব্যাঙ্গালোর চলে যেতে চেয়েছিলে, তাইনা?
– হ্যাঁ, বেনাপোল বর্ডারে বি এস এফ সোলজাররা আমাকে আটকে দেয়। ঢাকায় ফিরে আসি।
– নানাবাড়ি যাবার পর তোমার কথা এত বেশী মনে পড়তো যে, নিজেকে প্রায়ই মানসিক রোগী মনে হতো। অনেক সময় আমার আচরনও নাকি সেরকম ছিলো। প্রতি সন্ধ্যায় পূজো দেবার সময় ভগবানকে শুধু বলতাম- ”হয় আমাদেরকে আবার এক করে দিন নতু্বা দুজনকেই দুজনার কথা ভুলিয়ে দিন।” আমার প্রার্থনা সে গ্রহণ করেনি।
– তিনি যা করেন, ভালোর জন্যই করেন’ – এত আস্তে কথাটা বল্লাম যে নিজেই শুনতে পেলাম না যেন।
– আমার নাম যদি তনুশ্রী দত্ত তনুষা না হয়ে তনুষা হাসান বা তনুষা ইসলাম হতো, তাহলে কি আমাদের বিয়েটা হতো, প্রলয়?
– আমি জানি না, তনু। বাদ দাও এসব কথা।

এরপর দু জন অনেকক্ষন চুপ। মাঝে মাঝে নিস্তদ্ধতা অসহ্য মনে হয়। তাই নিরবতা ভাঙ্গতে বল্লাম –

– তোমার স্বামী-সন্তান কেমন আছে? তোমার বাবা-মা?
– বিয়েতে আমার কোন মত ছিলো না, তুমি তো জানো। বিয়ের পর ঐ লোকটার সাথে আমি ৬ মাস কথা বলিনি। এমনকি আজো তাকে আমার স্বামী বলে মানতে পারি না। বিয়ের আগের রাতে তিন কৌটা এসপিরিন খেয়ে ৫ দিন হাসপাতালে ছিলাম। ৩ টা কৌটাতে থাকে ৯০ টা ট্যাবলেট। আমার বয়সী একটা মেয়ের জন্য এটা লিথাল ডোজ ছিলো। আমি জানতাম খাওয়ার ৩ ঘন্টার মধ্যে মৃত্যু নিশ্চিত। কিন্তু ডায়ালোসিস করাতে টিকে গেলাম। প্রথম চেষ্টা ব্যর্থ হলো বলে হাসপাতালের বেডে শুয়ে কাটা চামচ দিয়ে হাতের রগ কেটে রক্তক্ষরনে নিজেকে শেষ করতে চেয়েছি, সেটাও হয়নি। শেষ মূহুর্তে ৭ ব্যাগ রক্ত দিয়ে বাচিঁয়ে তোলা হয়। বিয়ে পেছানো হলো ২ সপ্তাহ। হাসপাতাল থেকে বাসায় ফেরার ৩ দিন পর চুপিচুপি এক সন্ধ্যায় বাসার ছাদে উঠে গেলাম….

– ’তনু ষ্টপ। আমি আর শুনতে চাচ্ছি না । প্লিজ থামো!’ – প্রায় ধমকে উঠলাম আমি। কিন্তু ওর তাতে কোন ভাবান্তর হলো না। সে উদাস হয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে কথা বলে যাচ্ছে। ওর চোখের দিকে তাকিয়ে দেখি সেখানে অশ্রু চিকচিক করছে। ওর গলা ধরে এলো একটা সময়..

– আত্নহত্যা করার সাহস কোনদিনো ছিলো না। কিন্তু অবাক কান্ড, ঠিক সেই সন্ধ্যায় আমি প্রচন্ডরকম অকুতোভয় হয়ে গেলাম। কোথেকে যে প্রচন্ড সাহস আমার উপর ভর করলো, নিজেও জানি না। চোখের পলকে ছাদের রেলিংএর উপর উঠে লাফ দিলাম। আমার ভাগ্য! কনষ্ট্রাকশানের জন্য ফুটপাতের উপর রাখা এক ঢিবি বালুর উপর গিয়ে পড়লাম। এবারও বেচেঁ গেলাম। কিন্তু গোড়ালির হাড়ঁটা ভেঙ্গে গেলো। বছরখানেক খুড়িঁয়ে চলার পর সেটা স্বাভাবিক হলো।

– আমাকে এসব কথা শোনাচ্ছ কেন?
– বিয়ের বিরুদ্ধে কিছু করার ক্ষমতা আমার ছিলো না। শুধূ একটা ক্ষমতাই ছিলো, সেটা হচ্ছে সুইসাইড করা। আমি যে সেই ক্ষমতাটারই পরিপূর্ণ স্বদ্যবহার করার চেষ্টা করেছি, সেটা তোমার জানা উচিত বলে মনে হয়েছে। এই জন্য শোনাচ্ছি।

– আমার এসব শুনতে একটুও ভালো লাগছে না। প্রচন্ড অপরাধী মনে হচ্ছে। যদি সত্যিই তোমার কিছু একটা হয়ে যেতো, নিজেকে কখনো ক্ষমা করতে পারতাম না।

– ‘জানো প্রলয়? ৬ তলা থেকে নীচে পড়ার সময় তোমার মুখটা ভেসে উঠেছিলো শুধু। বাবা, মা, দাদা-বৌদি, কেউ না। শুধু তোমার মুখটা আমি স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছিলাম প্রলয়।’ – আর আটকে রাখতে পারলো না মেয়েটা। দু হাতে মুখ ঢেকে ঝরঝর করে কেদেঁ দিলো। আমি বিব্রত হয়ে এদিক ওদিক তাকাতে লাগলাম। কি করা উচিত, চিন্তা করছিলাম। আমার কি এখন তনুষাকে জড়িয়ে ধরা উচিত? জড়িয়ে ধরে স্বান্তনা দেয়া উচিত? কিন্তু তা কি করে হয়, ও তো এখন অন্য মানুষ। ওর নিজের একটা সংসার আছে। অন্য একজন ওর স্বামী। কিশোর বয়সের বটতলার কিলবিল করা ঝাড়ের নীচে সাদা চুড়িদার পড়া ছটফটে তনুষা আর সে নয়। যত কষ্টেই সে কাদুঁক না কেন, পাবলিক প্লেসে তাকে জড়িয়ে ধরার ছেলেমানুষী পাগলামি আমার করা সাজে না। তাছাড়া, আমি কাউকে স্বান্তনা দিতে পারি না। ও কাজটাতে ভীষন রকমের অপটু আমি।

আমি বরং ওর কাধেঁ আলতো করে হাত রাখলাম। সাথে সাথেই একটা কান্ড ঘটে গেলো। সে আমার উপর প্রায় ঝাপিঁয়ে পড়ে আমাকে বুকে জড়িয়ে ধরলো। যেন আমার ম্পর্শ পাবার অপেক্ষাতেই সে ছিলো এতক্ষন। ঘটনার আকস্মিকতায় আমি এতটাই হতবিহ্বল হয়ে পড়লাম যে, আমার যে ওকে ছাড়ানো উচিত বা উল্টো জড়িয়ে ধরা উচিত দু হাত দিয়ে, সে দুটোর কোনটাই করলাম না। আমি চুপচাপ বসে রইলাম কংক্রিটের বেঞ্চিতে।

তনুশ্রীর চুল থেকে দামী কন্ডিশনারের কড়া সুঘ্রান ভেসে আসছে। ওর জামা থেকে আলমারির সদ্য বের করা নতুন কাপড়ের ঘ্রান। মাঝে মাঝে সেটা ছাপিয়ে মেয়েলী ডিওডোরেন্টের হালকা সুবাস। ও আমার এত কাছে যে আমি ওর নিঃশ্বাস আমার গলার কাছটায় টের পাচ্ছি। ওর ফুপিয়েঁ কেদেঁ ওঠার দমকে আমিও ওর সাথে সাথে কাপছিঁ। ওর চোখের পানিতে আমার শার্টের কাধেঁর অংশটুকু ক্রমেই ভিজে যাচ্ছে। ও আমার এত কাছে যে আমি ওর হৃৎপিন্ডের স্পন্দন আমার বুকের মাঝে টের পাচ্ছি। দুজনের হৃৎপিন্ড যেন একই সাথে একই তালে স্পন্দিত হচ্ছে। কিশোর বেলার প্রলয় তার তনুষাকে কখনোই এতটা কাছে পায়নি। আমরা কখনো কাউকে বুকে জড়াইনি। হয়তো আর কোনদিনও জড়াবো না। এটাই প্রথম; এটাই শেষ।

তনুষা কাদঁতে কাদঁতে বল্ল – ‘I know, you no longer love me Proloy, but I can not stop myself from loving you during the past five years and never will.’

তনুষা উদভ্রান্তের মতো কাদঁছে। সেই সাথে তার দু হাতের বন্ধর আমার পিঠের উপর ক্রমেই শক্ত হচ্ছে। আমি তখন পরম মমতায় দু হাত দিয়ে আমার কান্নারতা মায়াবতীকে জড়িয়ে ধরলাম।

[গল্পের চরিত্র এবং সংলাপ সম্পূর্ণ কাল্পনিক। বাস্তব কোন ঘটনার সাথে মিলে গেলে, সবিনয়ে জানাই, সেই দায় আমার বা তনুশ্রী দত্ত তনুষার নয়।]

ফেসবুকের পোষ্টঃ

https://www.facebook.com/proloyhasan/posts/10152455056762220

স্বপ্নদুয়ারে রেজিষ্ট্রেশন না করেও আপনার ফেসবুক আইডি দিয়েই মন্তব্য করা যাবে। নীচের টিক চিহ্নটি উঠিয়ে কমেন্ট করলে এই পোষ্ট বা আপনার মন্তব্যটি ফেসবুকের কোথাও প্রকাশিত হবে না।

টি মন্তব্য