একটি আলো আমার, একটি শিখা আমার….!

DSC01266

ঠিক ৬ বছর আগে একটা স্বনামধন্য বাংলা ব্লগে এই শিরোনামে একটা পোস্ট দিয়েছিলাম। পোস্ট দেবার সময় হৃদয়ের সবটুকু আবেগ ধারন করেছিলাম আমার দেশের জন্য, যে দেশে আমার জন্ম হয়েছিলো। যে দেশের আলো বাতাসে আমি বড় হয়ে উঠেছিলাম। আজ আবার সেই একই আবেগ হৃদয়ের গহীনে টের পাচ্ছি।


বিখ্যাত ব্লগার, সাংবাদিক এবং ফ্রিলেন্স মুক্তিযুদ্ধ গবেষক অমি রহমান পিয়াল ভাইকে এক কথায় মুক্তিযুদ্ধের একটি চলমান দলিল বলা যায়। বাঙলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীনতার ইতিহাস নিয়ে অসংখ্য মূল্যবান গবেষনা তিনি করেছেন। মাস তিনেক আগে ফেসবুকে নক করে বল্লেন – বস, একটা হেল্প লাগবো। বল্লাম – কি হেল্প লাগবো বস? জবাবে একটা লিংক দিলেন। 

অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল লাইব্রেরীর ওয়েব সাইট। তাতে একটি বইয়ের নাম। এ স্যুভেনির অন দ্য ফার্স্ট এনিভার্সারি অব ভিকটরি ডে, ডিসেম্বর ১৬, ১৯৭২। বাংলা করলে দাড়াঁয় – বিজয় দিবসের প্রথম বর্ষপূতিতে একটি স্মারক ডিসেম্বর ১৬, ১৯৭২। পিয়াল ভাই বল্লেন – বইটি সে দুইবছর ধরে খুজছেঁ। শেষে পেয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় গ্রন্থাগারে। আমাকে অনুরোধ করলেন, বইটি কিভাবে পাওয়া যেতে পারে সে ব্যাপারে খোজঁ নিতে। আমি সম্মত হলাম।

পরদিন সকালে অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল লাইব্রেরীতে ফোন করে বই ধার নেবার প্রসিডিউর জানলাম। অনলাইনে মেম্বারশিপের জন্য আবেদন করলাম। ফরম ফিলাপ করতে গিয়ে দেখি আমার ড্রাইভিং লাইসেন্স নাম্বার চাচ্ছে। এদিকে সেটা রিনিউ করা হয় নাই। তাই সেটা আগে রিনিউ করলাম। তারপর আবেদন গৃহীত হলো। বলা হলো ১ সপ্তাহের ভেতর লাইব্রেরীর মেম্বারশীপ কার্ড হাতে পাবো।

মেম্বারশীপ নাম্বার নিয়ে ১ সপ্তাহ পর আবার ফোন করলাম লাইব্রেরীতে। এবার বই ধার চাইলাম। বলা হলো, বই নেবার তিনটি উপায় আছে। ১. স্বশরীরে লাইব্রেরীতে এসে নেয়া। ২. লোকাল লাইব্রেরীকে দিয়ে বই ধার করিয়ে নেয়া। ৩. সিডনী বিশ্ববিদ্যালয়ে বইটার একটা ফটোকপি আছে, সেটা নেয়া।

১ আর ৩ তখনই বাদ দিলাম। কারন, আমি থাকি সিডনীতে, আর লাইব্রেরী ক্যানবেরাতে। অনেকদূর! এতদূর যাবার মত সময়-সুযোগ নাই আমার। তখন মনে পড়লো ক্যানবেরাস্থ সমালোচিত ব্লগার, রাজাকার নিজামীর ভাতিজি আস্তমেয়ে সাদিয়ার পাতানো ভাই মাহবুব সুমনের কথা। জানতাম যে মাহবুব সুমনের সাথে আর্দশিক অবস্থানের কারনে দ্বন্ধ চলছিলো তাই পিয়াল ভাইকে বল্লাম – সুমন সাহেবকে বইটার কথা বলে দেখতে, কারন তার জন্য কাজটা আমার চাইতে অনেক বেশী সহজ। পিয়াল ভাই্ উত্তরে যা বল্লেন তাতে আমি হতভম্ব হয়ে গেলাম। পিয়াল ভাই তাকে অনুরোধ করেছিলেন এবং সুমন সাহেব শেষ মূহুর্তে এসে তার নিদারুন অর্থকষ্টের অজুহাত দেখিয়ে রণে ভংগ দিয়েছেন। সেখান থেকে ব্যর্থ হয়ে তিনি আমার কাছে সাহায্য চেয়েছেন।

যাইহোক, আমরা চাচ্ছিলাম বইটার মূল ভার্সন যাতে সেখান থেকে নিখুতঁ করে কপি করা যায়, তাই ৩নং উপায়ও বাদ।

বাকী থাকে ২ নং। আমাদের এলাকার লোকাল লাইব্রেরীতে গেলাম। সেখানে খোজঁ নিলাম, বল্ল তাদের ইন্টার লাইব্রেরী লোন সিস্টেম কিছুদিনের জন্য বন্ধ আছে! মর জ্বালা! পরের সপ্তাহে খোজ নিতে বল্ল।

ইতোমধ্যে, সিডনী বিশ্ববিদ্যালয়ে মেইল করলাম বইটার ব্যাপারে।

Hi Mrs. Raine West,

its Proloy Hasan from Kogarah. I’m doing an University assignment on Bangladesh’s Victory Day as I’m a Bangladeshi myself. This is an antic edition and its a governmental publication and It is now, of course, absolutely out of market. So, I tried to get this book elsewhere but eventually I ended up with ANL, it is now belongs to Australian National Library. I contacted them and they referred me to you. It is currently available in UWS Parramatta Campus Library (Book id: 954.92) and I’ve spoken to the librarian as well. She said me, You are the best one who can assist me in this regard and she gave me your contact number and e-mail address.

I request you, please you would be kind enough to give me access into the book , so that I can get my necessary documents. Any print out or photocopy of the book would be fine for me too. If you want, I can come over and meet you in person. Thanks very much.

Name of the Book:

Bangladesh; a souvenir on the first anniversary of Victory Day, December 16, 1972. [Board of editors: Syed Ali Ahsan, Chairman, and others

ANL online ref:

http://catalogue.nla.gov.au/Record/285472

If you need any further information, please feel to contact me via e-mail or Mobile. My Number is: 0433806624.

Thanks again Mrs. Raine. Have a g’day!

এই মেইলের রিপ্লাইতে জানতে চাওয়া হলো, বইটা আমার কেন দরকার?

Mr. Proloy Hasan,

I have found the book in our private collection. This is only available for viewing by bone fide researchers and an appointment would have to be arranged. There would be very limited opportunity for photocopying and the visit has to be overseen by a librarian.

Can you forward to us the reason for your interest and the institution you attend so that an appointment could be arranged. The collection will not be available from Friday 15th October for 3 weeks due to internal auditing procedures.

Regards,

Lorraine West

Archivist, Whitlam Prime Ministerial Library

Parramatta Campus Library

University of Sydney

Locked Bag 1797

Penrith South DC 1797 NSW Australia

Phone: +61 2 9685 9387 Fax: +61 2 9685 9198

বুঝলাম, মেইলে যে কারন উল্লেখ করেছিলাম, সেটা হয়তো তাদের জন্য যথেষ্ঠ ছিলো না! কিন্তু আর কি উত্তর দেবো? মাথায় কিছু আসলো না। আবার পিয়াল ভাইকে ফোন দিলাম। তিনি একটা টিপস দিলেন। আমি রিপ্লাইয়ে লিখলাম –

Mrs West,

Thanks very much for your reply. Actually, to be honest, I’m not from any particular institute and no “Body” is behind me. Rather I’d like to introduce myself as a freelance writer. I do usually write on my personal blog as well as some community blogs. Those are written in Bengali language otherwise I’d give you the links. But If you really think that I have to belong any Institution to get an appointment, I can organize that for you.

The reason behind my assignment is very simple and innocent, You might know about our political history that we fought for our mother tongue, we fought for our land even we fought for our name of our mother land. we fought against millions of trained and armed military forces without having any kind of war or weapon knowledge. After 9 months of relentless fighting, we got the victory on Dec 16, 1971. And the book is written about that incident. And I’m looking for answers to some of my questions. my first question is – “As a war torn nation, what was our actual situation at that time?”

The book contains some poem, story, article, pictures, reference and so on. so this book has a great historical value. I’d like to research on this materials and write about it online. So we have a record of our history for our next generation.

I’d be more than happy if you consider me to give an appointment. And should you need any further clarification, please feel free to contact me. I appreciate your assistance. Thank you. smile :) :-)

এই রিপ্লাই পেয়ে আমাকে এ্যাপোয়েনমেন্ট দেয়া হলো, কিন্তু ৩ সপ্তাহ পর! এখন আবার ইনটারনাল অডিটিঙ প্রসেসের জন্য ৩ সপ্তাহ অপেক্ষা!! কোন কাজ সময়মত হচ্ছে না। শুধু পেছোচ্ছে!! কিন্তু আমি হাল ছাড়লাম না। এদিকে পিয়াল ভাই নিয়মিত তাগাদা দিয়ে যাচ্ছে, আমি তাকে সমস্ত আপডেট জানালাম।

ইতোমধ্যে ১ সপ্তাহ শেষ, লোকাল লাইব্রেরী থেকে ফোন পেয়ে গেলাম সেখানে, বল্ল বইটার ব্যবস্থা করা যেতে পারে, কিন্তু আমাকে তারা আগে কয়েকটা ফরম পূরন করতে হবে আর কিছু ডলার জামানত হিসেবে দিতে হবে। ফরম পূরন করতে গিয়ে দেখি আমার লাইব্রেরী কার্ড তিনবছর আগে মেয়াদর্ত্তীণ! পোড়া কপাল আর কাকে বলে!!

ডাবল ফি দিয়ে কার্ড রিনিউ করালাম। ৩/৪ টা ফর্ম পূরন করলাম। ৫০ ডলার জামানত দিলাম। বইয়ের কোন বড় ধরনের ক্ষতি হলে বা হারিয়ে ফেল্লে ১০ হাজার ডলার ক্ষতিপূরন দিতে হবে – এই মর্মে স্বাক্ষর করলাম। আমার বাসার ঠিকানা – ফোন নাম্বার, রেফারেন্স হিসেবে ৩ জন অস্ট্রেলিয়ান সিনিয়র সিটিজেনের নাম ঠিকানা দিয়ে আসলাম। পুরো দেড়টা ঘন্টা ধরে এইসব করতে হয়েছে।

বল্ল আগামী সপ্তাহে খোজঁ নিতে! সেই বই ন্যাশলান লাইব্রেরী থেকে লোকাল লাইব্রেরীতে আসলো প্রায় ৪ সপ্তাহ পর! এর ভেতর তিনদিন ছিল পাবলিক হলি ডে। লাইব্রেরী বন্ধ ছিলো। আর যেসময় বইটা এসেছে, আমার কাজের তখন এতটাই চাপ যে দম বন্ধ হবার যোগাড়। সময় করে বইটা আনতে গেলাম দেড় সপ্তাহ পর। ডেলিভারী চার্জ দিতে হলো ১৫ ডলার।

পিয়াল ভাইকে মোবাইলে সাথে সাথে জানালাম যে বইটা হাতে এসেছে। সে তো খুশীতে আটখানা!! তিনি সেদিনই ব্লগে পোস্ট দিলেন!** কয়েকদিন পর ৩০ ডলার দিয়ে পুরো বইটা ফটোকপি করে বাইন্ডিং করালাম। এক বন্ধুর কাছে দিলাম, সে বাঙলাদেশে যাচ্ছে আগামী সপ্তাহে। পিয়াল ভাইর কাছে মূল বইটার পুরো ফটোকপিটা পৌছঁবে ৯ দিন পর, ২৫ ডিসেম্বর, ২০১০।

বইটির গুরুত্ব কি? কি আছে এই বইয়ে?

শ্রদ্ধেয় স্যার সৈয়দ আলী আহসান সম্পাদিত ১৩০ পাতার এই বইটি বাংলাদেশে ছাপা হলেও এখন এটি বাংলাদেশেই দুর্লভ! হতে পারে এর একটি কপিও আর অবশিষ্ট নেই্। আর থাকলেও, সেটি সাধারন মানুষের ধরা ছোয়ারঁ বাইরে। ধারনা করছি, ছাপাবার কয়েকবছরের ভেতর বইটির কয়েকটি কপি তৎকালীন ঢাকাস্থ কয়েকটি বিদেশী দূতাবাসে উপহার সরূপ পাঠানো হয়েছিলো, অস্ট্রেলিয়ার দূতাবাস থেকেই বইটি অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় গ্রন্থাগারে আসে।

বইটি ছাপা হয়েছে আজ থেকে প্রায় ৪০ বছর আগে। সুতরাঙ, ৪০ বছর আগের সমস্তকিছু এই বইটিতে সংরক্ষিত রয়েছে। সবচেয়ে বড় কথা হলো, এই বইয়ে অত্যন্ত মূলবান এবং প্রচন্ড দুর্লভ কিছু ছবি, তথ্য এবং রেফারেন্স রয়েছে। যে বিষয়টা নিয়ে ছোটবেলা থেকে আ্ওয়ামী-বিএনপির দন্ধযুদ্ধ দেখছি, সেই স্বাধীনতার ঘোষকের ব্যাপারে স্পষ্ট তথ্য দেয়া রয়েছে বইটার ১১৩ পৃষ্ঠায়।

যুদ্ধবিধ্বস্ত একটা দেশকে ঢেলে নতুন করে সাজানোর ব্যাপারটা একই সাথে ড্রামাটিক এবঙ চ্যালেন্জিং! এই কাজে কতটুকু রিসোর্স দরকার? এসবের যোগান দেবে কে? কার দায়িত্ব কি হবে? কত টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিলো? বাঙলাদেশের বড় বড় সব রাজনৈতিক নেতারা ৭১ এ কেমন ছিলেন দেখতে? কতজন বুদ্ধিজীবেকে হত্যা করা হয়েছে? ছবিসহ তাদের তালিকা? ৭১ এর গণহত্যার প্রত্যক্ষদর্শী বিদেশী সাংবাদিকেরা কোন কোন ঘটনার স্বাক্ষী ছিলো – এসব প্রশ্ন কি কখনো আমাদের মনে উদয় হয়েছে? এ সব প্রশ্নের উত্তর এই বইটিতে রয়েছে। যুদ্ধের পর তৎকালীন সরকার দেশকে নতুন করে গড়ে তোলতে বিভিন্ন সেক্টরে মোট ১০৬৬.৭৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বরাদ্দ করেছিলেন। কোন খাতে কতটুকু অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছিলো, ছবিসহ তার পূর্ণ বিবরনী দেয়া রয়েছে বইটাতে। বইয়ের ২য় পাতাতেই বঙ্গবন্ধুর আবক্ষ ছবি। তাকেঁ নিয়ে বইটাতে আলাদা একটি অধ্যায় আছে। “বঙ্গবন্ধু: একটি প্রতিষ্ঠান” – এই শিরোনামে। বইয়ের একটা বড় অংশ জুড়ে তারঁ মহান কীর্তি এবং অসামান্য জনপ্রিয়তার বীরত্বগাথাঁ উল্লেখ করা হয়েছে!

কাকতালীয়ভাবে আজকে বইটি ফেরত দেবার কথা ছিলো। কিন্তু বিকেলে লাইব্রেরীতে ফোন করে ধারের মেয়াদ আরো ৩ সপ্তাহ বাড়িয়েছি। যে কাজে এনেছিলাম সে কাজ শেষ, তবু বইটার উপর মায়া পড়ে গেছে। ফেরতে দিতে ইচ্ছে করছে না। একবার ভেবেছিলাম, মেরে দিই। শুনেছি বই আর ফুল চুরিতে কোন পাপ নাই। তাছাড়া ৫০ ডলার জামানত এমন কিছু না। কিন্তু পরে ভাবলাম, এমনটা করলে সুনাম নষ্ট হবে। পরবর্তীতে আর কোন এ্যানটিক বই বাংগালীদের হাতে দেয়া হবে না। আমি চাই না আমি সেটার কারন হই।

তৎকালীন বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রনালয় কর্তৃক প্রকাশিত এই বইয়ের প্রিন্ট বেশ উন্নত, যে কাগজ ব্যবহার করা হয়েছে সেটিও বেশ দামী, উন্নত এবং মোটা কাগজ। আগা গোড়া ইংরেজীতে লেখা এই বইটির ভাষা্ও বেশ অভিজাত এবং প্রান্জল। এত বছর আগেও আমাদের দেশে এত উন্নত আন্তজার্তিক ভাষাজ্ঞান সম্পন্ন সম্পাদক মহোদয়গন ছিলেন, জেনে অবাক হয়েছি। বেশীরভাগ প্রবন্ধকে বাংলা থেকে ইংরেজীতে অনুবাদ করা হয়েছে। বাকীগুলো সরাসরি ইংরেজীতেই লেখা হয়েছিলো।

প্রতিটি অধ্যায়ের যতটুকু সম্ভব বিস্তারিত বর্ণনা এবং ক্যামেরায়া তোলা প্রাসংগিক ছবি সরবরাহ করতে চেষ্টা করা হয়েছে।

আমি মনে করি, এই বইটিকে সরকারী উদ্যোগে পূণর্মুদ্রন করে খোলা বাজারে ছেড়ে দেয়া উচিত যাতে করে এই দুর্লভ বইটির অস্তিত্ব রক্ষা পায় এবং দেশের মানুষ এর ভেতরের ইতিহাসটুকু নিজের ভেতর ধারন করার সুযোগ পায়।

ডাউনলোড লিংক:

প্রচন্ড কাজের চাপ মাথায় রেখে মুটামুটি তাড়াহুড়ো করেই বইয়ের প্রতিটি পৃষ্ঠার ছবি তুলে মিডিয়া ফায়ারে আপলোড করলাম। আপলোড এবং ডাউনলোডের সুবিধার্থে দুটি ভাগে ভাগ করেছি।

প্রথম ভাগঃ 

দ্বিতীয় ভাগঃ 

পুরোটাই ডিজিটাল স্টিল ক্যামেরায় তোলা। তাই মাঝে মাঝে দুয়েকটা পাতার ছবি হয়তো ঘোলা এসেছে। সে জন্য ক্ষমাপ্রার্থী! তবে বইটার মূল কপির ফটোকপি থেকে আরো ভালো ভাবে পিডিএফ করার আশা রাখি।

এই পোস্টের লিংকটি দয়াকরে যতটা সম্ভব ছড়িয়ে দিন। ফেসবুক, টুইটার, অন্যান্য বাংলা ব্লগ– যেখানে পারেন। তবে ইংরেজীতে আপাতত কিছু করার দরকার নেই। কারন অষ্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল লাইব্রেরীর চোখে পড়তে পারে। তাদের অধিকার রয়েছে আমার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেবার, কারন আমি যে কাজটি করেছি, কপিরাইট আইনে সেটি মূলত: অবৈধ।

সবাইকে মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা। smile :) :-)

প্রাসংগিকঃ 

  উইকিপিডিয়াতে তারঁ এত বড় সম্পাদনার কোন উল্লেখই নেই। উইকিপিডিয়ার এই অর্ন্তভুক্তিটা আপডেট করতে হবে একদিন সময় করে

আমার ই-বুক করে প্রচার করার কথা থাকলেও আমার স্ক্যানারটা নষ্ট থাকায় এবং সময়াভাবে সেটা সম্ভবপর হলো না বলে আমি আন্তরিকভাবে দু:খিত এবং লজ্জিত। তবে যে কেউ চাইলেই এটা এখন করতে পারেন। আমি পোস্টে তার নাম লিখে আপডেট করে দেবো। ই-বুকের জন্য তাকে পূর্ণ ক্রেডিট দেয়া হবে। তবে তার আগে একটা অনুরোধ, যদি সম্ভব হয়, ই-বুক বানাবার আগে এসিডিসি ফটো এডিটিং সফটওয়্যারের মাধ্যমে প্রতিটি ছবির ইমেজ এক্সপোজার খানিকটা বাড়িয়ে নিলে খুবই ভাল হয়।

ব্লগার “বহিরাগত” পোস্টের ছবিগুলো ব্যবহার করে একটি পিডিএফ ই-বুক বানিয়েছেন। তাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। ই-বুকটি নামাবার ঠিকানাঃ 

ব্লগার যাত্রী একটি দুর্দান্ত কাজ করেছেন। তিনি ফাইল সাইজ ছোট করে বেশ কয়েকটি শেয়ারিং সাইটে আপলোড করে দিয়েছেন। তাকে অজস্র ধন্যবাদ। নীচে সেগুলোর লিংক প্রদান করা হলো:

ক. জিপ ফরমেট ডাউনলোড লিংক: ৬৮ মেগাবাইট

উইনজিপ লাগবে আনকম্প্রেস করার জন্য।

১. মেগাআপলোড

২. র‌্যাপিডশেয়ার

৩. ডিপোজিটফাইলস

৪. বাদংগ

খ. র‌্যার ফরমেট ডাউনলোড লিংক: ৬৮ মেগাবাইট

উইনর‌্যার লাগবে আনকম্প্রেস করার জন্য।

১. মেগাআপলোড

২. র‌্যাপিডশেয়ার

৩. জেডশেয়ার

৪. ডিপোজিটফাইলস

৫. বাদংগ

 

স্বপ্নদুয়ারে রেজিষ্ট্রেশন না করেও আপনার ফেসবুক আইডি দিয়েই মন্তব্য করা যাবে। নীচের টিক চিহ্নটি উঠিয়ে কমেন্ট করলে এই পোষ্ট বা আপনার মন্তব্যটি ফেসবুকের কোথাও প্রকাশিত হবে না।

টি মন্তব্য

One thought on “একটি আলো আমার, একটি শিখা আমার….!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *