আমার প্রিয় ‘হলিউড নায়কেরা’ – (২য় কিস্তি)

৫) টম হ্যাংকস 

Tom Hanks

বয়সঃ ৫৮।

পুরো নাম ‘টমাস জেফেরি হ্যাংকস’।
উচ্চতাঃ ৬’।
পরিচয়ঃ বিশ্বখ্যাত আমেরিকান অভিনেতা ও চিত্র পরিচালক।
প্রথম মুভিঃ ১৯৭৮ সালে।
জনরাঃ ড্রামা হিরো।
এ পর্যন্ত অভিনীত মুভির সংখ্যাঃ অর্ধশতাধিক।
অস্কার/অস্কারের নমিনেশন পেয়েছেনঃ অস্কার, ২ বার। মুভিঃ ‘ফিলাডেলফিয়া’ ও ’ফরেইষ্ট গাম্প’। যথারীতি ১৯৯৩ ও ৯৪ সালে।

সর্বোচ্চ উর্পাজনঃ ৭ কোটি ইউএস ডলার। ফরেষ্ট গাম্প।

ধর্মঃ গ্রিক ওরথোডক্স।

প্রিয় উক্তিঃ I’ve made over 20 movies, and 5 of them are good.

প্রিয় সংলাপঃ It’s just as hard . . . staying happily married as it is doing movies.

পরিচিতিঃ এই মানুষটির অভিনয়ের প্রেমে পড়েছিলাম, বলা বাহুল্য, ’দ্য ফরেইষ্ট গাম্প (১৯৯৪)’ দেখে। এরপর একে একে দেখলাম ’সেভিংস প্রাইভেট রায়ান (১৯৯৮), দ্য গ্রীন মাইল (১৯৯৯) আর দ্যা কাষ্ট এওয়ে (২০০০), দ্য টারমিনাল (২০০৪)।’ প্রত্যেকটা মাষ্টারপিস। প্রিয় নায়ক বলে বলছি না। তাঁর যে কোন কড়া সমালোচকও এই মুভিগুলোকে তার ক্যারিয়ারের সেরা মুভি বলেছেন। ’ক্যাপটেন ফিলিপস (২০১৩)’ দেখেছি, ভালোই লেগেছে। ’দ্য ডা ভিঞ্চি কোড’ আর ‘এনজেল এন্ড ডিমনস’ তিনি সমভাবে উজ্জল ছিলেন। তবে সর্বশেষ তারঁ পারফরমেন্স দেখেছি ’সেভিং মিষ্টার ব্যাংকস (২০১৩)’ – সেখানেও যথারীতি চমৎকার অভিনয় করেছেন। তারঁ ‘ইউ হ্যাভ গট মেইল (১৯৯৮)’ এখনো আমার উইশ লিষ্টে রয়েছে। মানে নামিয়ে রেখে দিয়েছে, এখনো দেখা হয়নি সময়াভাবে। 

Steven_Spielberg_&_Tom_Hanks_at_National_World_War_II_Memorial_for_premiere_of_The_Pacific_2010-03-11

পরিচালক স্টিভেন স্পিলবারগের সাথে টম হ্যাংকস, ২০১০ সালে, ২য় বিশ্বযুদ্ধ জাদুঘরের সামনে

যে তথ্যগুলো অনেকেই জানেন নাঃ  তিনি আমেরিকার প্রথম এবং এখন পযন্ত একমাত্র অভিনেতা  যিনি  United States Army Rangers এর সন্মানসূচক সদস্যপদ লাভ করেন তার ‘সেভিংস প্রাইভেট রায়ান’ মুভিতে ক্যাপ্টেননের চরিত্রে নিখুতঁ অভিনয়ের জন্য। টম হ্যাংকস সমলৈঙ্গিক বিবাহের পক্ষে অত্যন্ত জোরালো প্রচারণা চালিয়েছিলেন এবং প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার পক্ষে নিজের সমর্থন ২০০৭ সালেই খোলাখুলিভাবে ব্যক্ত করেছিলেন।  ছোটবেলায় টমের  ইচ্ছে ছিলো নভোচারী হওয়া, কিন্তু গণিতে কাচাঁ হওয়ায় হতে পারেননি।  তবু তিনি দুধের স্বাধ ঘোলে মিটিয়েছেন। তিনি আমেরিকান স্পেস সোসাইটির একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য।

tom_hanks_by_rossjcbr-d5jwcf7

টমের ব্যক্তিগত টুইটার একাউন্টের লিংক

৬) মেল গিবসন

wallpaper_12046

পুরো নাম/ডাক নামঃ মেল কলামসিলে জেরারড গিবসন। (পতুগীজ ভাষায় তার নামের অর্থ হচ্ছে – ‘মধু’।)
বয়সঃ ৫৯ বছর।
উচ্চতাঃ ৫’১০”
পরিচয়ঃ অভিনেতা, প্রযোজক ও চলচ্চিত্র পরিচালক।
প্রথম মুভিঃ ১৯৭৭ সালে।
জনরাঃ একশন হিরো।
এ পর্যন্ত অভিনীত মুভির সংখ্যাঃ অর্ধশতাধিক
অস্কার/অস্কারের নমিনেশন পেয়েছেনঃ অস্কার পেয়েছেন দুই দুইবার।
সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকঃ আড়াই কোটি ইউএস ডলার।
ধর্মঃ খ্রিষ্টান ক্যাথোলিক।
উক্তি ও সংলাপঃ

Hollywood is a factory. You have to realize that you are working in a factory and you’re part of the mechanism. If you break down, you’ll be replaced.

“Film-making is what I love now. I don’t want to be the star of a movie anymore.” (December 2006)

I like directing much better. It’s more fun, that’s all there is to it. It’s essentially the same job, which is storytelling, but you have more control over the way you want to tell the story. It’s a high. I love it.

পরিচিতিঃ ব্রেইভ হার্ট মুভিটি ছিলো আমার দেখা তার প্রথম মুভি। আর সবচাইতে ভালো লাগে তার পরিচালিত মুভি এপিকিলিপটো। এইরকম মুভি পৃৃথিবীর ইতিহাসে খুব কমই হয়েছে।

মেল গিবসন একজন অসামান্য প্রতিভাধর মানুষ। প্রচন্ড বুদ্ধিমান, চৌকষ ও স্মার্ট। মেল গিবনসের জীবন, জীবিকা ও তার কাজ নিয়ে অনলাইনে এত বেশী তথ্য রয়েছে যে, তার প্রায় ৯০ ভাগ যদি কেটে ছেটেঁ বাদও দেই, তারপরও যে আর্টিকেল হবে, সেটা একজন সাধারন মানুষের পূর্ণাংগ জীবনীর চাইতেও বড় হবে। তবু একটা ছোট্ট চেষ্টা করলাম।

ইংল্যান্ডের এমপায়ার ম্যাগাজিনের জরিপ মোতাবেক, পৃথিবীর সর্বকালের সেরা ১০০ জন মুভি তারকার ভেতর তার র‌্যাংকিং ছিলো ১২ নম্বর। একই ম্যাগাজিনের অন্য একটি জরিপে সর্বকালের সবচাইতে যৌনাবেদনময়ী তারকার কাতরেও তার অবস্থান ছিলো ৩৭। এছাড়াও, আমেরিকার পিপল ম্যাগের ভোটে তিনি হয়েছিলেন “পৃথিবীর সবচাইতে সুন্দর মানুষের” একজন। একই ম্যাগাজিনের অন্য একটি জরিপে তিনি প্রথম জীবিত সবচাইতে যৌনাবেদনময়ী পুরুষের স্বীকৃতি পান। ২০০৪ এ সেলিব্রেটি ১০০ এর র‌্যাকিংয়ে প্রথম হন।

তিনি UNSW থেকে গ্রাজুয়েশন করেছেন। [এই ইউনিকে অসাম বল্লেও কম বলা হয়। এত নয়নাভিরাম ক্যাম্পাস! বন্ধুদের সাথে বেশ কয়েকবার সেখানে ঘুরতে যাবার সৌভাগ্য হয়েছিলো। প্রচুর বাঙ্গালী পড়েন এখানে। এই ইউনিতে পড়ার অনেক শখ ছিলো। কিন্তু উচ্চমাত্রার সেমিষ্টার ফি পোষাতে পারবো না ভেবে বাধ্য হয়ে ভর্তি হয়েছিলাম UWS-এ।]

তিনি ১৯৯৭ সালে ভূষিত হন অষ্ট্রেলিয়ার সর্বচ্চ সন্মান – Officer of the Order of Australia পদকে। থ্রি ষ্টুজেসের কঠিন ভক্ত। তিনি অভিনয়ে আসেন তার বোনের কারনে। তার বড় বোন তাকে না জানিয়েই স্কুলের থিয়েটারে তার হয়ে আবেদন করেন। অডিশনের আগের দিন মারামারি করে নাক মুখ ভেংগে ফেলেন এবং এই কারনেই অডিশনে টিকে যান। কারন তার চরিত্রটি ছিলো তেমনি।

প্রথম স্ত্রীর সাথে বিয়ে হয় অষ্ট্রেলিয়ার একটি মাতৃমনি সাইটের মাধ্যমে।
তার দুটি কিডনী অপারেশন করে একটিতে রুপান্তর করা হয়েছে।
তার কোম্পানির নাম আইনকন ইন্টারনেশনাল যার শাখা আছে অষ্ট্রেলিয়াতে, ইউকে আর আমেরিকাতে।

তিনি অষ্ট্রেলিয়ার প্রথম অভিনেতা যাকে এক মিলিয়ন ডলারের পারিশ্রমিক দেয়া হয়েছিলো মুভিতে অভিনয়ের জন্য।

তিনি প্যাশন অব দ্য ক্রাইষ্ট নামের একটি মুভি বানানো শুরু করেন ১৯৯২ সালে। নিজেই স্ক্রিপ্ট লিখেন, নিজেই প্রযোজনা করেন, নিজেই পরিচালনা করেন। এই মুভির বানাতে তার নিজের পকেট থেকে খসে যায় ২৫ মিলিয়ন ডলার! দীর্ঘদিন যাবত পড়াশোনা, গবেষনা ও শুটিং শেষে তিনি ঠিক ১ যুগ পর ২০০৪ সালে মুভিটি রিলিজ দিতে সমর্থ হন। তার বারো বছরের কষ্ট বৃথা যায়নি। মুভিটি পরের বছর তিনটি সেকশনে অস্কার নমিনেশন পায়। মুভিটির ব্যাপারে তিনি বলেন –

“About the The Passion of the Christ (2004): This movie is about faith, hope, love and forgiveness. Themes that are as important now as they were in Jesus’ time.”

তার দুই স্ত্রীর ঘরে ৮ সন্তানের বিশাল পরিবার তার।
২০০৪ সালে তিনি সমগ্র পৃথিবীর সবগুলো মুভি তারকার ভেতর সবচাইতে বেশী পারিশ্রমিক পান তার নিজের বানানো মুভির লভ্যাংশ থেকে। প্রায় ২১ কোটি ডলার। সে বছর তিনি অপেরা উইনফ্রে, জে কে রাউলিং, এমনকি স্টিফেন স্পিলবার্গের চেয়েও বেশী উপার্জন করেন।

তাকে প্রথমে এক্স ম্যান (২০০০) মুভির প্রধান চরিত্রে অভিনয়ের জন্য প্রাথমিক ভাবে নির্বাচন করা হয়। পরে তিনি না করাতে সেটাকে দেয়া হয় আরেক অজি নায়ক হিউ জ্যাকম্যানকে।
এপোক্যালিপটো মুভির শুটিং শেষ হওয়ার পর তিনি মায়া সভ্যতার পিরামিডের রেপ্লিকা ও গ্রামের সেট হলিউডে দান করে দেন।

তার বাইপোলার ডিসঅর্ডার রয়েছে। এটা মারাত্নক ধরনের এক মানসিক অসুখ। মনোবিজ্ঞানীরা বলেন, এই রোগে আক্রান্ত রোগীদের আত্নহত্যার প্রবনতা অত্যন্ত বেশী। রোগের লক্ষন হচ্ছে, এইমূহুর্তে প্রচন্ড উদ্যমী ও হাসিখুশী, পরমূহুর্তেই মন খারাপ করে কান্নাকাটি করা। এই রোগ সাধারনত বংশানুক্রমে হয়ে থাকে।

তিনি মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর দায়ে একাধিকবার গ্রেফতার হয়েছেন। এক্ষেত্রে একটি ঘটনা প্রণিধানযোগ্য, আমি এটার বাংলা করবো না।

Gibson first told the arresting officer, “My life is over. I’m fucked. Robyn’s going to leave me.” According to the arrest report, Gibson exploded into an angry tirade when the arresting officer would not allow him to drive home. Gibson climaxed with the words, “Fucking Jews… the Jews are responsible for all the wars in the world. Are you a Jew?”

মদ্যপানের প্রতি মাত্রাতিরিক্ত আসক্তি থাকার কারনে যুবক বয়সে তাকে বেশ কয়েকবার রিহ্যাবে যেতে হয়েছিলো। উল্লেখ্য, মাত্র ১২ বছর বয়স থেকে তিনি মদ্যপান শুরু করেন।

তিনি একজন পেশাদার প্রপারটি ইনভেষ্টর। বাংলাতে যাকে বলে, জমি জিরাতের ব্যবসায়ী। জমি কেনা, উপভোগ করা ও পরে বিক্রি করে দেয়া – এসবের প্রতি তার প্রচন্ড ঝোকঁ। তিনি তার জীবনে শত শত মিলিয়ন ডলারের জমি কেনা বেচা করেছেন সমগ্র অষ্ট্রেলিয়া, আমেরিকা আর ইউকে জুড়ে।

তার ব্যাপারে যে সব তথ্য খুব কম লোকই জানেন সেটা হচ্ছে, টম হ্যাংকস যেমন সমলৈঙ্গিক বিবাহ সমর্থন করেন, মেল গিবসন তেমনি তার উল্টো। উনি সমকামীদের দুই চোখে দেখতে পারেন না। এবং তিনি প্রয়াত অভিনেতা হিথ লেজারের শিক্ষক ও প্রশিক্ষক ছিলেন। মেলের ব্যাক্তিগত টুইটার একাউন্টঃ  এবং ফেসবুকে এই পোষ্ট

      ৭) জিম ক্যারে

Jim-Carrey-Wallpapers-and-Pictures-2

পুরো নামঃ James Eugene Carry
বয়সঃ ৫৩
উচ্চতাঃ ৬’২”
পরিচয়ঃ কানাডিয়ান-আমেরিকান অভিনেতা, কমেডিয়ান, প্রযোজক ও স্ক্রিনপ্লে লেখক।
প্রথম মুভিঃ ১৯৮৫, Once Bitten .
জনরাঃ কমেডি নায়ক।
এ পর্যন্ত অভিনীত মুভির সংখ্যাঃ ৩০ টি।
অস্কার/অস্কারের নমিনেশন পেয়েছেনঃ নমিনেশনও পাননি। তবে গোল্ডেন গ্লোব পেয়েছেন দুইবার।
সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকঃ আড়াইকোটি ডলার। ব্রুস অলমাইটি।
ধর্মঃ রোমান ক্যাথলিক। অবশ্য সম্প্রতি আধ্যাত্নিক্যবাদ (spiritualism) এ দীক্ষা নিয়েছেন।

উক্তি ও সংলাপঃ

i) আমি সাধারনত অনেক রাত পযন্ত জাগা হয়। এটা এই কারনে নয় যে আমি রাত জেগে পার্টি করি। বরং এই কারনে যে, ঐ সময়টাই দিনের একমাত্র সময় যে সময়ে আমাকে অভিনয় করতে হয় না এবং আমি নিঃসঙ্গ থাকি। (I tend to stay up late, not because I’m partying but because it’s the only time of day when I’m alone and I don’t have to be on, performing.)

ii) নরক বলতে মনে হয় কিছু নেই। আমার কারছে নরক হচ্ছে, দাদা-দাদীরা যখন স্যান্ডউইচ খায়, তখন তাদের নাক দিয়ে যে আওয়াজ বের হয়, সেটা শোনা। (Maybe there is no actual place called hell. Maybe hell is just having to listen to our grandparents breathe through their noses when they’re eating sandwiches.)

iii) আমি তো আজীবন একত্রে থাকার রুপকথায় বিশ্বাস করি না। যে কোন মানুষের জন্যই ১০ বছর যথেষ্ঠ সময়। এই সময়ে আপনি বিস্তর ভালবাসা দিতে পারেন। (I don’t believe in this fairy tale of staying together for ever. Ten years with somebody is enough. In ten years, you can give a lot of love.)

iv) একটি সম্পর্কের ভেতর সবচাইতে উত্তম সম্ভাব্য জিনিস হচ্ছে, আপনি এমন একজনের সাথে আছেন, যে কিনা আপনাকে আপনার উত্তম ভার্সনে পরিনত হতে উৎসাহ দেয়। (The best possible thing you can get out of a relationship is that you’re with somebody who encourages you to be the best version of yourself.)

665179_10151291220488584_352737226_o

আমার প্রিয় কমেডিয়ান। এজ ভেনচুরা তার অভিনীত আমার দেখা প্রথম মুভি। মাত্র ১০ বছর বয়সে তিনি গায়িকা ক্যারল বারনেটের কাছে তার সিভি লিখে পাঠান চাকরীর জন্য। মাত্র ১৬ বছর বয়সে স্কুল ছাড়েন। এরপর আর তার পড়াশোনা হয়নি।

তিনি সব সময়ই খুব কিম্ভুত কিমাকার মুখভংগি ও সেই সাথে উদ্ভট আওয়াজ করতে পছন্দ করেন। শরীরের অংগ প্রতংগ ইচ্ছেমতো বাকা ত্যাড়া করতে পারেন। তিনি বাস্তব জীবনেও সামাজিক রীতি নীতি ও ভব্যতার ধার ধারেন না। এর প্রমান হলো, আমেরিকার দ্য কমেডি শপের ২০ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে তিনি তার পুরুষাংগে শুধু একটা মোজা পড়ে হাজির হয়েছিলেন।

জিম অভিনীতে আমার দেখা সেরা কমেডি হচ্ছে ‘দ্য মাস্ক’ আর সেরা ড্রামা মুভি হচ্ছে – ‘ইটারনাল সানসাইন অব দ্য স্পটলেস মাইন্ড।’

জীম অত্যাধিক দরিদ্র পরিবারের সন্তান ছিলেন। জীবনের শুরুর দিকে তাকে প্রতিনিয়ত দারিদ্রের সাথে লড়াই করতে হয়েছে। থাকার জায়গা না থাকায় ছোটবেলায় তিনি তার বাবা-মার সাথে ক্যারাভ্যানের ভেতর রাত্রি যাপন করতেন। তার বাবা মা দুজনেই একটি ফ্যাকটরির ক্লিনার ছিলেন দীঘদিন। বালক বয়সে তিনি তার কথা ও কাজ দিয়ে তার পিতা মাতাকেও আনন্দ দিতেন। এমনকি এই কারনে তিনি রাতের বেলা টেপ সু পড়ে ঘুমাতে যেতেন, যাতে করে মাঝরাতে তার বাবা-মার যদি মনোরঞ্জনের প্রয়োজন হয়, তিনি তক্ষনাৎ তাদেরকে চিয়ার আপ করতে পারেন।

তিনি তার মায়ের বানানো পোষাক পড়েই প্রথম স্ট্যান্ডাপ কমেডি করেন। তার মা তাকে অনেক দোয়া দিয়েছেন। এই কারনেই হয়তো ছোটবেলার দরিদ্র ঘরের যে ছেলেটি, যাকে কিনা ছোটবেলায় একবার কয়েকটি শুকনো পাউরুটি আর আধা ছটাক পনির খেয়ে পাক্কা তিনদিন কাটাতে হয়েছিলো; সেই ছেলে যুবক বয়সে এমন একটি প্রাইভেট জেট বিমানের মালিক হন যার মূল্য প্রায় ৪৫ মিলিয়ন ডলার! Gulfstream-V

The funny man of Hollywood, Jim Carrey, besides having the ability to tickle your funny bone, is also avid aviation enthusiasts, which is quite visible with his own luxury private jet in the form of the remarkable Gulfstream V. With a highly experienced crew of two and advanced state of the art avionics, the Gulfstream V is one of the highest performance and safety intensive private jets in the world. This magnificent aircraft boats of an ultra-long range of an astounding 12,000 and can accommodate up to 16 passengers. The Gulfstream V has a service ceiling of 51,000 feet and a cruise near the speed of sound. Jim Carrey is currently offering his Gulfstream V on a charter model, where in interested individuals can take a ride in the aircraft for a whopping $8,000 an hour.  (সময়াভাবে বাংলা করা গেলো না। সময় পেলে পরে করবো)

তিনি এখন পযন্ত পৃথিবীর একমাত্র অভিনেতা যে একাধারে ৯টি এমটিভি মুভি এওয়াড জিতেছে। আর কোন অভিনেতা এককভাবে এতগুলো এমটিভি এওয়াড জিততে পারেনি।
তার প্রতি মুভিতেই অন্তত একটা হলেও টয়লেট সিন থাকবে। তার অভিনীত প্রতিটি চরিত্রই ছিলো কঠিন ও প্রচন্ড কষ্টসাধ্য।

জিম একজন নিরামিষভোজী।

নিকল কিডম্যান তাকে নিজের সবচাইতে প্রিয় পুরুষ বন্ধু বলে পরিচয় দেন।

২০১০ সালে মাত্র ৪৮ বছর বয়সে তিনি নানা হন।

জিমের ব্যক্তিগত টুইটার একাউন্টঃ  এবং ফেসবুক পোষ্ট

৮) নিকোলাস কেইজ

FILE - Actor Nicolas Cage Turns 50 CineVegas Film Festival 2005 - Nicolas Cage Half Life Award - Portraits

বয়সঃ ৫১।

পুরো নামঃ ‘নিকোলাস কিম কোপোলা’

উচ্চতাঃ ৬’।
পরিচয়ঃ আমেরিকান অভিনেতা ও চিত্র পরিচালক।
প্রথম মুভিঃ ১৯৮৩ সালে।
জনরাঃ একশন হিরো।
এ পর্যন্ত অভিনীত মুভির সংখ্যাঃ প্রায় শ খানেক।
অস্কার/অস্কারের নমিনেশন পেয়েছেনঃ অস্কার, ১ বার। মুভিঃ  Leaving Las Vegas (1995)। নমিনেশনঃ ২ বার  

সর্বোচ্চ উর্পাজনঃ ২ কোটি ইউএস ডলার। ন্যাশনাল ট্রেজার।

ধর্মঃ অজানা। তবে বেড়ে উঠেছেন ধার্মিক খ্রিষ্টান ক্যাথলিক পরিবারে।                    

প্রিয় উক্তিঃ Superman is an American myth. Like the English have Shakespeare. [সুপারম্যানরা হচ্ছে আমেরিকার রূপকথা। ইংরেজদের যেমন আছেন সেক্সপিয়র]

প্রিয় সংলাপঃ To be a good actor you have to be something like a criminal, to be willing to break the rules to strive for something new. [একজন ভালো অভিনেতা হতে হলে তোমাকে অনেকটাই একজন অপরাধীর মতো হতে হবে। প্রথা ভাঙ্গার জন্য; নতুন কিছু করার জন্য মুখিয়ে থাকতে হবে] 

পরিচিতিঃ। নিক আমার প্রিয় মূলতঃ তার একশনধর্মী চরিত্রে জন্য। নিককে বলা হয় হলিউডের সবচাইতে উদার ও মুক্তহস্তের অভিনেতা। তিনি তার সমগ্র জীবনে যে পরিমান দান-খয়রাত করেছেন, হলিউডের ইতিহাসে আর কোন অভিনেতা সে পরিমান করেননি কখনো। পৃথিবীর অন্যতম বড় ও শক্তিশালি মানবাধিকার সংগঠন ‘এমনেষ্টি ইন্টারন্যাশনালকে’ সে একবার ২ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ১৭ কোটি টাকা) দান করেছিলো, পৃথিবীর বিভিন্ন কোনায় যারা সহিংসতার শিকার হচ্ছে, তাদের সাহায্য করার জন্য। উইকিপিডিয়াতে নিকের দান-খয়রাতের কথা বলার জন্য রীতিমতো আলাদা একটি বড় সড় প্যারা লেখা আছে। 800px-Neidstein_Schloss1

জার্মানীতে অবস্থিত Schloss Neidstein নামের এই ঐতিহাসিক ও প্রাসাদোপম বাড়িটি নিকোলাস তার অবসর যাপনের বাগানবাড়ী হিসেবে ক্রয় করেন ২০০৭ সালে এবং ২০০৯ সালে বিক্রি করে দেন।

যে তথ্য বেশীরভাগ মানুষেই জানেন নাঃ  নিকের দূরদর্শীতা রীতিমতো অবাক করার মতো। হলিউডের ডাক সাইটে অভিনেতা ‘জনি ডেপ’কে বলতে গেলে নিকোলাস কেইজ একদম নিজের হাতে  ধরে এনে নায়ক বানিয়েছেন। জনি ছিলেন ফ্লোরিডা থেকে আসা নিতান্তই সাদামাটা একজন গিটারিষ্ট। একদিন ঘটনাক্রমে নিকের সাথে জনি মনোপলি খেলতে বসেন এবং খেলাচলাকালীন জনির অভিব্যক্তি দেখে নিক তাকে বলেন – “I really think you are an actor, that you have that ability.” (আমি সত্যিই মনে করি তুমি একজন অভিনেতা। তোমার সেই সক্ষমতা রয়েছে।) এরপর জনিকে তিনি তারঁ মুভি এজেন্টের কাছে বলতে গেলে জোর করেই পাঠিয়ে দেন। বাকীটা ইতিহাস।

নিকের টুইটার একাউন্ট এবং  ফেসবুকে এই পোষ্ট

 

 

স্বপ্নদুয়ারে রেজিষ্ট্রেশন না করেও আপনার ফেসবুক আইডি দিয়েই মন্তব্য করা যাবে। নীচের টিক চিহ্নটি উঠিয়ে কমেন্ট করলে এই পোষ্ট বা আপনার মন্তব্যটি ফেসবুকের কোথাও প্রকাশিত হবে না।

টি মন্তব্য