আমার দেখা এক বিভীষিকাময় ক্যান্সার!

t2-large-web

আমি খুব কাছ থেকে যে ক্যান্সারটি দেখেছি, সেটার ডাক্তারি নাম “লিম্ফোব্লাস্টিক ল্যূকেমিয়া ”. হাত বা পায়ের অস্থিমজ্জার ভেতরের রক্তকণিকাগুলো জন্মাতে পারে না বা পারলেও সাথে সাথে ফেটে যায়, এই জন্য এইরকম নামকরণ। এই ক্যান্সারটি হয়েছিলো আমার ছোটভাইসম রূমমেট রাহুলের।

প্রথম কয়েকরাতে প্রচন্ড জ্বর, আর মারাত্নক হাটুঁ ব্যথা। এরপর হঠাৎ একদিন সে প্যারালাইসড হয়ে গেলো। দু পা পুরোপুরি অবশ। পরদিন দুপুরের পর এ্যামুলেন্সে করে সিডনীর একটা ঐহিত্যবাহী হাসপাতালে ওকে ভর্তি করার পর ডাক্তাররা সব ধরনের চেকাপ করালেন। রোগটার ব্যাপারে পুরোপুরি নিশ্চিত হতে পাক্কা ৪ ঘন্টা লাগলো। সবগুলো রোগ চেক করে যখন হেপাটাইটিস বি, এইচ আই ভি আর ক্যান্সার বাকী ছিলো, তখনই ওর লিউকোমিয়া ধরা পড়লো। পর পর দুবার ওর ব্লাড টেস্টে একই রেজাল্ট আসলো। ডাক্তাররা ওকে আর বাসায় যেতে দেননি। সাথে সাথে ভর্তি করানো হলো।

পরদিন সকাল বেলা ডাক্তারের একটা টিম এসে ওকে জানালো, আগামীকাল থেকে ওর কিমোথেরাপি শুরু হবে। ওর এক্সপ্লিসিট কনসেন্ট নেয়া হবে। লিখিতভাবে স্বাক্ষর করতে হবে। সেই সাথে জানানো হলো কিমোর পাশ্বপ্রতিক্রিয়া গুলো কথা। যেমন: শরীরের সব চুল পড়ে যাওয়া, বডির স্পার্ম প্রডিউস না করা, এবং এটা এক্সট্রেমলি পেইনফুল একটা প্রডিসিউর। আমি একজন ডাক্তারকে জিগেস করলাম, রেডিও থেরাপি না করে শুরুতেই কেন কিমোথেরাপি? তিনি জানালেন, ইটস অলরেডি ঠু লেইট। রেডিও থেরাপির সময় পার হয়ে গেছে। তাই তারা সরাসরি উচ্চতর চিকিৎসা পদ্ধতিতে যাবে।

leukemia

সেদিন বিকেলে রাহুলের বোনম্যারো সংরক্ষন করা হলো। স্পার্ম ব্যাংকের লোকজন এসে ওর স্পার্ম নিয়ে গেলো যাতে করে ও সুস্থ হলে সন্তানের বাবা হওয়া থেকে বঞ্চিত না হয়। আমার উপর দায়িত্ব পড়লো বাংলাদেশে ওর বাবা-মাকে ওর মরণব্যাধির খবর জানানো। সেদিন রাতে আমি আমার জীবনের অন্যতম কঠিন একটা দায়িত্ব পালন করেছিলাম।

এরপরের ঘটনাগুলো দ্রুত ঘটতে লাগলো। প্রথমদিকে মাসে একটা করে কিমো। কয়েকমাস পরে মাসে ৪/৫ টা। তারপর প্রতি সপ্তাহে দুইটা করে। এরপর প্রতিসপ্তাহে ৩/৪ টা করে। এদিকে রাহুললকে দেখতে গেলেই ও আমাকে জড়িয়ে ধরে কাদঁতো। বলতো, ভাই, আর পারতেছি না। আমাকে নিয়ে যান এখান থেকে। ওরা এত্ত ব্যথা দেয় যে মনে হয় এরচে মরে যাওয়া ভালো। আমি স্বান্তনার ভাষা খুজেঁ পেতাম না।

একদিন বিকেলে ওর জন্য খাবার নিয়ে গেছি, দেখি আমার পেছনে ডাক্তার আর নার্সের একটা ছোটখাট দল কেবিনে ঢুকলো। ইয়াং একজন অষ্ট্রেলিয়ান-চাইনিজ অনকোলজিষ্ট, তার সাথে দুজন র্নাস আর তিনজন ইন্টার্ণ মেয়ে। আমি বুঝলাম, ওকে এখন কিমো দেয়া হবে। আমি জানতে চাইলাম, আমি কি থাকবো নাকি বেরিয়ে যাবো? ডাক্তার হাসিমুখে জানালেন, তুমি থাকো। তুমি থাকলে রাহুল একটু ভালোবোধ করতে পারে। আমি থেকে গেলাম। কিমোথেরাপি দেবার ব্যাপারে আমার কোন ধারনা ছিলো না। যদি থাকতো, আমি ঐ সময় চুপচাপ কেবিন থেকে বের হয়ে যেতাম।

ডাক্তার ওর বেডে বিশেষ ধরেনের একটা কাপড় পেতে তার ব্রিফকেস থেকে বিশাল একটা সিরিন্জ বের করলেন। আমি ভয় পেয়ে গেলাম। কারন সিরিন্জটা শুধু যে বিশাল তা নয়, অনেক মোটাও। এই জিনিস কিভাবে ওর মেরুদন্ড দিয়ে ঢোকাবে আমার মাথায় আসলো না। রাহুলকে এ্যানেসথেসিয়া দেয়া হতো না, তার কারন ডাক্তারদের আশংকা ছিলো, ওটা দিলে জ্ঞান নাও ফিরতে পারে কারন জ্ঞান হারিয়ে গেলে সেটা ফেরার মতো শারীরিক স্ট্রেংথ ও হারাচ্ছিলো দিনকে দিন।

CDR526538-571

সুচঁটা অল্প একটু ঢোকানোর সাথে সাথে রাহুল চিৎকার শুরু করলো। ওকে দুপাশ থেকে দুজন নার্স শক্ত করে চেপে ধরে রইলো। একজন নাসকে দেখলাম ওর মাথাটা শক্ত করে তার বুকের সাথে চেপে ধরে আছে আর একটু পর পর মৃদু স্বরে স্বান্তনা দিচ্ছে। ভিনদেশী একটা ছেলের প্রতি অষ্ট্রেলিয়ান এই তরুনী নার্সটো যে পরিমান মমতা দেখিয়েছে, আমি তা কখনো ভুলবো না।

প্রায় আঘাঘন্টা লাগলো সুচটা পুরোটা ঢোকাতে। এরপর দেখলাম কাপড়ের উপর এক প্রকার থলথলে লালচে লিকুইড। ততক্ষনে ওর চিৎকারে কান পাতা দায়। এদিকে আমি ঐ সিরিঞ্জ, লাল লিকুইড আর ওর চিৎকারে প্রচন্ড নাভাস ফিল করছিলাম। আমি রক্তপাত বা রক্তদৃশ্য সহ্য করতে পারি না। আমার নার্ভ নিতে পারে না। আমি মাথা ঘুরাতে লাগলো। মনে হলো আমিই অজ্ঞান হয়ে পড়ে যাবো।

আমি কোনমতে কেবিনের বাইরে বেরিয়ে আসলাম।বের হবার আগ মূহুর্তে দেখি, ঐ তিনটা ইন্টারন মেয়ে ভয়ে কেবিনের দেয়ালের সাথে সিটকে আছে। একজন নাস আমাকে দেখে বল্ল – আর ইউ অল রাইট? আমি টলতে টলতে বল্লাম – আই ডোন্ট থিং সো। সে আমাকে ধরে ওয়াশ রূমে নিয়ে গেলো। আমি চোখে মুখে পানি দিলাম। প্রচন্ড বমি পাচ্ছিলো তখন। ভেতরটা গুলিয়ে আসছিলো। আমি ড্রাইভ করতে ভয় পাচ্ছিলাম তাই হাসপাতালের পার্কিংয়ে গাড়িটা রেখে একটা ট্যাক্সি নিয়ে বাসায় চলে আসলাম।

রাতে আর ওকে ফোন করে “কেমন আছো” বলার সাহস পেলাম না। পরদিন সকালে ওকে দেখতে গেলাম। ও জানালো – ডাক্তাররা নাকি আগামীকাল থেকে নীচতলার একটা সাউন্ডপ্রুফ রূমে ওকে থেরাপি দিবে। কারন ওর চিৎকারে আশে পাশের রোগীদের সমস্যা হয়, তারা হাসপাতাল কতৃপক্ষের কাছে কমপ্লেইন দিয়েছে।
এর ভেতর ওর বাবা দেশ থেকে আসলেন ছেলেকে দেখতে। তারঁ ওপেন হাট সার্জারি হয়েছে কিছুদিন আগে। নিজেই অসুস্থ। আর মায়ের উচ্চমাত্রার ডায়াবেটিকস। বাবা-মার একমাত্র ছেলে রাহুল। এক ভাই এক বোন ওরা। একদিন গিয়ে দেখি বাবা তারঁ ছেলেকে জড়িয়ে ধরে কাদঁছে। হাসপাতালের কেবিনে হাউমাউ করে কান্না। এই দৃশ্য সহ্য করা মুশকিল। প্রকৃতির কাছে মানুষ অসহায় সেটা জান্তাম। কিন্তু কি পরিমান অসহায় সেটার ব্যাপারে কোন সম্যক ধারনা ছিলো না। সেদিন আমার সম্যক ধারনা হয়েছিলো।

index

প্রতিমাসে একবার ওর ব্লাড ট্রান্সফিউশান করতে হতো। রক্ত কিনে সেগুলো দেয়া। এর ভেতর হঠাৎ একদিন শুনি রাহুলকে আইসিইউতে নেয়া হয়েছে। বুকটা ধ্বক করে ওঠলো। সময় বুঝি শেষ হয়ে এসেছে ছেলেটার। আমি হাসপাতালে ছুটে গেলাম। গিয়ে দেখি হাজার রকমের যন্ত্রপাতি ঠাসা একটারূমে ওকে চিৎ করে শুইয়ে রাখা হয়েছে। ওর শরীরের চারপাশে নল, এমনকি মুখের ভেতরও নল। ওর খাবার গ্রহন, পরিপাকতন্ত্রের কাজ, প্রশাব-পায়খানা এমনকি শ্বাস-প্রশ্বাসের কাজ – সবই চলছিলো যন্ত্রের মাধ্যমে। ফেরার পথে সেই চাইনিজ অলকোলজিষ্টের সাথে দেখা। সে আমাকে দেখে কাধেঁ হাত দিয়ে বল্লেন – ইউ মে এ্যারেঞ্জ হিজ ফিউনেরাল।

কথাটা শুনে মনে হলো আমার পায়ের নীচ থেকে মাটি সরে গেলো, আমি ধুম করে পড়ে যাবো। চোখ ফেটে কান্না আসলো। এই ছেলেটা নিজে না খেয়ে আমার জন্য প্রতি রাতে ভাত নিয়ে অপেক্ষা করতো। আমি কাজ থেকে ফেরার পর দুজন একসাথে ভাত খেতাম। সিগারেট খেতো প্রচুর, এই জন্য ওকে অনেক বকাঝকা করতাম। একবার ধাক্কা দিয়ে ওকে আমার রূম থেকে বের করে দিয়ে বলেছিলাম – ’সিগারেট খেলে বাইরে গিয়ে খাবে। আমার রূমে নয়।’ এসব কথা মনে করে ডাক্তারের সামনেই হু হু করে কেদেঁ দিলাম। ডাক্তার আবারো কাধেঁ হাত দিয়ে আমাকে স্বান্তনা দিতে লাগলো। আর বল্ল একজন জিপি (জেনারেল প্র্যাকটিশনার) কে নিয়ে আসতে, তার উপস্থিতিতে হসপিটাল রিলিজ লেটার লেখা হবে রাহুলের ফিউনেরালের জন্য।

normal_and_cancer_cells

স্রষ্টার অপার করুণায় সে যাত্রা ও বেচেঁ গেলো। ৬ দিন পর ওকে আইসিইউ থেকে কেবিনে ফিরিয়ে আনা হলো। আমার খুশী দেখে কে! কেবিনে গিয়ে ওকে বুকে জড়িয়ে ধরতে ইচ্ছে হলো, গিয়ে দেখি বিছানার সাথে লেপ্টে শুয়ে আছে, সারা গায়ে নল লাগানো, জড়িয়ে ধরবো কি ভাবে?

এর পরের ৬/৭ মাসে ওকে আরো দুবার আইসিইউতে নেয়া হয়েছিলো, এবং প্রতিবারই সে কিছুদিন পর ফিরে এসেছে কেবিনে। যাকে বলে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসা। ডাক্তার জানালেন, ইটস অলমোষ্ট আ মিরাকল। ক্যান্সারে যতটা রোগী মারা যায়, ক্যান্সারের চিকিৎসার ধকল সহ্য করতে না পেরে বা চিকিৎসার মাঝখানে ইনফেকশন হয়ে মারা যায় তার চাইতে বেশী রোগী। ক দিন পর পরই রাহুলের শরীরের এখানে সেখানে অপারেশন করাতে হতো। আজ লাংসে ইনফেকশন তো কালকে লিভার ড্যামেজ। এইরকম করে চল্ল একটা বছর। শেষের দিকে প্রায় প্রতিদিন ওকে একটা করে কিমোথেরাপি নিতে হতো। সিরিঞ্জ ঢোকানোর জন্য ওর হাতে একটা বাটারফ্লাই ২৪ ঘন্টা লাগানোই থাকতো। এর ভেতর স্পার্ম ব্যাকং তাগাদা দিলো, বার্ষিক চাজ শেষ, নতুন করে আরেক বছরের জন্য নবায়ন করতে। তবে এটা আর কন্টিনিউ করতে রাহুল রাজি হলো না। বেশ মোটা অংকের টাকা খরচ হতো। ওর পুরো চিকিৎসার সময়টাতে অষ্ট্রেলিয়ার লিউকেমিয়া ফাউন্ডেশন যেভাবে পেরেছ সাহায্য করেছে, এমনকি সাইক্রিয়াটিষ্ট দিয়ে হলেও…

lf_logo

এরপর ওর হাতে পায়ে খুব ব্যথা করতো। বাতের ব্যথার মতো অসহ্য এক ভোঁতা ব্যথা। এত ব্যথা করতো যে ব্যথায় সারা রাত কোকাঁতো। টিপে দিলে আরাম লাগতো। আমি প্রায়ই ওর হাত পা টিপে দিতাম। হাসপাতাল থেকে সপ্তাহখানেকের জন্য রিলিজি দিলে আমার বাসায় নিয়ে আসতাম। নিজের হাতে খাইয়ে দিতাম। রাহুল মাঝে মাঝে উদভ্রান্তের মতো আচরন করতো, কিমোর অমানুষিক ধাক্কা রোগীর মানসিক অবস্থাও অস্বাভাবিক করে তোলে, ডাক্তার এটা আমাদের আগেই জানিয়েছিরেন। দেশে থেকে ওর ছোট বোন আর খালু সিডনী এসে দুটা মাস কি খাটুনিটাই না খাটলেন ওর জন্য! 

এক বছর পর ডাক্তাররা সিদ্ধান্ত নিলেন, ওর বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট করানো হবে। খরচ পড়বে প্রায় লাখখানেক ডলার। সেটাও সমস্যা না, সমস্যা হলো টিস্যু ম্যাচ করা। ওর ছোটবোনের কাছ থেকে ডাক্তাররা ৬ টিউব রক্ত নিলেন টিস্যু ম্যাচ করে কিনা দেখার জন্য। আপনবোনের সাথে টিস্যু ম্যাচ করবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু দেখা গেলো, ৫টা টিস্যু মিলে, একটা মিলে না। বোনম্যারো আর ট্রান্সপ্লান্ট করা গেলো না। ডোনারও পাওয়া গেলো না। ডাক্তাররা কিমো চালিয়ে গেলেন। নিয়মিত ব্লাড ট্রান্সফিউশন হতো। ডাক্তাররা জানিয়েছিলো টানা ২ বছর চিকিৎসা করাতে পারলে ও সেরে ওঠবে। যদিও ওটা আবারো ফিরে আসার সম্ভাবনা আছে। ২ বছর পর রাহুল কয়েকমাসের জন্য প্রায় সম্পূন সুস্থ হয়ে গেলো। কিন্তু এরপর ডাক্তারদের ভবিৎষতবানীই সত্যি হলো, আবার নতুন করে ওর লিউকোমিয়া ধরা পড়লো। তারা জানালো, বোনম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট না করলে ক্যান্সার থেকে পুরেপুরি আরোগ্য হওয়া সম্ভব নয়।

Bowel_Cancer_Australia_Advocacy_Emerging_Technologies_770

রাহুলের ক্যান্সার ধরা পড়েছিলো ২০১০ সালের সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি। ও এখনো বেচেঁ আছে। আগের তুলনায় মুটামুটি সুস্থই আছে। তবে এখণ নাকি আংগুল নাড়াতে পারে না। পুরোপুরি শয্যাশায়ী।

কিছুদিন আগে দ্য নেচার পত্রিকার একটা আর্টিকেলে পড়লাম, গবেষকরা সম্প্রতি একটা তথ্য আবিস্কার করেছেন যে, ক্যান্সার রোগীর বয়স যত কম হবে, তার আরোগ্যের সম্ভাবনা তত প্রবল। রাহুলের ক্যান্সার ধরা পড়েছিলো ২১ বছর বয়সে।

রাহুলের সাথে আরো কয়েকজনের লিউকোমিয়া হয়েছিলো। তারা সবাই চিকিৎসা চলা অবস্থাতেই মারা গেছে। শুধু টিকে আছে রাহুল। ডাক্তাররা ওকে ডাকে, মিরাকল বয়।

জগতের অনেক রথি মহারথি পৃথিবীর সবকিছু জয় করে শেষে ক্যান্সারের কাছে এসে পরাজয় মেনেছেন। কিন্তু এই ছেলেটা গত তিনটা বছর ধরে একা একা ক্যান্সারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে টিকে আছে। ওর মনোবল আর ওর যুদ্ধ করার শক্তি এখনো আমাকে বিস্মিত করে।

stock-photo-leukemia-vs-normal-blood-211262140

আজ শুভজিৎ ভৌমিকের নোট পড়ে অনেকদিন পর কিছু পুরনো স্মৃতি পড়ে চোখটা ছলছল করে ওঠলো। শুভজিৎ আহনাফের জন্য অত্যন্ত হৃদয়গ্রাহী কিছু কথা লিখে সাহায্য চেয়েছে। আমার ক্ষমতা থাকলে আহনাফকেও রাহুলের মতো সেন্ট জজ হাসপাতালে ভর্তি করাতাম। আমার সে ক্ষমতা নেই। আমার যতটুকু ক্ষমতা আছে, ততটুকুই করবো ইনশাল্লাহ।

https://www.facebook.com/proloyhasan/posts/10151955243962220

 

স্বপ্নদুয়ারে রেজিষ্ট্রেশন না করেও আপনার ফেসবুক আইডি দিয়েই মন্তব্য করা যাবে। নীচের টিক চিহ্নটি উঠিয়ে কমেন্ট করলে এই পোষ্ট বা আপনার মন্তব্যটি ফেসবুকের কোথাও প্রকাশিত হবে না।

টি মন্তব্য