আমার ছোটবেলার স্মৃতিচারণ

চারিদিক অন্ধকার করে হঠাৎ মুষলধারে বৃষ্টি নামার কোন তুলনা ইহ জগতে নেই। সাথে খানিক পর পর চারপাশ কাপিঁয়ে বজ্রপাত! আমি বৃষ্টি আর বর্ষাকালের প্রতি মারাত্নক রকমের অবসেসড। এমনকি জোৎস্নার চাইতেও!

এমন দিনে চারিদিকে কেমন যেন একটা আদুরে আদুরে শীত শীত ভাব! ছোটবেলায় এই সময়ে কাথাঁ মুড়ি দিয়ে আম্মুর গায়ের সাথে লেপ্টে শুয়ে গল্প শুনতাম। আম্মু আমাদের গল্প শোনাতে শোনাতে যখন ঘুমিয়ে পড়তেন, তখন নিজেই ঠাকুরমার ঝুলি বুকসেলফ থেকে নিয়ে শুয়ে শুয়ে পড়তাম। রূপকথা বা ভুতের গল্প পড়ার জন্য এমন বৃষ্টিমুখর দিনের চাইতে উপযুক্ত সময় আর হয় না। Continue reading

ধূপানের উপকারিতা

ধূমপান করার একটা বিশাল উপকারিতা আছে।

আজ বিকেলে কলিগদের সাথে নীচে নেমে সিগারেট ধরালাম। তারা জানে আমি মৌসুমী স্মোকার. শীতকাল ছাড়া সিগারেট খাই না। তাই ডিসেম্বর মাস আসলেই তারা আমাকে রীতিমতো ডাকাডাকি করে তাদের সাথে সিগি খেতে নিচে নিয়ে যায়। তো খেয়াল করলাম, সিগারেট খাবার সময় তারা পরস্পরের সাথে বিস্তর আলাপ আলোচনা করে। এইসব আলোচনার একটা বিশাল ফায়দা আছে। অনেক ক্রিটিকাল ইস্যু, করপোরেট পলিটিক্স এমনকি ব্যাক্তিগত কিংবা পারিবারিক ইস্যুও সলভ হয়ে যায়! ধূমপান না করলে তারা হয়তো কখনই এভাবে একজোট হয়ে গঠনমূলক আলোচনা করার সুযোগ পেতো না। ইনফ্যাক্ট যারা ধূমপান করে না, তারা তো সিগারেটের ব্রেক নেয় না। Continue reading

কচি পেঁয়াজপাতা! যা আপনার ঘরের ফ্রিজের ভেতরও বড় হতে পারে!

কিছুদিন আগে ফ্রাইড রাইস রান্না করার জন্য আমি বাজার থেকে কিছু ”স্ক্যালিয়ন্স” (Scallions, দেখতে অনেকটা পেঁয়াজ পাতার মতো) কিনেছিলাম বেশ দাম দিয়ে। ছোট্ট একটা আঁটি কিনেছিলাম ৮০ টাকা দিয়ে, শীতকালে যার দাম কোনভাবেই ১০ টাকার বেশী হবে না। তো এর গোড়াগুলো শেকড়সহ কেটে ফেলে দিচ্ছিলাম, পরে ভাবলাম বুয়াকে বলবো এগুলো আমাদেরয় বাগানের টবে পুঁতে রাখতে। বুয়া আসেন সকাল বেলা। তাই আগের দিন রাতে সেগুলো আমি একটা পলিথিন ব্যাগে মুড়িয়ে ফ্রিজে রেখে দিলাম, সকালে বুয়ার হাতে তুলে দিবো।


কি এক কারণে আমার আর মনে নেই বুয়াকে এটা বলার কথা। তিনদিন পর খেয়াল হলো, আরে আমি তো ফ্রিজে পেঁয়াজ পাতার গোড়াগুলো রেখেছিলাম, ওগুলোর কি অবস্থা? আমি ফ্রিজ থেকে পলিথিন বের করে খুলে অবাক হয়ে দেখলাম যে, প্রতিটি কাটা শেকড় থেকে খুব চিকন চিকন সবুজ রংয়ের সতেজ ও কচি পেঁয়াজ পাতা বের হয়েছে! আমি এই জিনিস দেখার জন্য মোটেও প্রস্তুত ছিলাম না। নীচে ছবি দিলাম।


১) উপরের ছবির শেকড়গুলোকে ঠিক এ অবস্থায়ই পলিথিনে মুড়িয়ে রেফ্রিজারেটরের দরজায় রেখেছিলাম…

২) তিনদিন পর ফ্রিজ থেকে বের করে আমি যা দেখলাম…

 

ফ্রিজের ভেতর মাটি, পানি ও বায়ু ছাড়া এই জিনিস কিভাবে বৃদ্ধি পেলো?

নেট ঘেঁটে জানতে পারলাম যে, এটা স্বাভাবিক ঘটনা। বোতলে পানি ভরে তার ভেতর শেকড়সহ স্ক্যালিয়ন ভরে রাখলেও নাকি সেগুলো খুব দ্রুত বাড়ে। কিন্তু ফ্রিজের কথা কোথাও লেখা নেই। ফ্রিজের ভেতরও যে এগুলো বড় হয়, সেটা মনে হয় আমিই প্রথম আবিষ্কার করলাম। ব্যক্তিগতভাবে পেঁয়াজপাতা আমি খুবই পছন্দ করি। ফ্রাইড রাইস বানাতে তো বটেই, এমনকি ডালে বা নুডুলসে বা পাস্তায় গার্নিশ হিসেবে এর কোন তুলনা নেই। খাবারের স্বাদও অনেক বেড়ে যায়।


এই ফাঁকে স্ক্যালিয়ন নিয়ে কয়েকটা কথা বলে নেইঃ

১. Scallions এর আরেক নাম Green Onions (বাংলায় বলে পেঁয়াজ পাতা, সাথে সবুজ রংয়ের পাতা থাকে বলে এই নাম।)

২. একে অনেক দেশে Spring Onions নামে ডাকা হয়। কিন্তু এটা ভুল। দুটো এক জিনিস নয়। স্ক্যালিয়ন এক ধরনের সবজি, যেটি খাবারে গার্নিশ বা herbs হিসেবে তো বটেই, রান্নার কাজেও চালাতে পারবেন। অপরদিকে স্প্রিং অনিয়নের গোঁড়াতে ছোট ছোট পেঁয়াজ থাকে। গোড়ার এই ছোট পেঁয়াজ ছাড়া এই দুটোর মাথে আর কোন মিল নেই বলে অনেকেই গুলিয়ে ফেলেন।


এটাকেই বলে স্ক্যালিয়ন্স! বাংলায় ‘পেঁয়াজ পাতা’!

৩) Spring Onions সাধারন বাজারের পেঁয়াজের চাইতে খেতে বেশী মিষ্টি, রসালো আর ঝাঁঝ কম। কিন্তু স্ক্যালিয়নের চাইতে এর ফ্লেভার আর ঝাঁঝ দুটোই বেশী। এদের পেঁয়াজগুলো লাল ও সাদা – দুটোই হয়ে থাকে।
৪) Green Onions কে কানাডা আর ইংল্যান্ডে Spring Onions বলে। এই কারণেও পাবলিক অনেক দ্বিধান্বিত হয়।

আর একে বলে গ্রিন অনিয়ন্স (গোঁড়াতে পেয়াঁজ আছেঃ)

৫) Scallions আর Spring Onions এর ফ্লেভার আর টেক্সচার দুটোই প্রায় এক। কিন্তু ফ্লেভারের তীব্রতায় ভিন্নতা রয়েছে। আপনার রান্নার প্রয়োজনীয়তা অনুসারে এই দুটোকে নির্বাচন করুন।

৬) আমাদের শহুরে লোকাল বাজারে যা পাওয়া যায়, সেগুলো scallions, আর গ্রামের বাজারে যা পাওয়া যায় সেগুলো গ্রিন অনিয়ন্স।

লেখা ও ছবিঃ প্রলয় হাসান

কিভাবে বুঝবেন আপনি একজন নির্লজ্জ ফেইম সিকার?

কিভাবে বুঝবেন আপনি একজন নির্লজ্জ ফেইম সিকার?

– যখন আপনি আমাদের উপমহাদেশের শত বছরের ঐতিহ্য বিয়ের লাল বেনারসী শাড়ীকে “a crazy expensive dress” আখ্যা দিয়ে দিবেন অথচ নিজে দামী কমিউনিটি সেন্টারে দামী সোফায় বসে পোজ দিবেন ওয়েডিং ফটোগ্রাফারের সামনে।

– এবং যখন আপনি সেই ছবি ফেসবুকে পোষ্ট দিয়ে কুটি কুটি লাইক/শেয়ার কামিয়ে ফেলবেন।

– এবং সেই ছবিতে আপনাকে দেখা যাবে, আপনি কাফনের কাপড়ের মতো সাদা শাড়ী পড়ে বাংলার পাচেঁর মতো মুখ করে হিজাব পড়ে বিয়ের পিড়িতে বসে আছেন। বিয়ে একজন মানুষের জীবনের অন্যতম সেরা দিন, সেই সেরা দিনে যখন আপনি কাফন সদৃশ্য কাপড় পড়ে ”জিরো মেকাপ” (এতটাই যে আপনাকে বিয়ের বউ হিসেবে কিছুতেই আলাদা করে চিহ্নিত করার জো নেই) করে বসে থাকবেন সবার সামনে, তখন বুঝতে হবে আপনার ফেইম সিকিংয়ের লেভেল।

– বিশেষ দিনে বিশেষ পোষাক পড়া, সেজে বরের সামনে উপস্থিত হওয়া, এসব আমাদের ধর্মেই বলা আছে। অন্যান্য ধর্মের মতো ইসলাম ধর্মে কোন বৈরাগ্য নেই। কিন্তু যখন আপনি ইসলামি পোষাক (হিজাব) পড়ে, সাদা শাড়ী পড়ে অনাড়ম্বরতা ধারন করার চেষ্টা করবেন অপরদিকে দামী কমিউনিটি সেন্টার ভাড়া করে ধুমধাম করে বিয়েও করবেন বেগুনী রংয়ের টাই পড়া কোট পড়া বরের পাশে, তখন বুঝতে হবে আপনার ফেইম সিকিংয়ের লেভেল কতখানি হাই!

– আপনি আপনার বিয়েতে যা খুশী তাই করতে পারেন, কোন সমস্যা নাই। আপনার বিয়ে কমিউনিটি সেন্টারে হোক কিংবা কবরস্থানে হোক, সেটা আপনার বিবেচনা, কিন্তু “taking a stance against the stereotypes” – বলে ছবি তুলে ফেবুতে শেয়ার দিয়ে পিঠ চাপড়ানি পাবার লোভ সামলাতে না পেরে এই জাতীয় হাস্যকর বালখিল্যপনা করলে বুঝতে হবে, আপনার আর ফেরার পথ নেই, আপনি ফেইম সিক করতে করতে একদম রাস্তায় নেমে গেছেন।

– আসলে আপনি ফেইম সিকার হলেও কোন আপত্তি নাই। কিন্তু অন্য দশটা মেয়েকে এইসব করে ফেইম সিকিংয়ে উৎসাহ দেবার রাইট আপনার নাই, এইটা আপনাকে বুঝতে হবে আপা।

লাষ্ট বাট নট লিস্ট, আমার জানামতে দুনিয়াতে এমন কোন মেয়ে নাই, যাকে তার বিয়ের দিন বিশেষ পোষাক পড়তে কিংবা মেকাপ করার জন্য জোরাজুরি করতে হয়, এমন কোন মেয়েকে আমি চিনি না যে সমাজ বা লোক লজ্জার ভয়ে বিয়েতে লাল শাড়ি পড়েছে এবং সুন্দর হয়ে সেজেগুজে নিজের পছন্দের বরের সামনে উপস্থিত হয়েছে। বরং আমি জানি যে, যে মেয়ে জীবনে কোনদিনও সাজে না, সে মেয়েরও স্বপ্ন থাকে তার বিয়ের দিনে মনের মতো করে সাজবার। এই আপা কোন গ্রহ থেকে আসছে কে জানে!

আর “ওজনদার ড্রেস” বলে যে পোষাককে আখ্যা দিয়েছেন, সেটার প্রকৃত ওজন আপনার নানীর ঐ সাদা শাড়ীর চেয়ে কম বৈ বেশী হবে না। আরেকটা কথা, আপনি যে উপমহাদেশে বসে বিয়েটা করছেন, সেখানে সাদা শাড়ীকে বিধবাদের পোষাক বলে বিবেচনা করা হয়।
(আগে হলে ভাবতাম, বিধবাদের পোষাক পড়ে বিয়ে করতে গাটস লাগে। এখন বুঝতেছি যে আসলে গাটস না, এক্সট্রিম লেভেলের ফেইম সিকিং মাইন্ডসেট লাগে!)

এইসব ঠিকঠাকমতো করতে পারলে বুঝবেন আপনার ফেইম সিকিংয়ের ষোলকলা পূর্ণ হয়েছে।

উনার বাচ্চা কাচ্চা নাতি পুতিদের জন্য আফসোস হচ্ছে, তারা তার এই ছবি দেখে প্রথমেই বুঝতেই পারবে না এইটা তার বিয়ের ছবি। বুঝতে সময় লাগবে অথবা বুঝায় দেয়া লাগবে। ছবি দেখে প্রশ্ন করবে

– ”মা তুমি বাবার সাথে এইভাবে দাতঁ কেলিয়ে সোফার উপর বইসা আছো কেন এইভাবে?”
– এটা আমাদের বিয়ের ছবি, বাবা।
– ওহ আমি তো ভাবসিলাম তুমি আব্বুর সাথে বইসা টিভি দেখতেছো। 

প্রাসংগিক একটা তথ্য দেই। ফেইম সিকাররা মানসিক রোগী। এদেরকে বলে narcissistic. সাইকোলজির ভাষায় এর নাম Narcissism.

সবশেষে একটা প্রশ্নের উত্তর জানার জন্য মনটা আকুপাকু করতেছে – উনার বিয়ের দেন মোহরের পরিমান কত ছিলো?
উনার মুখের মেকাপ আর পোষাক যেমন উনার নিজের ইচ্ছেয় হয়েছে, দেনমোহরটাও কিন্তু বউয়ের নিজের ইচ্ছেতেই হয়। কেউ জানলে পোষ্টে কমেন্ট করে কিংবা ইনবক্সে জানাতে পারেন। (কত লোক কবজি ডুবিয়ে রেজালা-জর্দা খেয়েছে সেটাও জানতে পারলে ভালো হতো)

Continue reading

আমার পুস্তক-প্রীতির আখ্যান!

মেট্রিক পরীক্ষার পর তাবলীগে গিয়েছিলাম যশোরে। একদিন সেখানকার একজন মাওলানা বল্লেন, ’তুমি তোমার জীবনের সবচাইতে প্রিয় জিনিসটা আল্লাহর রাস্তায় কুরবানী না করলে প্রকৃত মুমিন হতে পারবে না (বা এইরকম কিছু একটা বলেছিলেন)। প্রলয়, তোমার জীবনের কোন জিনিসটা তুমি আল্লাহর জন্য কুরবানী করতে চাও?’

আমি এক সেকেন্ডেও চিন্তা না করে তাকেঁ বলেছিলাম, ’আমার বুকসেলফ’!

মাওলানা সাহেব হতভম্ব হয়ে গিয়েছিলেন 😀 কারন এই রকম উত্তর তিনি আশা করেননি। তার এই প্রশ্নের এইরকম উত্তরও খুব সম্ভবত কেউ এর আগে দেয়নি। Continue reading

লিটনের ফ্ল্যাট

অফিসে ওয়েব ডেভেলপার রিক্রুটিং চলছে কিছুদিন ধরে। তাই প্রসংগক্রমে মনে পড়লো বছর দুয়ের আগে আমার প্রাক্তন সফটওয়্যার ফার্মে রিক্রটিং এর একটা ঘটনা যেটা মনে পড়লে এখনো দারুন মজা পাই।

তৎকালীন লিড প্রোগ্রামার টিপু ভাই খুবই নির্ভেজাল টাইপ মানুষ, তাই কোড লেখা ছাড়া অন্য কোন কাজে তিনি বড়ই অনীহা প্রকাশ করেন। অথচ সেই টিপু ভাইকেই আমাদের বস অনেক জোরাজুরি করে বসিয়ে দিলেন ইন্টারভিউ বোর্ডে। সেখানে আমিও ছিলাম। আমি দেখলাম টিপু ভাইর ভ্রু কুচঁকে আছে। খুবই বিরক্ত তিনি। কারন লাইভ সার্ভারে কাজ করছিলেন, জটিল ও আর্জেন্ট কাজ। সেখান থেকে তাকে বলতে গেলে কোলে করে তুলে ইন্টারভিউ বোর্ডে বসিয়ে দেয়া হয়েছে। কারন, ইন্টারভিউ বোর্ডের একজন অসুস্থ্যতার কারনে আসতে পারেনি সেদিন। Continue reading

সত্যিকার প্রেমের সংজ্ঞা কি?

সত্যিকার ভালবাসার সংজ্ঞা কি?

মজনু যখন লায়লার শহরে ঢুকে শহরের এ দেয়াল ও দেয়ালে চুমু খাচ্ছিলো, তখন লোকে তাকে মজনু পাগলা বলে ডাকতো। সেটা দেখে মজনু বলতো –

”তোমরা কি ভেবেছো শহরের ভালবাসা আমার হৃদয়কে আছন্ন করেছে? তা নয়, বরং সেখানে যে থাকে, সে-ই আমার হৃদয়কে হরণ করেছে।” Continue reading

মহিষের মাংসের লোভ দেখিয়ে ভোট আদায়

জয়পুরহাটের ইউপি নির্বাচনে একজন নারী প্রার্থী দারুন লোভনীয় এক উপায়ে জনসংযোগ শুরু করেছেন। তিনি প্রচার করছেন, ভোটে জিতলে তার গ্রামের সবাইকে দাওয়াত করে মহিষের মাংস দিয়ে ভাত খাওয়াবেন। লক্ষাধিক টাকা দিয়ে মহিষও কেনা শেষ। সেই মহিষের গায়ে রীতিমতো পোষ্টার সেটেঁই এখন চলছে তার গনসংযোগ। যদিও তার অপজিশন পার্টির দাবী, মহিষটি আদতে ভাড়া করে আনা হয়েছে!  Continue reading

Schindler’s List আর মেহেরজান যদি এক হয় তবে আম আর আমলকিও এক।

বন্ধু লিষ্টের অনেককেই দেখলাম পাকমন পেয়ারু রুবাইয়াত হোসেইনের ‘মেহেরজান’ এর সাথে Schindler’s List মুভির সাথে তুলনা করে ”পাকিরাও ভালু” এবং “সব পাকিরাই খারাপ লয়” নীতির প্রশংসায় মুখে ফেনা তুলছে এবং ইনিয়ে বিনিয়ে বলার চেষ্টা করছে যে, “ Schindler’s List যেহেতু বানানি হইসে সেহেতু মেহেরজান বানানিও ঠিকাছে! Continue reading

আমাদের ছোট ভাই ’আকিহা’

ডিসেম্বরের এইরকম এক শীতল দুপুরে আমার সবচাইতে ছোট ভাইটা বলতে গেলে আমার চোখের সামনে জন্ম নিয়েছে। ৯৭ সাল, আমি ক্লাস সেভেনে পড়ি। আমি অপারেশন থিয়েটারের দরজায় দাড়াঁয় ছিলাম। দেখলাম টকটকে লাল একটা নরম তুলতুলে আকিহাকে ট্রে এর মধ্যে এনে রখলো নার্স। মাত্রই নাড়ি কাটা হয়েছে। সারা গায়ে থকথকে লিকুইড।

Continue reading